Showing posts with label Dhaka News. Show all posts
Showing posts with label Dhaka News. Show all posts

Tuesday, 14 May 2013

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পরপরই কারাফটক থেকে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
News24
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী থানায় ভাঙচুরের দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে কারাগারে শামীম সাঈদীর জামিনের কাগজপত্র পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনিটে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটক থেকেই গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায়।
ওই সব মামলায় গ্রেপ্তারের পর শামীম সাঈদীকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। ২২ মার্চ তাঁকে রিমান্ডে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ২৩ মার্চ তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source: prothom-alo

জামিনের পর আবার গ্রেপ্তার হলেন সাঈদীর ছেলে

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পরপরই কারাফটক থেকে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
News24
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী থানায় ভাঙচুরের দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে কারাগারে শামীম সাঈদীর জামিনের কাগজপত্র পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনিটে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটক থেকেই গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায়।
ওই সব মামলায় গ্রেপ্তারের পর শামীম সাঈদীকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। ২২ মার্চ তাঁকে রিমান্ডে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ২৩ মার্চ তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source: prothom-alo

Thursday, 9 May 2013

‘সপ্তম শ্রেণী থেকে মারজানুল ইসলাম সৌরভকে ব্যক্তিগতভাবে পড়িয়েছি। কখনো তাকে পড়তে বলা লাগেনি। কখনো শাসন করতে হয়নি। নিজে থেকেই সব পড়া পড়ত। কখনো তাকে বেতের আঘাত করতে হয়নি। আজ তার এসএসসি পরীক্ষার ফল পেয়েছি। আনন্দ লাগছে। কিন্তু দুঃখটাই বেশি। ফল পেয়েছি সত্যি, কিন্তু একটি মেধাবী ছাত্র হারালাম। এর চেয়ে দুঃখ কী হতে পারে!’
News24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক এ কে এম আসাদুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, খুবই শান্তশিষ্ট ও বিনয়ী ছিল মারজান। গত রোববার স্থানীয় মাদানীনগর মাদ্রাসা থেকে মাইকের ঘোষণা শুনে অন্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সে। এরপর সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বলে তিনি জানতে পারেন। মারজানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিরুল হক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মারজানুল ইসলাম সৌরভ খুবই ভালো ও শান্তশিষ্ট ছিল। এভাবে অকালে চলে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। তার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না।
সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল মারজানুল ইসলাম সৌরভ। ঢাকা বোর্ড থেকে পাসও করেছে সে। পেয়েছে জিপিএ-৪.৫৬। তার রোল নম্বর ১২০৩০১। কিন্তু এসএসসির ফল দেখে যেতে পারেনি সে। গত রোববার সকালে কাঁচপুর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মারজান।
আজ সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফল দেখছেন অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। কিন্তু মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ। তার বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারজানের অভিভাবকেরা সবাই তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কবরস্থানে গতকাল মারজানকে দাফন করা হয়েছে। তাই তার অভিভাবকেরা কেউ স্কুলে আসেননি। তার এক বন্ধু কামরুল ইসলাম জানায়, খুবই ভালো ছেলে ছিল মারজান। ক্লাসের সবার প্রিয় ছিল সে। মারজানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুব খারাপ লেগেছে তার।
সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাগমারা এলাকায় মারজানুল ইসলাম সৌরভদের বাসা। তার বাবা এনামুল হক একজন সরকারি চাকরিজীবী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট মারজান। আজ সকালে ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আছেন কেবল তার মামা, মামি ও দাদি। বাকি সবাই গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। তার মামা মো. মোস্তফা বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওরা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মারজানকে গতকাল দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা সবাই সেখানে রয়েছেন।’ মারজানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছেলেটাকেই হারাইছি। এখন ফলাফল দিয়ে কী করব!’

source:  prothom-alo

মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ

‘সপ্তম শ্রেণী থেকে মারজানুল ইসলাম সৌরভকে ব্যক্তিগতভাবে পড়িয়েছি। কখনো তাকে পড়তে বলা লাগেনি। কখনো শাসন করতে হয়নি। নিজে থেকেই সব পড়া পড়ত। কখনো তাকে বেতের আঘাত করতে হয়নি। আজ তার এসএসসি পরীক্ষার ফল পেয়েছি। আনন্দ লাগছে। কিন্তু দুঃখটাই বেশি। ফল পেয়েছি সত্যি, কিন্তু একটি মেধাবী ছাত্র হারালাম। এর চেয়ে দুঃখ কী হতে পারে!’
News24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক এ কে এম আসাদুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, খুবই শান্তশিষ্ট ও বিনয়ী ছিল মারজান। গত রোববার স্থানীয় মাদানীনগর মাদ্রাসা থেকে মাইকের ঘোষণা শুনে অন্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সে। এরপর সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বলে তিনি জানতে পারেন। মারজানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিরুল হক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মারজানুল ইসলাম সৌরভ খুবই ভালো ও শান্তশিষ্ট ছিল। এভাবে অকালে চলে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। তার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না।
সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল মারজানুল ইসলাম সৌরভ। ঢাকা বোর্ড থেকে পাসও করেছে সে। পেয়েছে জিপিএ-৪.৫৬। তার রোল নম্বর ১২০৩০১। কিন্তু এসএসসির ফল দেখে যেতে পারেনি সে। গত রোববার সকালে কাঁচপুর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মারজান।
আজ সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফল দেখছেন অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। কিন্তু মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ। তার বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারজানের অভিভাবকেরা সবাই তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কবরস্থানে গতকাল মারজানকে দাফন করা হয়েছে। তাই তার অভিভাবকেরা কেউ স্কুলে আসেননি। তার এক বন্ধু কামরুল ইসলাম জানায়, খুবই ভালো ছেলে ছিল মারজান। ক্লাসের সবার প্রিয় ছিল সে। মারজানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুব খারাপ লেগেছে তার।
সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাগমারা এলাকায় মারজানুল ইসলাম সৌরভদের বাসা। তার বাবা এনামুল হক একজন সরকারি চাকরিজীবী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট মারজান। আজ সকালে ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আছেন কেবল তার মামা, মামি ও দাদি। বাকি সবাই গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। তার মামা মো. মোস্তফা বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওরা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মারজানকে গতকাল দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা সবাই সেখানে রয়েছেন।’ মারজানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছেলেটাকেই হারাইছি। এখন ফলাফল দিয়ে কী করব!’

source:  prothom-alo

Wednesday, 8 May 2013

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার রাজধানীর গোপীবাগ দ্বিতীয় লেনের বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আজ রাত ১১ টার দিকে মহানগর পুলিশ তাঁর বাসায় এ অভিযান শুরু করে। এ সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছেন। News24
সাদেক হোসেন খোকার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তাও তল্লাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


source: prothom-alo

খোকার বাসায় তল্লাশি চলছে

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার রাজধানীর গোপীবাগ দ্বিতীয় লেনের বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আজ রাত ১১ টার দিকে মহানগর পুলিশ তাঁর বাসায় এ অভিযান শুরু করে। এ সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছেন। News24
সাদেক হোসেন খোকার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তাও তল্লাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


source: prothom-alo

Sunday, 5 May 2013

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo

হেফাজতের তাণ্ডবে জ্বলছে পল্টন

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo
ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo

আগামীকাল ঢাকায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাস ধর্মঘট

ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo
মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র‌্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24
এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 
পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র‌্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। 
আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। 
হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।
এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।

source: prothom-alo

হেফাজতের সমাবেশস্থলে টিয়ার সেল নিক্ষেপ

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র‌্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24
এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 
পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র‌্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। 
আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। 
হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।
এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।

source: prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo

বগুড়ায় মহাসমাবেশে আহমদ শফী, ৫ তারিখে দেশ কোন দিকে যাবে জানি না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo
রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

‘আমার পা ফিরাই দেন’

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo
সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo

এ বিজয় নারীর: স্পিকার, প্রথম নারী স্পিকার হলেন শিরীন শারমিন

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo

আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত


আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

উদ্ধারকাজে ডগ স্কোয়াড, মৃতের সংখ্যা ৩৮৭

সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo