Showing posts with label সবচেয়ে পঠিত. Show all posts
Showing posts with label সবচেয়ে পঠিত. Show all posts

Tuesday, 14 May 2013

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি উপকূলের দিকে আরও অগ্রসর হচ্ছে।
News In Bangladesh
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মহাসেন আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে এক হাজার ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। দুর্বল না হলে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল দিয়ে বয়ে যেতে পারে। তবে কাল কখন এটি আঘাত হানবে, এ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

source: prothom alo

উপকূলের দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি উপকূলের দিকে আরও অগ্রসর হচ্ছে।
News In Bangladesh
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মহাসেন আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে এক হাজার ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। দুর্বল না হলে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল দিয়ে বয়ে যেতে পারে। তবে কাল কখন এটি আঘাত হানবে, এ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

source: prothom alo

Saturday, 11 May 2013

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

Thursday, 9 May 2013

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ।
পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে আজ সব শিক্ষার্থী গিয়েছিল স্কুলে। ফল পেয়ে আনন্দে বাড়িও ফিরেছে অনেকে, কিন্তু পারল না শুধু রাজন মিয়া।  News In Bangladesh
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার অলহরি গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি মাস্টারের ছেলে রাজন। ত্রিশালের পোড়াবাড়ী হাইস্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে। জিপিএ-৪.৫ পাওয়ার খবর রাজন মুঠোফোনে বাবা-মাকে জানিয়েছে। সে এ-ও জানায়, মিষ্টি নিয়ে বাড়ি আসছে।
পাসের খবরে খুশি হয়ে রাজন মিয়া মিষ্টি নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিল। বাড়ি ফেরার পথে অলহরি গ্রামেই একটি ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। রাজন বাড়ি ফিরল, তবে নিথর দেহে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ছেলের পাসের আনন্দে বাড়ির সবাই ছিল উত্ফুল্ল। নিমিষেই সেই বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
রাজনের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘রাজন ছিল মেধাবী ও অমায়িক। তার মৃত্যুতে আমরা অনেক কষ্ট পেয়েছি।’


Source: prothom-alo

পাস হলো, বাড়ি ফেরা হলো না রাজনের

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ।
পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে আজ সব শিক্ষার্থী গিয়েছিল স্কুলে। ফল পেয়ে আনন্দে বাড়িও ফিরেছে অনেকে, কিন্তু পারল না শুধু রাজন মিয়া।  News In Bangladesh
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার অলহরি গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি মাস্টারের ছেলে রাজন। ত্রিশালের পোড়াবাড়ী হাইস্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে। জিপিএ-৪.৫ পাওয়ার খবর রাজন মুঠোফোনে বাবা-মাকে জানিয়েছে। সে এ-ও জানায়, মিষ্টি নিয়ে বাড়ি আসছে।
পাসের খবরে খুশি হয়ে রাজন মিয়া মিষ্টি নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিল। বাড়ি ফেরার পথে অলহরি গ্রামেই একটি ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। রাজন বাড়ি ফিরল, তবে নিথর দেহে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ছেলের পাসের আনন্দে বাড়ির সবাই ছিল উত্ফুল্ল। নিমিষেই সেই বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
রাজনের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘রাজন ছিল মেধাবী ও অমায়িক। তার মৃত্যুতে আমরা অনেক কষ্ট পেয়েছি।’


Source: prothom-alo

Tuesday, 7 May 2013

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা দেবাশিষ বাদী হয়ে ঢাকার মুখ্য মহানগর
হাকিম আদালতে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও মানহানির অভিযোগে এম কে আনোয়ারে বিরুদ্ধে মামলা করেন। মহানগর হাকিম হাসিবুল হক মামলাটি গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানা যায়, গত রোববার হেফাজতের সহিংসতার সময় শাপলা চত্বর ও বায়তুল মোকাররম মসজিদ এবং আশপাশের এলাকায় ভাঙচুর, ধর্মীয় গ্রন্থে অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্য দেবাশীষ নামের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে দায়ী করে গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন এম কে আনোয়ার।
আরজিতে আরও বলা হয়, এম কে আনোয়ার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে এবং কথাবার্তার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেন। বাদীর বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। তাই আদালতে মামলা করে এম কে আনোয়ারের বিচার দাবি করেন।

source: prothom-alo

এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা দেবাশিষ বাদী হয়ে ঢাকার মুখ্য মহানগর
হাকিম আদালতে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও মানহানির অভিযোগে এম কে আনোয়ারে বিরুদ্ধে মামলা করেন। মহানগর হাকিম হাসিবুল হক মামলাটি গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানা যায়, গত রোববার হেফাজতের সহিংসতার সময় শাপলা চত্বর ও বায়তুল মোকাররম মসজিদ এবং আশপাশের এলাকায় ভাঙচুর, ধর্মীয় গ্রন্থে অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্য দেবাশীষ নামের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে দায়ী করে গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন এম কে আনোয়ার।
আরজিতে আরও বলা হয়, এম কে আনোয়ার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে এবং কথাবার্তার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেন। বাদীর বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। তাই আদালতে মামলা করে এম কে আনোয়ারের বিচার দাবি করেন।

source: prothom-alo

Sunday, 5 May 2013

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo

হেফাজতের তাণ্ডবে জ্বলছে পল্টন

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo
ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo

আগামীকাল ঢাকায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাস ধর্মঘট

ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo
মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র‌্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24
এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 
পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র‌্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। 
আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। 
হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।
এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।

source: prothom-alo

হেফাজতের সমাবেশস্থলে টিয়ার সেল নিক্ষেপ

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র‌্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24
এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 
পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র‌্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। 
আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। 
হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।
এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।

source: prothom-alo
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladesh
আজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। 
এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। 
এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।

source: prothom-alo

রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে দাঁড়াতে খালেদার আহ্বান

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladesh
আজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। 
এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। 
এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।

source: prothom-alo
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম সরাসরি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার সামরিক সরকার নয়। তাদের ক্ষমতার উত্স অস্ত্র নয়, জনগণ। তারা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে গত নির্বাচনে সরকারে এসেছে। আওয়ামী লীগ কখনো কারও আলটিমেটাম গ্রহণ করে নাই। এবারও করবে না। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আপনার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করছি। প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বানে সাড়া দিন। আলোচনার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত।’ এ সময় হেফাজতে ইসলাম, জামায়াত ও বিএনপি একই দল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আজ রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৈয়দ আশরাফ দেশের সাম্প্রতিক অবস্থায় দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন।
হেফাজতের কর্মসূচির বিষয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম হলো পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। সারা দেশে আজ যারা তুলকালাম করেছে, তা কখনো বরদাশত করা হবে না। এবার তাদের ঢাকায় আসতে দেওয়া হয়েছে। আর কখনো তাদের ঢাকায় আসতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে তাদের ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হবে না।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশে আলবদর, রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধীরা দেশে সহিংসতা শুরু করেছে। তাদের সেই প্রেতাত্মা হয়ে হেফাজতে ইসলাম সহিংসতা শুরু করেছে। আমি হেফাজত ইসলামকে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা সন্ধ্যার মধ্যেই ঢাকা ত্যাগ করুন। আমাদের শান্তিপূর্ণ আহ্বানকে দুর্বলতা ভাববেন না।’ News In Bangladesh
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার বিষয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, যত্রতত্র গ্রেনেড ও গুলি করা হয়েছে। হেফাজতকে বলতে চাই, আপনাদের হুমকি-ধমকিতে ভয় পাই না। সংঘাতের দিকে এগোলে আওয়ামী লীগই আপনাদের শায়েস্তা করতে প্রস্তুত। আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রীসহ নারীদের উদ্দেশে সংযত কথা বলুন। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ দুর্বল নয়। দেশের শান্তি রক্ষায় সরকার যেকোনো ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।’ 
হেফাজতের কর্মসূচির পরই বিএনপির আলটিমেটামের কোনো যোগসূত্র আছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফ বলেন, ‘এটা কাকতালীয়ভাবে হয়েছে। তবে পরে ডিজাইন করা হয়েছে।’
আলটিমেটামের পর বিএনপি যদি সহিংসতা বা তাদের ঢাকায় অবস্থান নেয়, তাহলে সরকার কী অবস্থা নেবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান। তারা যদি সহিংসতা করে কিংবা দেশজুড়ে সংঘাতকে উসকে দেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ দেশ কি আবার ১/১১-এর দিকে ফিরে যাচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কখনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয় না। হয়তো অন্য কোনো ব্যবস্থা আসতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির অবস্থান প্রায় দুই মেরুতে। সুতরাং তাদের ভুলের কারণে যে সমস্যা হয়েছে, সেটা এ দেশে কখনো হবে না।’ 
বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনো আদর্শগত মিল আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানের কার্যক্রমে বোঝা যাচ্ছে, জামায়াত-বিএনপি-হেফাজত একই দল। তাদের কর্মকাণ্ডও একই। আজকের সমাবেশে দেখবেন ওই তিন দলের লোকেরাই আছে।’
এ সময় একজন সাংবাদিক জানতে চান, গতকাল খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে গেলে জোব্বা পরেন, তসবি টেপেন আর ভারতে গেলে তিলক আঁকেন। তাঁর বেশভূষার ঠিক নেই। তাঁকে বিশ্বাস করা যায় না।’ এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের বক্তব্য চান ওই সাংবাদিক। জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আসলে খালেদা জিয়া যা বলেন তা তিনি বিশ্বাস করেন না, যা বিশ্বাস করেন তা তিনি বলেন না। উনি হেফাজতকে খুশি করতেই এই কথা বলেছেন। সস্তা কিছু ভোটের জন্য খালেদা জিয়া এগুলো বলছেন।’
বক্তব্যের শুরুতে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘মতিঝিলের সমাবেশে খালেদা জিয়া মিথ্যাচার করেছেন। বিএনপি ১৯৯৬ সালে একদলীয় সরকারের নির্বাচন করেছিল। ওই সময় সহিংসতায় ৭০ জন মানুষ প্রাণ হারায়। এটা হলো বিএনপির চরিত্র। ২০০১ সালের নির্বাচন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। এরপর তারা সেনাবাহিনীকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো ব্যবহার করেছে। আওয়ামী লীগের অধীনে অনেক নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়া সমালোচনা করলেও এসব কথা তিনি বলেননি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যে যেভাবে হুমকি-ধমকি দিয়েছেন, সেটা কখনো আমরা বিশ্বাস করি না। তবে আমরা কোনো হুমকি-ধমকিতে ভয় পাই না।’
হেফাজতের ১৩ দফা দাবির ব্যাপারে অবস্থান জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১৩ দফার প্রায় অনেকগুলো আমাদের সংবিধানে আছে। তারা নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। অথচ হাজারো নারী আজ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত। পার্লামেন্টে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে, সেনাবাহিনীতে সর্বক্ষেত্রে নারীর জয়যাত্রা। তারা এই জয়যাত্রা ব্যাহত করতে চায়। তবে সরকার দৃঢ় পদক্ষেপে তা প্রতিহত করবে। এসব দাবি নিয়ে হেফাজত কখনো রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে পারবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

source: prothom-alo

হেফাজতের উদ্দেশে সৈয়দ আশরাফ ঢাকা ত্যাগ করুন, শান্তিপূর্ণ আহ্বানকে দুর্বলতা ভাববেন না

বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম সরাসরি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার সামরিক সরকার নয়। তাদের ক্ষমতার উত্স অস্ত্র নয়, জনগণ। তারা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে গত নির্বাচনে সরকারে এসেছে। আওয়ামী লীগ কখনো কারও আলটিমেটাম গ্রহণ করে নাই। এবারও করবে না। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আপনার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করছি। প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহ্বানে সাড়া দিন। আলোচনার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত।’ এ সময় হেফাজতে ইসলাম, জামায়াত ও বিএনপি একই দল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আজ রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৈয়দ আশরাফ দেশের সাম্প্রতিক অবস্থায় দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন।
হেফাজতের কর্মসূচির বিষয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম হলো পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। সারা দেশে আজ যারা তুলকালাম করেছে, তা কখনো বরদাশত করা হবে না। এবার তাদের ঢাকায় আসতে দেওয়া হয়েছে। আর কখনো তাদের ঢাকায় আসতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে তাদের ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হবে না।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশে আলবদর, রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধীরা দেশে সহিংসতা শুরু করেছে। তাদের সেই প্রেতাত্মা হয়ে হেফাজতে ইসলাম সহিংসতা শুরু করেছে। আমি হেফাজত ইসলামকে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা সন্ধ্যার মধ্যেই ঢাকা ত্যাগ করুন। আমাদের শান্তিপূর্ণ আহ্বানকে দুর্বলতা ভাববেন না।’ News In Bangladesh
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার বিষয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, যত্রতত্র গ্রেনেড ও গুলি করা হয়েছে। হেফাজতকে বলতে চাই, আপনাদের হুমকি-ধমকিতে ভয় পাই না। সংঘাতের দিকে এগোলে আওয়ামী লীগই আপনাদের শায়েস্তা করতে প্রস্তুত। আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রীসহ নারীদের উদ্দেশে সংযত কথা বলুন। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ দুর্বল নয়। দেশের শান্তি রক্ষায় সরকার যেকোনো ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।’ 
হেফাজতের কর্মসূচির পরই বিএনপির আলটিমেটামের কোনো যোগসূত্র আছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফ বলেন, ‘এটা কাকতালীয়ভাবে হয়েছে। তবে পরে ডিজাইন করা হয়েছে।’
আলটিমেটামের পর বিএনপি যদি সহিংসতা বা তাদের ঢাকায় অবস্থান নেয়, তাহলে সরকার কী অবস্থা নেবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান। তারা যদি সহিংসতা করে কিংবা দেশজুড়ে সংঘাতকে উসকে দেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ দেশ কি আবার ১/১১-এর দিকে ফিরে যাচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কখনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয় না। হয়তো অন্য কোনো ব্যবস্থা আসতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির অবস্থান প্রায় দুই মেরুতে। সুতরাং তাদের ভুলের কারণে যে সমস্যা হয়েছে, সেটা এ দেশে কখনো হবে না।’ 
বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনো আদর্শগত মিল আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানের কার্যক্রমে বোঝা যাচ্ছে, জামায়াত-বিএনপি-হেফাজত একই দল। তাদের কর্মকাণ্ডও একই। আজকের সমাবেশে দেখবেন ওই তিন দলের লোকেরাই আছে।’
এ সময় একজন সাংবাদিক জানতে চান, গতকাল খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে গেলে জোব্বা পরেন, তসবি টেপেন আর ভারতে গেলে তিলক আঁকেন। তাঁর বেশভূষার ঠিক নেই। তাঁকে বিশ্বাস করা যায় না।’ এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের বক্তব্য চান ওই সাংবাদিক। জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আসলে খালেদা জিয়া যা বলেন তা তিনি বিশ্বাস করেন না, যা বিশ্বাস করেন তা তিনি বলেন না। উনি হেফাজতকে খুশি করতেই এই কথা বলেছেন। সস্তা কিছু ভোটের জন্য খালেদা জিয়া এগুলো বলছেন।’
বক্তব্যের শুরুতে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘মতিঝিলের সমাবেশে খালেদা জিয়া মিথ্যাচার করেছেন। বিএনপি ১৯৯৬ সালে একদলীয় সরকারের নির্বাচন করেছিল। ওই সময় সহিংসতায় ৭০ জন মানুষ প্রাণ হারায়। এটা হলো বিএনপির চরিত্র। ২০০১ সালের নির্বাচন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। এরপর তারা সেনাবাহিনীকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো ব্যবহার করেছে। আওয়ামী লীগের অধীনে অনেক নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়া সমালোচনা করলেও এসব কথা তিনি বলেননি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যে যেভাবে হুমকি-ধমকি দিয়েছেন, সেটা কখনো আমরা বিশ্বাস করি না। তবে আমরা কোনো হুমকি-ধমকিতে ভয় পাই না।’
হেফাজতের ১৩ দফা দাবির ব্যাপারে অবস্থান জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১৩ দফার প্রায় অনেকগুলো আমাদের সংবিধানে আছে। তারা নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। অথচ হাজারো নারী আজ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত। পার্লামেন্টে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে, সেনাবাহিনীতে সর্বক্ষেত্রে নারীর জয়যাত্রা। তারা এই জয়যাত্রা ব্যাহত করতে চায়। তবে সরকার দৃঢ় পদক্ষেপে তা প্রতিহত করবে। এসব দাবি নিয়ে হেফাজত কখনো রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে পারবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

source: prothom-alo

Wednesday, 1 May 2013

Collected by nahidworld
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট ৪০৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৪টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
News24
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২৪ ও মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২২টি লাশ রাখা আছে। সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে আটটি লাশ।
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ কারণে এখন জীবিত উদ্ধার করা ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৪৩৫।
হাইড্রোলিক ক্রেন, হাইড্রোলিক ভাইব্রেটরসহ অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ এগিয়ে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে আরও ১৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে স্বজনদের সমাগম বেড়েই চলেছে।
গত রোববার রাত ১২টা থেকে ভারী যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধার তত্পরতা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০০ টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। ভারী যন্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

source: prothom-alo

সাভারে মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে

Collected by nahidworld
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট ৪০৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৪টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
News24
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২৪ ও মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২২টি লাশ রাখা আছে। সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে আটটি লাশ।
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ কারণে এখন জীবিত উদ্ধার করা ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৪৩৫।
হাইড্রোলিক ক্রেন, হাইড্রোলিক ভাইব্রেটরসহ অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ এগিয়ে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে আরও ১৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে স্বজনদের সমাগম বেড়েই চলেছে।
গত রোববার রাত ১২টা থেকে ভারী যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধার তত্পরতা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০০ টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। ভারী যন্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

source: prothom-alo

Monday, 29 April 2013

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo

হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo
হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ

হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

Sunday, 28 April 2013


সাভারে ধসে যাওয়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল আজ বেলা তিনটার দিকে সোহেলকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে। হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরও প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাভারে ভবনধসের উদ্ধার তৎপরতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাইকে রানাকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যে মানুষরূপী পশুটি এখানে মরণফাঁদ তৈরি করেছিল, দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
এ ঘোষণার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকর্মী ও জনতা ‘ফাঁসি ফাঁসি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। 

খুলনায় নিষ্ফল অভিযান


রানাকে ধরতে আজ খুলনায় নিষ্ফল অভিযান চালায় র‌্যাব-পুলিশের একটি দল। বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, রানা খুলনায় পলাতক আছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-পুলিশের একটি দল খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৮ নম্বর সড়কে জনৈক মোস্তফা মল্লিকের ১৩৯-এ ও ১৩৯-বি নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায়। পৌনে এক ঘণ্টা ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ভবনধস


২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে ঢাকার অদূরে সাভারে নয় তলার রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে আজ বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ৩৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন সহস্রাধিক লোক। ভবনধসের পরই রানা প্লাজার মালিক ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা পালিয়ে যান।

দুটি মামলা


ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলা আছে। দুটি মামলাই হয়েছে ভবনধসের পরে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করেছে ইমারত বিধিমালা আইনে আর অপরটি হয়েছে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে। সাভার থানার পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেছে। এ ছাড়া রানার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। থানার পুলিশের কাছে তাঁর মামলার কোনো রেকর্ডও নেই।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে রানা প্লাজার অভ্যন্তরে যুবলীগের নেতা গাজী আবদুল্লাহ খুনের ঘটনায় আসামি ছিলেন রানা। তবে তদন্তের পর পুলিশ অভিযোগপত্র থেকে রানার নাম বাদ দেয়। ২০০৮ সালে ভিপি হেলাল গুম ও হত্যার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সাভারের মাদক ব্যবসায়ী মুন্না ছিল তাঁরই আশ্রয়ে। কিছুদিন আগে মুন্নার মৃতদেহ পাওয়া যায় সাভারের একটি জলাশয়ে। ধারণা করা হয়, তিনি গুপ্তহত্যার শিকার।
News24

তথ্য পেতে স্বজন আটক


রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে তথ্য জোগাড়ের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিতুসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ বলেছে, সোহেল রানার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী মুন্নি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। 
জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত বুধবার ভবনধসের পর জাহাঙ্গীর স্ত্রী মুন্নিকে নিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঝিটকা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান। গত বৃহস্পতিবার সাভার থানার পুলিশ সেখান থেকে তিন মাসের শিশুসহ মুন্নি ও তাঁর আত্মীয় আনোয়ারকে আটক করে। এর পর শুক্রবার জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়।

পারিবারিক ইতিহাস


দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সোহেল রানা দ্বিতীয়। স্থানীয় অধরচন্দ্র হাইস্কুলে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মণ্ডপের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন। সোহেল রানা জমির ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমিও দখল করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।

পরিবারের সম্পদ

সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।

মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সখ্য

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবনধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনো রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।


source: prothom-alo

সোহেল রানা গ্রেপ্তার


সাভারে ধসে যাওয়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল আজ বেলা তিনটার দিকে সোহেলকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করেছে। হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরও প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাভারে ভবনধসের উদ্ধার তৎপরতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাইকে রানাকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যে মানুষরূপী পশুটি এখানে মরণফাঁদ তৈরি করেছিল, দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে বেনাপোল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
এ ঘোষণার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকর্মী ও জনতা ‘ফাঁসি ফাঁসি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। 

খুলনায় নিষ্ফল অভিযান


রানাকে ধরতে আজ খুলনায় নিষ্ফল অভিযান চালায় র‌্যাব-পুলিশের একটি দল। বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, রানা খুলনায় পলাতক আছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-পুলিশের একটি দল খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৮ নম্বর সড়কে জনৈক মোস্তফা মল্লিকের ১৩৯-এ ও ১৩৯-বি নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায়। পৌনে এক ঘণ্টা ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ভবনধস


২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে ঢাকার অদূরে সাভারে নয় তলার রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে আজ বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ৩৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন সহস্রাধিক লোক। ভবনধসের পরই রানা প্লাজার মালিক ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা পালিয়ে যান।

দুটি মামলা


ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলা আছে। দুটি মামলাই হয়েছে ভবনধসের পরে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করেছে ইমারত বিধিমালা আইনে আর অপরটি হয়েছে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে। সাভার থানার পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেছে। এ ছাড়া রানার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। থানার পুলিশের কাছে তাঁর মামলার কোনো রেকর্ডও নেই।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে রানা প্লাজার অভ্যন্তরে যুবলীগের নেতা গাজী আবদুল্লাহ খুনের ঘটনায় আসামি ছিলেন রানা। তবে তদন্তের পর পুলিশ অভিযোগপত্র থেকে রানার নাম বাদ দেয়। ২০০৮ সালে ভিপি হেলাল গুম ও হত্যার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সাভারের মাদক ব্যবসায়ী মুন্না ছিল তাঁরই আশ্রয়ে। কিছুদিন আগে মুন্নার মৃতদেহ পাওয়া যায় সাভারের একটি জলাশয়ে। ধারণা করা হয়, তিনি গুপ্তহত্যার শিকার।
News24

তথ্য পেতে স্বজন আটক


রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে তথ্য জোগাড়ের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিতুসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ বলেছে, সোহেল রানার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী মুন্নি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। 
জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত বুধবার ভবনধসের পর জাহাঙ্গীর স্ত্রী মুন্নিকে নিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঝিটকা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান। গত বৃহস্পতিবার সাভার থানার পুলিশ সেখান থেকে তিন মাসের শিশুসহ মুন্নি ও তাঁর আত্মীয় আনোয়ারকে আটক করে। এর পর শুক্রবার জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়।

পারিবারিক ইতিহাস


দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সোহেল রানা দ্বিতীয়। স্থানীয় অধরচন্দ্র হাইস্কুলে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মণ্ডপের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন। সোহেল রানা জমির ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমিও দখল করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।

