Monday, 29 April 2013

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo

সোহেল রানা ১৫ দিনের রিমান্ডে

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comচার বছর পর টেস্ট জয়। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর চতুর্থ বিজয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ সমান করা এই জয়ের পরও উচ্ছ্বাসের আতিশয্য নেই বাংলাদেশ দলে। দেশে সাভারের ভবনধসে অসংখ্য মৃত্যু ঢেকে দিয়েছে সব আনন্দ, সব উচ্ছ্বাস।
Bangladesh Cricket Team
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় উৎসর্গ করেছেন সাভারের ভবনধসে মৃত্যুবরণ করা মানুষের প্রতি। 
সাভারের ভবনধসের পরদিন শুরু হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি। ওই দিন দেশে জাতীয়ভাবে শোক পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দল হাতে পরেছিল শোকের প্রতীক কালো রঙের ব্যান্ড। টেস্ট ম্যাচটি জিতে সাকিব-মুশফিক-রবিউল-জিয়ারা দেশের শোকাচ্ছন্ন মানুষের মুখে একটু হলেও হাসির পরশ বুলিয়ে দিলেন। 
এই শোকাকুল সময়েও দেশবাসীর স্যালুট তাদের প্রাপ্যই!


মুশফিকদের হৃদয়জুড়ে সাভার

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comচার বছর পর টেস্ট জয়। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর চতুর্থ বিজয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ সমান করা এই জয়ের পরও উচ্ছ্বাসের আতিশয্য নেই বাংলাদেশ দলে। দেশে সাভারের ভবনধসে অসংখ্য মৃত্যু ঢেকে দিয়েছে সব আনন্দ, সব উচ্ছ্বাস।
Bangladesh Cricket Team
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় উৎসর্গ করেছেন সাভারের ভবনধসে মৃত্যুবরণ করা মানুষের প্রতি। 
সাভারের ভবনধসের পরদিন শুরু হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি। ওই দিন দেশে জাতীয়ভাবে শোক পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দল হাতে পরেছিল শোকের প্রতীক কালো রঙের ব্যান্ড। টেস্ট ম্যাচটি জিতে সাকিব-মুশফিক-রবিউল-জিয়ারা দেশের শোকাচ্ছন্ন মানুষের মুখে একটু হলেও হাসির পরশ বুলিয়ে দিলেন। 
এই শোকাকুল সময়েও দেশবাসীর স্যালুট তাদের প্রাপ্যই!


সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo

হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo
হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ

হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

Sunday, 28 April 2013

আগামী ৯ মে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি। এখন প্রধানমন্ত্রী যদি এই তারিখে ফল প্রকাশের অনুমতি দেন, তাহলে এদিন ফল প্রকাশ করা হবে। newspapers24
আজ রোববার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্য জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে ফল প্রকাশ করা হবে।’
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ হয়। সে অনুযায়ী ৯ মে ফল প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে মার্চে শেষ হয়।


source: prothom-alo

৯ মে এসএসসির ফল প্রকাশের প্রস্তাব

আগামী ৯ মে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি। এখন প্রধানমন্ত্রী যদি এই তারিখে ফল প্রকাশের অনুমতি দেন, তাহলে এদিন ফল প্রকাশ করা হবে। newspapers24
আজ রোববার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্য জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে ফল প্রকাশ করা হবে।’
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ হয়। সে অনুযায়ী ৯ মে ফল প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে মার্চে শেষ হয়।


source: prothom-alo

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের এক প্রতিবাদ সমাবেশে খন্দকার মোশাররফ এই অভিযোগ আনেন। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সাভারের রানা প্লাজায় যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা সবাই জানত। আগেই গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। প্রশ্ন হলো, কারা জোর করে ওই দিন পোশাকশ্রমিকদের রানা প্লাজায় ঢুকিয়েছিল?’ তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন হরতাল ঠেকানোর জন্য তাঁদের আসতে বাধ্য করা হয়েছিল। কারখানায় না এলে বিএনপি-জামায়াত হিসেবে তাঁদের নাম লেখানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মওদুদ আহমদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, স্থানীয় সাংসদ মুরাদ জংসহ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সাভারে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যদের যুক্ত করা হয়নি বলে দাবি করে মওদুদ বলেন, পিলখানার মতো সরকার সাভারেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। 
Bangladeshnewspapers24
সোহেল রানা যুবলীগের কেউ নয় বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে সাফাই গেয়েছেন। জেনেশুনে এ কথা বলে সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে মোশাররফ অভিযোগ করেন, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে সরকার। সাভারের ঘটনায় দায়ী মালিকপক্ষকে বাঁচানোর নানা ফন্দিফিকির চলছে। মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
১৮ দলের সমাবেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের ঘটনাকে রানা প্লাজার ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, রানা প্লাজার ফাটলের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিকেও যদি সরকার তোয়াক্কা না করে, তাহলে রাজনীতিতে বিপর্যয় নেমে আসবে। এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

source: prothom-alo

১৮ দলের সমাবেশে অভিযোগ, সোহেল রানাকে পালানোর সুযোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের এক প্রতিবাদ সমাবেশে খন্দকার মোশাররফ এই অভিযোগ আনেন। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সাভারের রানা প্লাজায় যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা সবাই জানত। আগেই গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। প্রশ্ন হলো, কারা জোর করে ওই দিন পোশাকশ্রমিকদের রানা প্লাজায় ঢুকিয়েছিল?’ তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন হরতাল ঠেকানোর জন্য তাঁদের আসতে বাধ্য করা হয়েছিল। কারখানায় না এলে বিএনপি-জামায়াত হিসেবে তাঁদের নাম লেখানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মওদুদ আহমদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, স্থানীয় সাংসদ মুরাদ জংসহ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সাভারে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যদের যুক্ত করা হয়নি বলে দাবি করে মওদুদ বলেন, পিলখানার মতো সরকার সাভারেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। 
Bangladeshnewspapers24
সোহেল রানা যুবলীগের কেউ নয় বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে সাফাই গেয়েছেন। জেনেশুনে এ কথা বলে সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে মোশাররফ অভিযোগ করেন, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে সরকার। সাভারের ঘটনায় দায়ী মালিকপক্ষকে বাঁচানোর নানা ফন্দিফিকির চলছে। মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
১৮ দলের সমাবেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের ঘটনাকে রানা প্লাজার ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, রানা প্লাজার ফাটলের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিকেও যদি সরকার তোয়াক্কা না করে, তাহলে রাজনীতিতে বিপর্যয় নেমে আসবে। এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/রানা প্লাজা খোলা রাখতে পোশাক কারখানার মালিকেরাই বাধ্য করেছিলেন বলে দাবি করেছেন ভবনের মালিক সোহেল রানা। আজ রোববার উত্তরায় র্যাবের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর তিনিসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রশ্ন করলে সোহেল রানা এ দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন, পোশাক কারখানার মালিকেরাই তাঁকে ভবন খোলা রাখতে বাধ্য করেছিলেন। কারখানার মালিকেরা বলেছিলেন, কাজ বন্ধ থাকলে তাঁদের শিপমেন্ট বাতিল হয়ে যাবে, ব্যবসার ক্ষতি হবে। সোহেল রানা বলেন, ভবন অতিরিক্ত ওজনের চাপ হচ্ছে-এ ব্যাপারে তিনি বেশ কয়েকবার কারখানার মালিকদের লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। ভবনের নিচে তাঁর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আছে বলে দাবি করেন তিনি। সাংসদ মুরাদ জংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ব্যাপার জানতে চাইলে রানা র্যাবকে বলেন, তিনি দল করেন, সে কারণে সাংসদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা আছে। ঘটনার পরও তিনি সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে পালিয়ে আসার তিনি কোনো ফোন ব্যবহার করতেন না বলে দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন তিনি সাভার পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন আহত হয়ে তিনি একটি হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নেওয়ার পর পালিয়ে যান।
newspapers24
উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেসে ফেন্সিডিল
র্যাব কর্মকর্তারা সোহেলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেস থেকে দুই বোতল ফেন্সিডিল, পাঁচ ধরনের ট্যাবলেট, পাঁচ প্যাকেট স্যালাইন, একটি কলম, একটি সিগারেটের প্যাকেট, পাঁচটি সুইংগাম, তিনটি মুঠোফোন ও কিছু কাপড় চোপড় জব্দ করেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন রানা
সাভারের রানা প্লাজার নিজ কার্যালয়ে ছিলেন মালিক সোহেল রানা। ভবনটি ধসে পড়ার পর তিনিও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে সাহায্য চাইলে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। আজ উত্তরায় র্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভবনের নিচের তলার পূর্ব দিকে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচজন ছিল। ভবন ধসের পর তিনিসহ পাঁচজনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। এরপর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে কয়েকজন স্থানীয় লোকজনকে সাহায্যের আবেদন করেন তিনি। ওই লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা সেখানে চিকিত্সা নিয়ে তিনি বের হয়ে আসেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা মোহাম্মদপুরে শামীম নামের তাঁর এক বন্ধুর বাসায় উঠেন। সেখানে রাতে অবস্থান করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার তিনি মানিকগঞ্জে আফজাল নামের আরেক বন্ধুর বাসায় চলে যান। শুক্রবার রাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জে ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে পদ্মা নদী পার হয়ে যান ফরিদপুরে অনীল কুমারের বাসায়। সেখানে একদিন ছিলেন তিনি। পরদিন শনিবার রাতে সোহেলকে নিয়ে যশোরের ঝিকড়গাছায় অনীলের বাসায় যান। সেখানে শাহ আলম মিঠুর কাছে সোহেল রানাকে হস্তান্তর করেন অনীল। শাহ আলম সেখান থেকে সোহেল রানাকে বেনাপোলের বলফিল্ড এলাকায় তাঁর বাসায় নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, র্যাব সোহেল রানার সঙ্গে শাহ আলম ও অনীল কুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে।


source: prothom-alo

পোশাক কারখানার মালিকদের দুষলেন রানা

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/রানা প্লাজা খোলা রাখতে পোশাক কারখানার মালিকেরাই বাধ্য করেছিলেন বলে দাবি করেছেন ভবনের মালিক সোহেল রানা। আজ রোববার উত্তরায় র্যাবের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর তিনিসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রশ্ন করলে সোহেল রানা এ দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন, পোশাক কারখানার মালিকেরাই তাঁকে ভবন খোলা রাখতে বাধ্য করেছিলেন। কারখানার মালিকেরা বলেছিলেন, কাজ বন্ধ থাকলে তাঁদের শিপমেন্ট বাতিল হয়ে যাবে, ব্যবসার ক্ষতি হবে। সোহেল রানা বলেন, ভবন অতিরিক্ত ওজনের চাপ হচ্ছে-এ ব্যাপারে তিনি বেশ কয়েকবার কারখানার মালিকদের লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। ভবনের নিচে তাঁর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আছে বলে দাবি করেন তিনি। সাংসদ মুরাদ জংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ব্যাপার জানতে চাইলে রানা র্যাবকে বলেন, তিনি দল করেন, সে কারণে সাংসদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা আছে। ঘটনার পরও তিনি সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে পালিয়ে আসার তিনি কোনো ফোন ব্যবহার করতেন না বলে দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন তিনি সাভার পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন আহত হয়ে তিনি একটি হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নেওয়ার পর পালিয়ে যান।
newspapers24
উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেসে ফেন্সিডিল
র্যাব কর্মকর্তারা সোহেলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেস থেকে দুই বোতল ফেন্সিডিল, পাঁচ ধরনের ট্যাবলেট, পাঁচ প্যাকেট স্যালাইন, একটি কলম, একটি সিগারেটের প্যাকেট, পাঁচটি সুইংগাম, তিনটি মুঠোফোন ও কিছু কাপড় চোপড় জব্দ করেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন রানা
সাভারের রানা প্লাজার নিজ কার্যালয়ে ছিলেন মালিক সোহেল রানা। ভবনটি ধসে পড়ার পর তিনিও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে সাহায্য চাইলে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। আজ উত্তরায় র্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভবনের নিচের তলার পূর্ব দিকে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচজন ছিল। ভবন ধসের পর তিনিসহ পাঁচজনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। এরপর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে কয়েকজন স্থানীয় লোকজনকে সাহায্যের আবেদন করেন তিনি। ওই লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা সেখানে চিকিত্সা নিয়ে তিনি বের হয়ে আসেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা মোহাম্মদপুরে শামীম নামের তাঁর এক বন্ধুর বাসায় উঠেন। সেখানে রাতে অবস্থান করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার তিনি মানিকগঞ্জে আফজাল নামের আরেক বন্ধুর বাসায় চলে যান। শুক্রবার রাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জে ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে পদ্মা নদী পার হয়ে যান ফরিদপুরে অনীল কুমারের বাসায়। সেখানে একদিন ছিলেন তিনি। পরদিন শনিবার রাতে সোহেলকে নিয়ে যশোরের ঝিকড়গাছায় অনীলের বাসায় যান। সেখানে শাহ আলম মিঠুর কাছে সোহেল রানাকে হস্তান্তর করেন অনীল। শাহ আলম সেখান থেকে সোহেল রানাকে বেনাপোলের বলফিল্ড এলাকায় তাঁর বাসায় নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, র্যাব সোহেল রানার সঙ্গে শাহ আলম ও অনীল কুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে।


source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com

বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন রানা: র‌্যাব

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com

সাভারে ধসে যাওয়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল আজ বেলা তিনটার দিকে সোহেলকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে। হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরও প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাভারে ভবনধসের উদ্ধার তৎপরতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাইকে রানাকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যে মানুষরূপী পশুটি এখানে মরণফাঁদ তৈরি করেছিল, দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
এ ঘোষণার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকর্মী ও জনতা ‘ফাঁসি ফাঁসি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। 

খুলনায় নিষ্ফল অভিযান


রানাকে ধরতে আজ খুলনায় নিষ্ফল অভিযান চালায় র‌্যাব-পুলিশের একটি দল। বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, রানা খুলনায় পলাতক আছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-পুলিশের একটি দল খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৮ নম্বর সড়কে জনৈক মোস্তফা মল্লিকের ১৩৯-এ ও ১৩৯-বি নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায়। পৌনে এক ঘণ্টা ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ভবনধস


২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে ঢাকার অদূরে সাভারে নয় তলার রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে আজ বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ৩৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন সহস্রাধিক লোক। ভবনধসের পরই রানা প্লাজার মালিক ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা পালিয়ে যান।

দুটি মামলা


ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলা আছে। দুটি মামলাই হয়েছে ভবনধসের পরে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করেছে ইমারত বিধিমালা আইনে আর অপরটি হয়েছে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে। সাভার থানার পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেছে। এ ছাড়া রানার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। থানার পুলিশের কাছে তাঁর মামলার কোনো রেকর্ডও নেই।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে রানা প্লাজার অভ্যন্তরে যুবলীগের নেতা গাজী আবদুল্লাহ খুনের ঘটনায় আসামি ছিলেন রানা। তবে তদন্তের পর পুলিশ অভিযোগপত্র থেকে রানার নাম বাদ দেয়। ২০০৮ সালে ভিপি হেলাল গুম ও হত্যার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সাভারের মাদক ব্যবসায়ী মুন্না ছিল তাঁরই আশ্রয়ে। কিছুদিন আগে মুন্নার মৃতদেহ পাওয়া যায় সাভারের একটি জলাশয়ে। ধারণা করা হয়, তিনি গুপ্তহত্যার শিকার।
News24

তথ্য পেতে স্বজন আটক


রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে তথ্য জোগাড়ের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিতুসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ বলেছে, সোহেল রানার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী মুন্নি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। 
জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত বুধবার ভবনধসের পর জাহাঙ্গীর স্ত্রী মুন্নিকে নিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঝিটকা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান। গত বৃহস্পতিবার সাভার থানার পুলিশ সেখান থেকে তিন মাসের শিশুসহ মুন্নি ও তাঁর আত্মীয় আনোয়ারকে আটক করে। এর পর শুক্রবার জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়।

পারিবারিক ইতিহাস


দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সোহেল রানা দ্বিতীয়। স্থানীয় অধরচন্দ্র হাইস্কুলে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মণ্ডপের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন। সোহেল রানা জমির ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমিও দখল করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।

পরিবারের সম্পদ

সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।

মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সখ্য

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবনধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনো রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।


source: prothom-alo

সোহেল রানা গ্রেপ্তার


সাভারে ধসে যাওয়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল আজ বেলা তিনটার দিকে সোহেলকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে। হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরও প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাভারে ভবনধসের উদ্ধার তৎপরতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাইকে রানাকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যে মানুষরূপী পশুটি এখানে মরণফাঁদ তৈরি করেছিল, দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
এ ঘোষণার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকর্মী ও জনতা ‘ফাঁসি ফাঁসি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। 

খুলনায় নিষ্ফল অভিযান


রানাকে ধরতে আজ খুলনায় নিষ্ফল অভিযান চালায় র‌্যাব-পুলিশের একটি দল। বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, রানা খুলনায় পলাতক আছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-পুলিশের একটি দল খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৮ নম্বর সড়কে জনৈক মোস্তফা মল্লিকের ১৩৯-এ ও ১৩৯-বি নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায়। পৌনে এক ঘণ্টা ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ভবনধস


২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে ঢাকার অদূরে সাভারে নয় তলার রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে আজ বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ৩৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন সহস্রাধিক লোক। ভবনধসের পরই রানা প্লাজার মালিক ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা পালিয়ে যান।

দুটি মামলা


ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলা আছে। দুটি মামলাই হয়েছে ভবনধসের পরে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করেছে ইমারত বিধিমালা আইনে আর অপরটি হয়েছে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে। সাভার থানার পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেছে। এ ছাড়া রানার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। থানার পুলিশের কাছে তাঁর মামলার কোনো রেকর্ডও নেই।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে রানা প্লাজার অভ্যন্তরে যুবলীগের নেতা গাজী আবদুল্লাহ খুনের ঘটনায় আসামি ছিলেন রানা। তবে তদন্তের পর পুলিশ অভিযোগপত্র থেকে রানার নাম বাদ দেয়। ২০০৮ সালে ভিপি হেলাল গুম ও হত্যার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সাভারের মাদক ব্যবসায়ী মুন্না ছিল তাঁরই আশ্রয়ে। কিছুদিন আগে মুন্নার মৃতদেহ পাওয়া যায় সাভারের একটি জলাশয়ে। ধারণা করা হয়, তিনি গুপ্তহত্যার শিকার।
News24

তথ্য পেতে স্বজন আটক


রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে তথ্য জোগাড়ের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিতুসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ বলেছে, সোহেল রানার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী মুন্নি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। 
জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত বুধবার ভবনধসের পর জাহাঙ্গীর স্ত্রী মুন্নিকে নিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঝিটকা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান। গত বৃহস্পতিবার সাভার থানার পুলিশ সেখান থেকে তিন মাসের শিশুসহ মুন্নি ও তাঁর আত্মীয় আনোয়ারকে আটক করে। এর পর শুক্রবার জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়।

পারিবারিক ইতিহাস


দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সোহেল রানা দ্বিতীয়। স্থানীয় অধরচন্দ্র হাইস্কুলে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মণ্ডপের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন। সোহেল রানা জমির ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমিও দখল করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।

পরিবারের সম্পদ

সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।

মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সখ্য

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবনধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনো রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।


source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comসাভারে ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা হরতাল ও অন্যান্য কর্মসূচির নড়চড় হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে একই দিনে (২ মে) বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দেশব্যাপী ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল স্থগিত করা হয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতাল বহাল
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, রানাকে গ্রেপ্তার বিএনপির মূল দাবি নয়। মূলত সাভারের ভবনধসের বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে হরতাল দেওয়া হয়েছে। তাই বিএনপির ডাকা হরতাল বহাল থাকবে।
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে আগামী ২ মে হরতালের ডাক দেয় ১৮ দল। বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলের বৈঠক শেষে গতকাল শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
রানাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ দলের কর্মসূচি থাকবে কি না, জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘হরতাল হবে। শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে এই হরতাল দেওয়া হয়নি। এটি কয়েকটি দাবির একটি।’ তিনি বলেন, ‘এত বড় ট্র্যাজেডির পর সরকারের অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতা, অনীহা, সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে এই হরতাল ডাকা হয়েছে।’
যোগাযোগ করা হলে দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাদের হরতাল উদ্ধারকাজে বিলম্ব, সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে, শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নয়। এখন পর্যন্ত ঘোষিত হরতাল আছে।’ এর অন্যথা হওয়ার সুযোগও কম বলে তিনি মনে করেন। 
Bangladeshi News

সিপিবির হরতাল স্থগিত, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) তাদের ডাকা আগামী ২ মের হরতাল কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছে। সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে সিপিবি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) যৌথভাবে এ হরতাল ডেকেছিল। একই দিন প্রায় একই দাবিতে পৃথকভাবে হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাম মোর্চা ও বাসদ হরতাল প্রত্যাহার করেনি। 
হরতাল স্থগিতের কারণ সম্পর্কে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ আজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল শনিবার সকালে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সাভারে শ্রমিক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার, শাস্তির দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ২ মে দেশব্যাপী হরতাল ঘোষণা করেছিল। ওই দিন গভীর রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট একই তারিখে হরতাল কর্মসূচি দিয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘোষিত বড় কর্মসূচির দিন অন্য কারও কর্মসূচি ঘোষণা করা গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, শিষ্টাচারসম্মত নয়। তারা বামপন্থীদের হরতালের কর্মসূচি ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে। বামপন্থীদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্যই তারা এ কাজ করেছে। তাই সিপিবি হরতাল স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে, তা হলো কাল সোমবার ও আগামী মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, পয়লা মে শ্রমিক দিবস পালন ও ৩ মে গণসমাবেশ।


source: prothom-alo

বিএনপির হরতাল বহাল, সিপিবির স্থগিত

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comসাভারে ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা হরতাল ও অন্যান্য কর্মসূচির নড়চড় হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে একই দিনে (২ মে) বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দেশব্যাপী ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল স্থগিত করা হয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতাল বহাল
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, রানাকে গ্রেপ্তার বিএনপির মূল দাবি নয়। মূলত সাভারের ভবনধসের বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে হরতাল দেওয়া হয়েছে। তাই বিএনপির ডাকা হরতাল বহাল থাকবে।
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে আগামী ২ মে হরতালের ডাক দেয় ১৮ দল। বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলের বৈঠক শেষে গতকাল শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
রানাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ দলের কর্মসূচি থাকবে কি না, জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘হরতাল হবে। শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে এই হরতাল দেওয়া হয়নি। এটি কয়েকটি দাবির একটি।’ তিনি বলেন, ‘এত বড় ট্র্যাজেডির পর সরকারের অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতা, অনীহা, সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে এই হরতাল ডাকা হয়েছে।’
যোগাযোগ করা হলে দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাদের হরতাল উদ্ধারকাজে বিলম্ব, সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে, শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নয়। এখন পর্যন্ত ঘোষিত হরতাল আছে।’ এর অন্যথা হওয়ার সুযোগও কম বলে তিনি মনে করেন। 
Bangladeshi News

সিপিবির হরতাল স্থগিত, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) তাদের ডাকা আগামী ২ মের হরতাল কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছে। সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে সিপিবি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) যৌথভাবে এ হরতাল ডেকেছিল। একই দিন প্রায় একই দাবিতে পৃথকভাবে হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাম মোর্চা ও বাসদ হরতাল প্রত্যাহার করেনি। 
হরতাল স্থগিতের কারণ সম্পর্কে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ আজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল শনিবার সকালে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সাভারে শ্রমিক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার, শাস্তির দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ২ মে দেশব্যাপী হরতাল ঘোষণা করেছিল। ওই দিন গভীর রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট একই তারিখে হরতাল কর্মসূচি দিয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘোষিত বড় কর্মসূচির দিন অন্য কারও কর্মসূচি ঘোষণা করা গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, শিষ্টাচারসম্মত নয়। তারা বামপন্থীদের হরতালের কর্মসূচি ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে। বামপন্থীদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্যই তারা এ কাজ করেছে। তাই সিপিবি হরতাল স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে, তা হলো কাল সোমবার ও আগামী মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, পয়লা মে শ্রমিক দিবস পালন ও ৩ মে গণসমাবেশ।


source: prothom-alo