পরিবারের সম্পদ

সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।

মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সখ্য

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবনধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনো রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।


source: prothom-alo

Saturday, 27 April 2013

ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু ওপরের ছবিটি তা বলছে না। সরকারদলীয় এই সাংসদের সঙ্গে যুবলীগ নেতা রানার সম্পর্ক কতটা গভীর, ছবিটি দেখলে তা সহজেই বোঝা যায়।
সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল। 


এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবন ধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনও রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং। 
BD News
জানতে চাইলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অংগসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।
রানার পারিবারিক ইতিহাস: তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মন্ডবের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন।
সোহেল রানা জমি ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমি দখলও করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।
রানার পরিবারের সম্পদ: সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। 
সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।


source: prothom-alo

মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সোহেল রানার সখ্য

ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—গণমাধ্যমে এ বক্তব্য দিয়েছেন সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। কিন্তু ওপরের ছবিটি তা বলছে না। সরকারদলীয় এই সাংসদের সঙ্গে যুবলীগ নেতা রানার সম্পর্ক কতটা গভীর, ছবিটি দেখলে তা সহজেই বোঝা যায়।
সাভার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মুরাদ জংয়ের পক্ষে হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ রানার নেতৃত্বেই হতো। রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনও মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল। 


এ ছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে সোহেল রানা যেসব পোস্টার ছাপিয়ে টানিয়েছেন, তার সবগুলোতেই মুরাদ জংয়ের ছবি বড় করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পোস্টার এখনো সাভারে রয়েছে। তবে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানার সন্ত্রাসী বাহিনী অনেক পোস্টার তুলে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, রানাকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করেন মুরাদ জং। এখন ভবন ধসের পর যখন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি উঠেছে, তখনও রানাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুরাদ জং। 
BD News
জানতে চাইলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশারাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা কোনো রাজনীতিবিদ নন। ক্যাডার এবং সাংসদ মুরাদ জংয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। সারাক্ষণ সাংসদের সঙ্গে থাকেন রানা। তিনি অভিযোগ করেন, মুরাদ জং টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও এর অংগসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদ বিক্রি করেন। রানার কাছেও পদ বিক্রি করেছেন।
রানার পারিবারিক ইতিহাস: তাঁর বাবা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মন্ডবের আবদুল খালেক। তিনি এক সময় সাভারের মধ্যপড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। এখন তিনি সাভারের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের একজন।
সোহেল রানা জমি ব্যবসার নামে নিরীহ মানুষের জমি দখলও করেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাও করেন রানা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রানা জমি দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জমি দেননি।
রানার পরিবারের সম্পদ: সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, রানা প্লাজার নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। রানা প্লাজার উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের পেছনের অংশ দখল করেছিলেন রানা। 
সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। যার নাম ছিল সাধাপুর খাল। সেটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা।


source: prothom-alo
সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা ও এগুলো কতটা ভার বহন করতে সক্ষম (লোড বিয়ারিং ক্যালকুলেশন) তার বিস্তারিত বিবরণ এক মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর কার্যালয়ে জমা দিতে প্রত্যেক সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাভারের ভবনধসের ঘটনার পরই এ নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিজিএমইএ ভবনে আজ শনিবার বিকেলে পোশাকশিল্পের মালিকদের দুই সমিতি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর যৌথ সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান। 
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নকশা জমা হলে উভয় সমিতির পক্ষ থেকে সেগুলো আবার পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এর মধ্যে কোনো কারখানায় গরমিল পাওয়া গেলে সেটির লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে যেসব কারখানায় ভবনের ওপরে জেনারেটর আছে, সেটিও এক মাসের মধ্যে নিচে নামিয়ে আনতে হবে। 
এস এম মান্নান বলেন, সাধারণ সভায় উপস্থিত মালিকেরা সাভারের রানার প্লাজার মালিক, নকশাবিদ, অনুমোদনকারী রাজউকের কর্মকর্তাসহ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা। 
Bangla News
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে পোশাক কারখানার দুজন মালিক পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আমরা কথাবার্তা বলছি, আজ রাতেই হয়তো আরও দুই মালিক আত্মসমর্পণ করবেন।’
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিএমইএ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সাভারে ধসে যাওয়ার ভবনের পাঁচ কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেবে। তবে কারখানাগুলোর কার্যালয় ওই ভবনে থাকায় শ্রমিকদের তালিকার কাগজপত্রও চাপা পড়েছে। তাই ওই সব কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও উত্পাদন ব্যবস্থাপককে (পিএম) সাভারে বিজিএমইএর তথ্যকেন্দ্রে এসে শ্রমিকদের নামের তালিকা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
বিজিএমইএর সভাপতি মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সাভারের ভবনধসে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা করতে তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। 
এ ছাড়া সভায় বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক কোটি টাকার চেক বিজিএমইএর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় একটি তহবিল খোলা হবে। আর তহবিল গঠনে উভয় সমিতিই কাজ করবে। 
সালাম মুর্শেদী আরও জানান, আগামী সোমবার থেকে যথারীতি দেশের সব কারখানা খোলা থাকবে। উত্পাদন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে তাঁর কাছে কারখানার নিরাপত্তা চেয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’ 
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সহসভাপতি আসলাম সানি, বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম প্রমুখ।


Source: prothom-alo

সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা জমা দেওয়ার নির্দেশ

সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা ও এগুলো কতটা ভার বহন করতে সক্ষম (লোড বিয়ারিং ক্যালকুলেশন) তার বিস্তারিত বিবরণ এক মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর কার্যালয়ে জমা দিতে প্রত্যেক সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাভারের ভবনধসের ঘটনার পরই এ নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিজিএমইএ ভবনে আজ শনিবার বিকেলে পোশাকশিল্পের মালিকদের দুই সমিতি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর যৌথ সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান। 
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নকশা জমা হলে উভয় সমিতির পক্ষ থেকে সেগুলো আবার পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এর মধ্যে কোনো কারখানায় গরমিল পাওয়া গেলে সেটির লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে যেসব কারখানায় ভবনের ওপরে জেনারেটর আছে, সেটিও এক মাসের মধ্যে নিচে নামিয়ে আনতে হবে। 
এস এম মান্নান বলেন, সাধারণ সভায় উপস্থিত মালিকেরা সাভারের রানার প্লাজার মালিক, নকশাবিদ, অনুমোদনকারী রাজউকের কর্মকর্তাসহ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা। 
Bangla News
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে পোশাক কারখানার দুজন মালিক পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আমরা কথাবার্তা বলছি, আজ রাতেই হয়তো আরও দুই মালিক আত্মসমর্পণ করবেন।’
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিএমইএ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সাভারে ধসে যাওয়ার ভবনের পাঁচ কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেবে। তবে কারখানাগুলোর কার্যালয় ওই ভবনে থাকায় শ্রমিকদের তালিকার কাগজপত্রও চাপা পড়েছে। তাই ওই সব কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও উত্পাদন ব্যবস্থাপককে (পিএম) সাভারে বিজিএমইএর তথ্যকেন্দ্রে এসে শ্রমিকদের নামের তালিকা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
বিজিএমইএর সভাপতি মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সাভারের ভবনধসে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা করতে তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। 
এ ছাড়া সভায় বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক কোটি টাকার চেক বিজিএমইএর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় একটি তহবিল খোলা হবে। আর তহবিল গঠনে উভয় সমিতিই কাজ করবে। 
সালাম মুর্শেদী আরও জানান, আগামী সোমবার থেকে যথারীতি দেশের সব কারখানা খোলা থাকবে। উত্পাদন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে তাঁর কাছে কারখানার নিরাপত্তা চেয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’ 
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সহসভাপতি আসলাম সানি, বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম প্রমুখ।


Source: prothom-alo
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo

মৃতের সংখ্যা ৩৫০, নিখোঁজ ৮৬৯

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo
গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo

৪ মে মহাসমাবেশ গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের

গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo

Friday, 26 April 2013

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo

কী নামে ডাকি তাঁদের

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo