Showing posts with label Bangladeshi News. Show all posts
Showing posts with label Bangladeshi News. Show all posts

Tuesday, 14 May 2013

২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১৮ মে। আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ আগামী ৬ জুন।
Education News
আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সাংবাদিকদের কাছে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, নীতিমালাটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগের মতো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি করা হবে। আবেদন গ্রহণের পর ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী ১৬ জুন। বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তির শেষ তারিখ ৩০ জুন। আগামী ১ জুলাই ক্লাস শুরু হবে।

source: prothom-alo

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ ১৮ মে থেকে

২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১৮ মে। আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ আগামী ৬ জুন।
Education News
আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সাংবাদিকদের কাছে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, নীতিমালাটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগের মতো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি করা হবে। আবেদন গ্রহণের পর ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী ১৬ জুন। বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তির শেষ তারিখ ৩০ জুন। আগামী ১ জুলাই ক্লাস শুরু হবে।

source: prothom-alo

Saturday, 11 May 2013

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

Thursday, 9 May 2013

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ।
পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে আজ সব শিক্ষার্থী গিয়েছিল স্কুলে। ফল পেয়ে আনন্দে বাড়িও ফিরেছে অনেকে, কিন্তু পারল না শুধু রাজন মিয়া।  News In Bangladesh
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার অলহরি গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি মাস্টারের ছেলে রাজন। ত্রিশালের পোড়াবাড়ী হাইস্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে। জিপিএ-৪.৫ পাওয়ার খবর রাজন মুঠোফোনে বাবা-মাকে জানিয়েছে। সে এ-ও জানায়, মিষ্টি নিয়ে বাড়ি আসছে।
পাসের খবরে খুশি হয়ে রাজন মিয়া মিষ্টি নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিল। বাড়ি ফেরার পথে অলহরি গ্রামেই একটি ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। রাজন বাড়ি ফিরল, তবে নিথর দেহে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ছেলের পাসের আনন্দে বাড়ির সবাই ছিল উত্ফুল্ল। নিমিষেই সেই বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
রাজনের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘রাজন ছিল মেধাবী ও অমায়িক। তার মৃত্যুতে আমরা অনেক কষ্ট পেয়েছি।’


Source: prothom-alo

পাস হলো, বাড়ি ফেরা হলো না রাজনের

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ।
পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে আজ সব শিক্ষার্থী গিয়েছিল স্কুলে। ফল পেয়ে আনন্দে বাড়িও ফিরেছে অনেকে, কিন্তু পারল না শুধু রাজন মিয়া।  News In Bangladesh
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার অলহরি গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি মাস্টারের ছেলে রাজন। ত্রিশালের পোড়াবাড়ী হাইস্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে। জিপিএ-৪.৫ পাওয়ার খবর রাজন মুঠোফোনে বাবা-মাকে জানিয়েছে। সে এ-ও জানায়, মিষ্টি নিয়ে বাড়ি আসছে।
পাসের খবরে খুশি হয়ে রাজন মিয়া মিষ্টি নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিল। বাড়ি ফেরার পথে অলহরি গ্রামেই একটি ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। রাজন বাড়ি ফিরল, তবে নিথর দেহে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ছেলের পাসের আনন্দে বাড়ির সবাই ছিল উত্ফুল্ল। নিমিষেই সেই বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
রাজনের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘রাজন ছিল মেধাবী ও অমায়িক। তার মৃত্যুতে আমরা অনেক কষ্ট পেয়েছি।’


Source: prothom-alo
‘সপ্তম শ্রেণী থেকে মারজানুল ইসলাম সৌরভকে ব্যক্তিগতভাবে পড়িয়েছি। কখনো তাকে পড়তে বলা লাগেনি। কখনো শাসন করতে হয়নি। নিজে থেকেই সব পড়া পড়ত। কখনো তাকে বেতের আঘাত করতে হয়নি। আজ তার এসএসসি পরীক্ষার ফল পেয়েছি। আনন্দ লাগছে। কিন্তু দুঃখটাই বেশি। ফল পেয়েছি সত্যি, কিন্তু একটি মেধাবী ছাত্র হারালাম। এর চেয়ে দুঃখ কী হতে পারে!’
News24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক এ কে এম আসাদুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, খুবই শান্তশিষ্ট ও বিনয়ী ছিল মারজান। গত রোববার স্থানীয় মাদানীনগর মাদ্রাসা থেকে মাইকের ঘোষণা শুনে অন্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সে। এরপর সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বলে তিনি জানতে পারেন। মারজানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিরুল হক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মারজানুল ইসলাম সৌরভ খুবই ভালো ও শান্তশিষ্ট ছিল। এভাবে অকালে চলে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। তার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না।
সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল মারজানুল ইসলাম সৌরভ। ঢাকা বোর্ড থেকে পাসও করেছে সে। পেয়েছে জিপিএ-৪.৫৬। তার রোল নম্বর ১২০৩০১। কিন্তু এসএসসির ফল দেখে যেতে পারেনি সে। গত রোববার সকালে কাঁচপুর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মারজান।
আজ সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফল দেখছেন অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। কিন্তু মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ। তার বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারজানের অভিভাবকেরা সবাই তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কবরস্থানে গতকাল মারজানকে দাফন করা হয়েছে। তাই তার অভিভাবকেরা কেউ স্কুলে আসেননি। তার এক বন্ধু কামরুল ইসলাম জানায়, খুবই ভালো ছেলে ছিল মারজান। ক্লাসের সবার প্রিয় ছিল সে। মারজানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুব খারাপ লেগেছে তার।
সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাগমারা এলাকায় মারজানুল ইসলাম সৌরভদের বাসা। তার বাবা এনামুল হক একজন সরকারি চাকরিজীবী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট মারজান। আজ সকালে ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আছেন কেবল তার মামা, মামি ও দাদি। বাকি সবাই গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। তার মামা মো. মোস্তফা বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওরা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মারজানকে গতকাল দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা সবাই সেখানে রয়েছেন।’ মারজানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছেলেটাকেই হারাইছি। এখন ফলাফল দিয়ে কী করব!’

source:  prothom-alo

মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ

‘সপ্তম শ্রেণী থেকে মারজানুল ইসলাম সৌরভকে ব্যক্তিগতভাবে পড়িয়েছি। কখনো তাকে পড়তে বলা লাগেনি। কখনো শাসন করতে হয়নি। নিজে থেকেই সব পড়া পড়ত। কখনো তাকে বেতের আঘাত করতে হয়নি। আজ তার এসএসসি পরীক্ষার ফল পেয়েছি। আনন্দ লাগছে। কিন্তু দুঃখটাই বেশি। ফল পেয়েছি সত্যি, কিন্তু একটি মেধাবী ছাত্র হারালাম। এর চেয়ে দুঃখ কী হতে পারে!’
News24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক এ কে এম আসাদুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, খুবই শান্তশিষ্ট ও বিনয়ী ছিল মারজান। গত রোববার স্থানীয় মাদানীনগর মাদ্রাসা থেকে মাইকের ঘোষণা শুনে অন্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সে। এরপর সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বলে তিনি জানতে পারেন। মারজানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিরুল হক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মারজানুল ইসলাম সৌরভ খুবই ভালো ও শান্তশিষ্ট ছিল। এভাবে অকালে চলে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। তার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না।
সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল মারজানুল ইসলাম সৌরভ। ঢাকা বোর্ড থেকে পাসও করেছে সে। পেয়েছে জিপিএ-৪.৫৬। তার রোল নম্বর ১২০৩০১। কিন্তু এসএসসির ফল দেখে যেতে পারেনি সে। গত রোববার সকালে কাঁচপুর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মারজান।
আজ সানারপাড় শেখ মোরতাজা আলী উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফল দেখছেন অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। কিন্তু মারজানের ফল জানতে আসেনি কেউ। তার বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারজানের অভিভাবকেরা সবাই তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক কবরস্থানে গতকাল মারজানকে দাফন করা হয়েছে। তাই তার অভিভাবকেরা কেউ স্কুলে আসেননি। তার এক বন্ধু কামরুল ইসলাম জানায়, খুবই ভালো ছেলে ছিল মারজান। ক্লাসের সবার প্রিয় ছিল সে। মারজানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুব খারাপ লেগেছে তার।
সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাগমারা এলাকায় মারজানুল ইসলাম সৌরভদের বাসা। তার বাবা এনামুল হক একজন সরকারি চাকরিজীবী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট মারজান। আজ সকালে ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আছেন কেবল তার মামা, মামি ও দাদি। বাকি সবাই গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গেছেন। তার মামা মো. মোস্তফা বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওরা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মারজানকে গতকাল দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা সবাই সেখানে রয়েছেন।’ মারজানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছেলেটাকেই হারাইছি। এখন ফলাফল দিয়ে কী করব!’

source:  prothom-alo

Wednesday, 8 May 2013

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট ও হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের কারণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ মে) ও রোববারের (১২ মে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।
পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৯ মে এর পরীক্ষা হবে ৩১ মে। ওই দিন সকালের পরীক্ষা হবে নয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আর বিকেলের পরীক্ষা হবে বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। ১২ মে এর পরীক্ষা হবে আগামী ১ জুন। 
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম আজ বুধবার প্রথম আলো ডটকমে এ তথ্য জানান। 

এ নিয়ে হরতালের কারণে চলতি বছর ছয় দিনের এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়েছে।

source: prothom-alo

হরতালে এইচএসসি পরীক্ষা পেছাল

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট ও হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের কারণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ মে) ও রোববারের (১২ মে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।
পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৯ মে এর পরীক্ষা হবে ৩১ মে। ওই দিন সকালের পরীক্ষা হবে নয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আর বিকেলের পরীক্ষা হবে বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। ১২ মে এর পরীক্ষা হবে আগামী ১ জুন। 
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম আজ বুধবার প্রথম আলো ডটকমে এ তথ্য জানান। 

এ নিয়ে হরতালের কারণে চলতি বছর ছয় দিনের এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়েছে।

source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার রাজধানীর গোপীবাগ দ্বিতীয় লেনের বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আজ রাত ১১ টার দিকে মহানগর পুলিশ তাঁর বাসায় এ অভিযান শুরু করে। এ সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছেন। News24
সাদেক হোসেন খোকার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তাও তল্লাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


source: prothom-alo

খোকার বাসায় তল্লাশি চলছে

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার রাজধানীর গোপীবাগ দ্বিতীয় লেনের বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আজ রাত ১১ টার দিকে মহানগর পুলিশ তাঁর বাসায় এ অভিযান শুরু করে। এ সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছেন। News24
সাদেক হোসেন খোকার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তাও তল্লাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


source: prothom-alo

Sunday, 5 May 2013

ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo

আগামীকাল ঢাকায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাস ধর্মঘট

ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন।  Bangladeshi News Online 24
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। 
হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

source: prothom-alo

আসামির পক্ষ নিয়েছে পুলিশ!

খিলগাঁওয়ের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ      News24

স্কুলে যাওয়ার পথে এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে খুনের আসামি ও রাজধানীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রুশিয়া বেগম ওরফে মাফিয়ার ছেলে মো. হিরণ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার ১৩ দিন পরও একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এখন আসামির পরিবার ৩০ হাজার টাকা নিয়ে আপস করার জন্য মেয়েটির পরিবারকে চাপ দিচ্ছে। 
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ী রুশিয়ার সঙ্গে খিলগাঁও থানার পুলিশের পুরোনো সখ্য আছে। এ কারণে পুলিশ আসামিদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখের সঙ্গে কথা বলেও তার প্রমাণ মিলেছে। গত ৩০ এপ্রিল এ নিয়ে কথা বলতে চাইলে ওসি উল্টো আসামির পক্ষ নিয়ে বলেন, ‘আমি ধারণা করছি, মেয়েটির সাথে ছেলেটার একটা বোঝাপড়া ছিল। না হলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় সে চিৎকার করল না কেন?’ 
তবে মামলা নেওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তার না করার ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বলেন, ‘একজন সহযোগী গ্রেপ্তার হয়েছে তো।’ ওসির সঙ্গে কথা বলতে বলতেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা স্বপন কুমার দে সেখানে আসেন। ওসির সামনেই তিনি প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের বলেন, রুশিয়া নামের রাজধানীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর ছেলে হিরণ মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে। হিরণ নিজে হত্যা মামলাসহ বেশ কটি মামলার আসামি। মেয়েটি বাঁচার চেষ্টা করেছিল, শেষ পর্যন্ত পারেনি। 
এ সময় তদন্তকারী কর্মকর্তার কথা শুনে ওসি বলেন, ‘এখনই যাও। আসামি গ্রেপ্তার কর।’ তবে গতকাল পর্যন্ত আসামি গ্রেপ্তারের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা নিয়ে খিলগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২২ এপ্রিল সকাল সাতটার দিকে মেয়েটি স্কুলের উদ্দেশে বের হয়। তিলপাপাড়া ক্লাবের সামনে এলে মো. হিরণ একটি মোটরসাইকেলে করে এসে মেয়েটিকে ধাক্কা দেয়। তারপর জোর করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেয়। আনুমানিক সকাল সোয়া নয়টার দিকে সবুজবাগ থানার বাসাবো খেলার মাঠের উল্টো দিকে ১০ মোড় নামের একটি বাড়ির সামনে নামানোর পর মেয়েটি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। হিরণ তাকে জোর করে একটি বাড়ির ভেতর ঢোকায় ও এলোপাতাড়ি মারধর করে। এরপর ওই বাড়ির লোকজনকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরে লোকজন উদ্ধার করে মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে মেয়েটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। তার হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। ওসিসির চিকিৎসক বিলকিস বেগম প্রথম আলোকে বলেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার। 
এদিকে মেয়েটির এক স্বজন প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের পর হিরণের পরিবার থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যেতে বলা হয়। হিরণের মামা মো. দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই। 
খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা সাত-আট বছর আগে মারা গেছেন। তিন-চারটি ফ্ল্যাটে ঠিকে ঝিয়ের কাজ করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি ভালো ছাত্রী। ২৫০ জন ছাত্রীর ক্লাসে প্রথম পাঁচজনের মধ্যে তার অবস্থান। পরিবারটি সীমাহীন দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। খিলগাঁওয়ের একটি ভাড়া ঘরে তারা থাকে। টিনের বাড়িটির বাইরের দিকে ছালা টাঙানো। কোনো দিন খাওয়া জোটে, কোনো দিন জোটে না। এলাকাবাসীর ধারণা, মেয়েটি দুর্বল জানতে পেরেই ইচ্ছে করে হিরণ তাকে ধর্ষণ করেছে। 
খিলগাঁও, বাসাবো ও সবুজবাগ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হিরণ ২০১০ সালে শিল্প ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক খাজা মো. মাহফুজুল হক খান (৭৩) হত্যাকাণ্ডের আসামি। ঈদের দিন বাড়ির সামনে মাদক ব্যবসা ও উচ্ছৃঙ্খলতার প্রতিবাদ করায় সাঙ্গপাঙ্গসহ হিরণ তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। হিরণের মা রুশিয়া বেগম এলাকায় চোর হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন তাঁর পরিচিতি ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে। ধর্ষণের বিষয়টিতে এলাকাবাসী ভীষণ ক্ষুব্ধ। তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। 
সবুজবাগ থানার সাবেক উপপরিদর্শক এজাজ শফি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কমপক্ষে ২০ বার রুশিয়াকে গ্রেপ্তার করেছেন। একবার ৪০ ভরি সোনাসহ তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর ছেলে হিরণ শিল্প ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা খুনের ঘটনায় আটক হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। সব কটিতেই সে জামিনে মুক্ত। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুশিয়া প্রকাশ্যে বলে বেড়ায়, থানা-পুলিশ সব তার পকেটে। কেউ কিছু করতে পারবে না।

source: prothom-alo

খিলগাঁওয়ের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ


আসামির পক্ষ নিয়েছে পুলিশ!

খিলগাঁওয়ের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ      News24

স্কুলে যাওয়ার পথে এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে খুনের আসামি ও রাজধানীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রুশিয়া বেগম ওরফে মাফিয়ার ছেলে মো. হিরণ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার ১৩ দিন পরও একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এখন আসামির পরিবার ৩০ হাজার টাকা নিয়ে আপস করার জন্য মেয়েটির পরিবারকে চাপ দিচ্ছে। 
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ী রুশিয়ার সঙ্গে খিলগাঁও থানার পুলিশের পুরোনো সখ্য আছে। এ কারণে পুলিশ আসামিদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখের সঙ্গে কথা বলেও তার প্রমাণ মিলেছে। গত ৩০ এপ্রিল এ নিয়ে কথা বলতে চাইলে ওসি উল্টো আসামির পক্ষ নিয়ে বলেন, ‘আমি ধারণা করছি, মেয়েটির সাথে ছেলেটার একটা বোঝাপড়া ছিল। না হলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় সে চিৎকার করল না কেন?’ 
তবে মামলা নেওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তার না করার ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বলেন, ‘একজন সহযোগী গ্রেপ্তার হয়েছে তো।’ ওসির সঙ্গে কথা বলতে বলতেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা স্বপন কুমার দে সেখানে আসেন। ওসির সামনেই তিনি প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের বলেন, রুশিয়া নামের রাজধানীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর ছেলে হিরণ মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে। হিরণ নিজে হত্যা মামলাসহ বেশ কটি মামলার আসামি। মেয়েটি বাঁচার চেষ্টা করেছিল, শেষ পর্যন্ত পারেনি। 
এ সময় তদন্তকারী কর্মকর্তার কথা শুনে ওসি বলেন, ‘এখনই যাও। আসামি গ্রেপ্তার কর।’ তবে গতকাল পর্যন্ত আসামি গ্রেপ্তারের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা নিয়ে খিলগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২২ এপ্রিল সকাল সাতটার দিকে মেয়েটি স্কুলের উদ্দেশে বের হয়। তিলপাপাড়া ক্লাবের সামনে এলে মো. হিরণ একটি মোটরসাইকেলে করে এসে মেয়েটিকে ধাক্কা দেয়। তারপর জোর করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেয়। আনুমানিক সকাল সোয়া নয়টার দিকে সবুজবাগ থানার বাসাবো খেলার মাঠের উল্টো দিকে ১০ মোড় নামের একটি বাড়ির সামনে নামানোর পর মেয়েটি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। হিরণ তাকে জোর করে একটি বাড়ির ভেতর ঢোকায় ও এলোপাতাড়ি মারধর করে। এরপর ওই বাড়ির লোকজনকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরে লোকজন উদ্ধার করে মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে মেয়েটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। তার হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। ওসিসির চিকিৎসক বিলকিস বেগম প্রথম আলোকে বলেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার। 
এদিকে মেয়েটির এক স্বজন প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের পর হিরণের পরিবার থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যেতে বলা হয়। হিরণের মামা মো. দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই। 
খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা সাত-আট বছর আগে মারা গেছেন। তিন-চারটি ফ্ল্যাটে ঠিকে ঝিয়ের কাজ করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি ভালো ছাত্রী। ২৫০ জন ছাত্রীর ক্লাসে প্রথম পাঁচজনের মধ্যে তার অবস্থান। পরিবারটি সীমাহীন দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। খিলগাঁওয়ের একটি ভাড়া ঘরে তারা থাকে। টিনের বাড়িটির বাইরের দিকে ছালা টাঙানো। কোনো দিন খাওয়া জোটে, কোনো দিন জোটে না। এলাকাবাসীর ধারণা, মেয়েটি দুর্বল জানতে পেরেই ইচ্ছে করে হিরণ তাকে ধর্ষণ করেছে। 
খিলগাঁও, বাসাবো ও সবুজবাগ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হিরণ ২০১০ সালে শিল্প ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক খাজা মো. মাহফুজুল হক খান (৭৩) হত্যাকাণ্ডের আসামি। ঈদের দিন বাড়ির সামনে মাদক ব্যবসা ও উচ্ছৃঙ্খলতার প্রতিবাদ করায় সাঙ্গপাঙ্গসহ হিরণ তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। হিরণের মা রুশিয়া বেগম এলাকায় চোর হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন তাঁর পরিচিতি ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে। ধর্ষণের বিষয়টিতে এলাকাবাসী ভীষণ ক্ষুব্ধ। তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। 
সবুজবাগ থানার সাবেক উপপরিদর্শক এজাজ শফি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কমপক্ষে ২০ বার রুশিয়াকে গ্রেপ্তার করেছেন। একবার ৪০ ভরি সোনাসহ তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর ছেলে হিরণ শিল্প ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা খুনের ঘটনায় আটক হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। সব কটিতেই সে জামিনে মুক্ত। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুশিয়া প্রকাশ্যে বলে বেড়ায়, থানা-পুলিশ সব তার পকেটে। কেউ কিছু করতে পারবে না।

source: prothom-alo

Wednesday, 1 May 2013

মে দিবস তো কী হইছে! কাজ না করলে খামু কি?’
আজ বুধবার সকালে এ কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিজানুর সওদাগর। পেশায় তিনি দিনমজুর। মহান মে দিবসের এই দিনে যখন সারা বিশ্ব নিপীড়িত শ্রমিকদের স্মরণ করছে, মিজানুর তখন রাজধানীর মিরপুরে একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজে হাতুড়ি চালাচ্ছিলেন।
প্রতিদিনের মতো বৈশাখের প্রচণ্ড গরমে ত্রিশোর্ধ্ব মিজানুরের শরীর গড়িয়ে অঝোর ধারায় ঘাম নেমেছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল রানা, এমদাদুল, আজিজুলরা একইভাবে তৃতীয় তলা ভবনটি ভাঙছিলেন। এই শ্রমের বিনিময়ে আসবে মজুরির টাকা। তা দিয়ে চলবে জীবিকা, সচল থাকবে সংসারের চাকা।
মে দিবসের ইতিহাস পুরোপুরি জানা নেই মিজানুরের। তবে শ্রমিকদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করার দাবি আদায়ের কথা জানেন তিনি। মিজানুর বলেন, ‘আইজ সবাই কয় কাজ করা ঠিক না। তয় আমাগো ট্যাকা কেডা দিব, হেইড্যা কেউই কয় না। আর ট্যাকা না পাইলে খামু কি?’ 
News24
মিজানুর জানান, তাঁদের প্রতিদিনের মজুরি ৩০০ টাকা। তাঁদের মালিক সগীর সওদাগর তৃতীয় তলার এই ভবন ভাঙার ঠিকাদার। এক দিন কাজ না করলে মজুরির টাকা দেবেন না মালিক। টাকা না পেলে খাওয়া তো দূরে থাক, বাসা ভাড়া জোগাড় করা কষ্টকর। মিজানুর বলেন, ‘মজুরির টাকা থ্যাইক্যা কিছুটা রাইখ্যা দিয়া বাগেরহাটে গেরামের বাড়ি পাঠামু।’
মিজানুরদের দাবিতেই আজ মে দিবসে কাজ করানো হচ্ছে বলে দাবি করেন সগীর সওদাগর। তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, ‘আজ কি শ্রমিকদের বোনাস দেয়া যেত না?’ জবাবে মাথা চুলকাতে থাকেন সগীর।
মোহাম্মদপুরে একটি সিমেন্টের দোকানের রিকশাভ্যানের চালক বজলুর রহমান বলেন, ‘একটা বিল্ডিংয়ের ঢালাই হবে, তাই ভ্যানে সিমেন্ট নিয়া যাইতাছি। মে দিবসের কথা কইছি মালিকরে। কিন্তু কোনো কাজ হয় নাই।’
সরকারি কাজের দিনমজুর হারুন মিয়া অবশ্য কাজ করতে না পেরে খুব মন খারাপ করেছেন। কোদাল-টুকরি নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি জানান, শেওড়াপাড়ায় কেবল বাসানোর কাজ করছেন এখন। তবে মে দিবসে যে কাজ হবে না, তা গতকাল তাঁদের জানানো হয়নি। তাই কর্মস্থলে গিয়েও মজুরিশূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ্ব হারুন মিয়াকে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাই, এমনিতেই সরকারি কাজে মজুরি কম, দিনে মাত্র ২৮০ টাকা, তার ওপর আজ কাজ বন্ধ। ট্যাকা তো আর এমনি এমনি দিব না। এখন কী করুম? মে দিবস আমাগো লাইগ্যা না।’

source: prothom-alo

‘কাজ না করলে খামু কি?’

মে দিবস তো কী হইছে! কাজ না করলে খামু কি?’
আজ বুধবার সকালে এ কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিজানুর সওদাগর। পেশায় তিনি দিনমজুর। মহান মে দিবসের এই দিনে যখন সারা বিশ্ব নিপীড়িত শ্রমিকদের স্মরণ করছে, মিজানুর তখন রাজধানীর মিরপুরে একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজে হাতুড়ি চালাচ্ছিলেন।
প্রতিদিনের মতো বৈশাখের প্রচণ্ড গরমে ত্রিশোর্ধ্ব মিজানুরের শরীর গড়িয়ে অঝোর ধারায় ঘাম নেমেছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল রানা, এমদাদুল, আজিজুলরা একইভাবে তৃতীয় তলা ভবনটি ভাঙছিলেন। এই শ্রমের বিনিময়ে আসবে মজুরির টাকা। তা দিয়ে চলবে জীবিকা, সচল থাকবে সংসারের চাকা।
মে দিবসের ইতিহাস পুরোপুরি জানা নেই মিজানুরের। তবে শ্রমিকদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করার দাবি আদায়ের কথা জানেন তিনি। মিজানুর বলেন, ‘আইজ সবাই কয় কাজ করা ঠিক না। তয় আমাগো ট্যাকা কেডা দিব, হেইড্যা কেউই কয় না। আর ট্যাকা না পাইলে খামু কি?’ 
News24
মিজানুর জানান, তাঁদের প্রতিদিনের মজুরি ৩০০ টাকা। তাঁদের মালিক সগীর সওদাগর তৃতীয় তলার এই ভবন ভাঙার ঠিকাদার। এক দিন কাজ না করলে মজুরির টাকা দেবেন না মালিক। টাকা না পেলে খাওয়া তো দূরে থাক, বাসা ভাড়া জোগাড় করা কষ্টকর। মিজানুর বলেন, ‘মজুরির টাকা থ্যাইক্যা কিছুটা রাইখ্যা দিয়া বাগেরহাটে গেরামের বাড়ি পাঠামু।’
মিজানুরদের দাবিতেই আজ মে দিবসে কাজ করানো হচ্ছে বলে দাবি করেন সগীর সওদাগর। তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, ‘আজ কি শ্রমিকদের বোনাস দেয়া যেত না?’ জবাবে মাথা চুলকাতে থাকেন সগীর।
মোহাম্মদপুরে একটি সিমেন্টের দোকানের রিকশাভ্যানের চালক বজলুর রহমান বলেন, ‘একটা বিল্ডিংয়ের ঢালাই হবে, তাই ভ্যানে সিমেন্ট নিয়া যাইতাছি। মে দিবসের কথা কইছি মালিকরে। কিন্তু কোনো কাজ হয় নাই।’
সরকারি কাজের দিনমজুর হারুন মিয়া অবশ্য কাজ করতে না পেরে খুব মন খারাপ করেছেন। কোদাল-টুকরি নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি জানান, শেওড়াপাড়ায় কেবল বাসানোর কাজ করছেন এখন। তবে মে দিবসে যে কাজ হবে না, তা গতকাল তাঁদের জানানো হয়নি। তাই কর্মস্থলে গিয়েও মজুরিশূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ্ব হারুন মিয়াকে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাই, এমনিতেই সরকারি কাজে মজুরি কম, দিনে মাত্র ২৮০ টাকা, তার ওপর আজ কাজ বন্ধ। ট্যাকা তো আর এমনি এমনি দিব না। এখন কী করুম? মে দিবস আমাগো লাইগ্যা না।’

source: prothom-alo
পাকিস্তানের পেশোয়ার হাইকোর্ট দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের রাজনীতি সারা জীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দোস্ত মোহাম্মদের নেতৃত্বধীন হাইকোর্টের চার সদস্যের একটি বেঞ্চ দুই দফা সংবিধান লঙ্ঘন এবং অবৈধভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণার দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। আদালাত বলেছেন, পারভেজ মোশাররফ আগামীতে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, সিনেট কিংবা প্রাদেশিক পরিষদের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
Bangladeshi News24
জেনারেল পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৯ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। পূর্বসূরি আইউব খান, ইয়াহিয়া খান ও জিয়াউল হকের মতো তিনিও দেশের দুরবস্থার জন্য ঢালাওভাবে রাজনীতিকদের ওপর দোষ চাপান। আবার কিছুদিন না যেতেই নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিভিন্ন দল থেকে লোক ভাগিয়ে এনে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে গত মাসে দেশে ফিরে আসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। সেই বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পেশোয়ার হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন। বেনজির ভুট্টোর হত্যা মামলাসহ বেশ কিছু মামলায় তিনি অভিযুক্ত এবং নিজ বাড়িতে অন্তরীণ রয়েছেন।
পাকিস্তানে প্রতি দশকেই একজন উর্দিপরা ত্রাতা আসেন। তাঁরা দেশকে উদ্ধার করতে না পারলেও নিজেদের উদ্ধার করেন। ২০০৭ সালে যে চুক্তির মাধ্যমে পারভেজ মোশাররফ বেনজির ভুট্টোকে দেশে আসার এবং রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন, সেই চুক্তি তাঁর বা তাঁর উত্তরসূরি আসিফ আলী জারদারির রক্ষাকবচ হয়নি। তাঁর সবচেয়ে আত্মঘাতী কাজ ছিল প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মুহাম্মদ চৌধুরীকে বরখাস্ত করা এবং বিচারপতিদের অন্তরীণ করে রাখা। বেনজির হত্যা মামলার পাশাপাশি বিচারক হয়রানির মামলাটি এখনো তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি যে কেবল নির্বাচনী লড়াই থেকে বাদ পড়েছেন তা-ই নয়, নাগরিক হিসেবে তিনি ভোটটি দিতে পারবেন কি না, সন্দেহ আছে। কেননা, তাঁর অন্তরীণের আদেশ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। ১১ মের নির্বাচনে তাঁকে নিজ গৃহে বন্দী থাকতে হবে। 
পাকিস্তানের উচ্চ আদালত যখন পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসকের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তখন বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখনো তিনি আগামী নির্বাচনে কিং মেকার হবেন বলে ঘোষণা দিচ্ছেন, কখনো নিজেই কিং হওয়ার খোয়াব দেখছেন। সকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মহাজোট জোরদার করার কথা বললে বিকেলেই হয়তো দলীয় সভায় জোট ছাড়ার আওয়াজ তোলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সবচেয়ে ধিক্কৃত ব্যক্তি রাজনীতির মাঠ সরগরম করতে পারছেন গণতন্ত্রের দুই প্রধান দাবিদার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ব্যর্থতা ও দুর্বলতার কারণে। এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বন্দুকের নলের মুখে দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তাঁর নয় বছরের শাসন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। তিনিও পূর্বসূরি জিয়াউর রহমানের মতো সত্ ‘রাজনীতিকে কঠিন’ করে দিয়ে কেনাবেচার রাজনীতি শুরু করেন। পাইকারিহারে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে পোরেন। আফসোসের কথা, নূর হোসেন, তাজুল, সেলিম, দেলোয়ারসহ অসংখ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে যাঁর হাত রঞ্জিত, সেই স্বৈরশাসকই আজ আমাদের গণতন্ত্র সম্পর্কে দিনরাত সবক দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে আদর্শিক সংকট চলছে, মৌলবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রের মৌল চরিত্র বদলে দেওয়ার দাবি তুলছে, তার ক্ষেত্রটি কিন্তু প্রস্তুত করেছিলেন দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। তাঁরা দুজনই জোর করে বন্দুকের নলে ক্ষমতায় এসে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রাজাকারদের পুনর্বাসন করেন, একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী করেন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রে মৌল আদর্শ বদলে দিয়ে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী আনেন। আর এমন কোনো অনাচার নেই যা এরশাদ করেননি। তিনি রাষ্ট্রধর্ম চালু করেন। যদিও ধর্মের চেয়ে অধর্মের প্রতিই তাঁর ঝোঁক বেশি ছিল এবং এখনো আছে। 
পাকিস্তানে পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার জন্য যদি চিরদিনের জন্য তাঁর রাজনীতি করা নিষিদ্ধ হতে পারে, বাংলাদেশে একই কাজ যিনি বা যাঁরা করেছেন, তিনি বা তাঁরা কেন নিষিদ্ধ হবেন না। তত্ত্বাধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বিচারপতি খায়রুল হক বিতর্কিত হয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে একটি অহেতুক বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বলেও অনেকে মনে করেন। 
কিন্তু সংবিধানের পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কে তাঁর রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই রায়ই প্রথম জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর সপ্তম সংশোধনীর বিষয়েও একই রকম রায় আসে।
কিন্তু পাকিস্তানের আদালত অবৈধ ক্ষমতাদখলকারীর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেও বাংলাদেশের আদালত সে সম্পর্কে কিছু বলেননি। কেবল সামরিক শাসনকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে অবৈধভাবে ক্ষমতাদখলকারীর বিরুদ্ধেও রায় চাই। তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সংবিধান লংঘনের ঘটনা ঘটাতে সাহস পাবেন না। 
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আওয়ামী লীগ বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ফাঁকা আওয়াজ তুললেও মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করেনি; যদিও আদালতের রায়ে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। 
এই সুযোগে সাবেক স্বৈরাচার ও সাবেক রাজাকার— দুই প্রধান দলের ওপর সওয়ার হয়েছে। আর রণহুংকার ছাড়ছে ‘ধর্ম রক্ষার ফেরিওয়ালারা।’

source: prothom-alo

মোশাররফ নিষিদ্ধ হলে এরশাদ নয় কেন?

পাকিস্তানের পেশোয়ার হাইকোর্ট দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের রাজনীতি সারা জীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দোস্ত মোহাম্মদের নেতৃত্বধীন হাইকোর্টের চার সদস্যের একটি বেঞ্চ দুই দফা সংবিধান লঙ্ঘন এবং অবৈধভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণার দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। আদালাত বলেছেন, পারভেজ মোশাররফ আগামীতে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, সিনেট কিংবা প্রাদেশিক পরিষদের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
Bangladeshi News24
জেনারেল পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৯ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। পূর্বসূরি আইউব খান, ইয়াহিয়া খান ও জিয়াউল হকের মতো তিনিও দেশের দুরবস্থার জন্য ঢালাওভাবে রাজনীতিকদের ওপর দোষ চাপান। আবার কিছুদিন না যেতেই নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিভিন্ন দল থেকে লোক ভাগিয়ে এনে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে গত মাসে দেশে ফিরে আসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। সেই বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পেশোয়ার হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন। বেনজির ভুট্টোর হত্যা মামলাসহ বেশ কিছু মামলায় তিনি অভিযুক্ত এবং নিজ বাড়িতে অন্তরীণ রয়েছেন।
পাকিস্তানে প্রতি দশকেই একজন উর্দিপরা ত্রাতা আসেন। তাঁরা দেশকে উদ্ধার করতে না পারলেও নিজেদের উদ্ধার করেন। ২০০৭ সালে যে চুক্তির মাধ্যমে পারভেজ মোশাররফ বেনজির ভুট্টোকে দেশে আসার এবং রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন, সেই চুক্তি তাঁর বা তাঁর উত্তরসূরি আসিফ আলী জারদারির রক্ষাকবচ হয়নি। তাঁর সবচেয়ে আত্মঘাতী কাজ ছিল প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মুহাম্মদ চৌধুরীকে বরখাস্ত করা এবং বিচারপতিদের অন্তরীণ করে রাখা। বেনজির হত্যা মামলার পাশাপাশি বিচারক হয়রানির মামলাটি এখনো তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি যে কেবল নির্বাচনী লড়াই থেকে বাদ পড়েছেন তা-ই নয়, নাগরিক হিসেবে তিনি ভোটটি দিতে পারবেন কি না, সন্দেহ আছে। কেননা, তাঁর অন্তরীণের আদেশ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। ১১ মের নির্বাচনে তাঁকে নিজ গৃহে বন্দী থাকতে হবে। 
পাকিস্তানের উচ্চ আদালত যখন পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসকের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তখন বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখনো তিনি আগামী নির্বাচনে কিং মেকার হবেন বলে ঘোষণা দিচ্ছেন, কখনো নিজেই কিং হওয়ার খোয়াব দেখছেন। সকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মহাজোট জোরদার করার কথা বললে বিকেলেই হয়তো দলীয় সভায় জোট ছাড়ার আওয়াজ তোলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সবচেয়ে ধিক্কৃত ব্যক্তি রাজনীতির মাঠ সরগরম করতে পারছেন গণতন্ত্রের দুই প্রধান দাবিদার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ব্যর্থতা ও দুর্বলতার কারণে। এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বন্দুকের নলের মুখে দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তাঁর নয় বছরের শাসন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। তিনিও পূর্বসূরি জিয়াউর রহমানের মতো সত্ ‘রাজনীতিকে কঠিন’ করে দিয়ে কেনাবেচার রাজনীতি শুরু করেন। পাইকারিহারে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে পোরেন। আফসোসের কথা, নূর হোসেন, তাজুল, সেলিম, দেলোয়ারসহ অসংখ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে যাঁর হাত রঞ্জিত, সেই স্বৈরশাসকই আজ আমাদের গণতন্ত্র সম্পর্কে দিনরাত সবক দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে আদর্শিক সংকট চলছে, মৌলবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রের মৌল চরিত্র বদলে দেওয়ার দাবি তুলছে, তার ক্ষেত্রটি কিন্তু প্রস্তুত করেছিলেন দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। তাঁরা দুজনই জোর করে বন্দুকের নলে ক্ষমতায় এসে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রাজাকারদের পুনর্বাসন করেন, একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী করেন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রে মৌল আদর্শ বদলে দিয়ে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী আনেন। আর এমন কোনো অনাচার নেই যা এরশাদ করেননি। তিনি রাষ্ট্রধর্ম চালু করেন। যদিও ধর্মের চেয়ে অধর্মের প্রতিই তাঁর ঝোঁক বেশি ছিল এবং এখনো আছে। 
পাকিস্তানে পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার জন্য যদি চিরদিনের জন্য তাঁর রাজনীতি করা নিষিদ্ধ হতে পারে, বাংলাদেশে একই কাজ যিনি বা যাঁরা করেছেন, তিনি বা তাঁরা কেন নিষিদ্ধ হবেন না। তত্ত্বাধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বিচারপতি খায়রুল হক বিতর্কিত হয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে একটি অহেতুক বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বলেও অনেকে মনে করেন। 
কিন্তু সংবিধানের পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কে তাঁর রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই রায়ই প্রথম জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর সপ্তম সংশোধনীর বিষয়েও একই রকম রায় আসে।
কিন্তু পাকিস্তানের আদালত অবৈধ ক্ষমতাদখলকারীর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেও বাংলাদেশের আদালত সে সম্পর্কে কিছু বলেননি। কেবল সামরিক শাসনকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে অবৈধভাবে ক্ষমতাদখলকারীর বিরুদ্ধেও রায় চাই। তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সংবিধান লংঘনের ঘটনা ঘটাতে সাহস পাবেন না। 
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আওয়ামী লীগ বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ফাঁকা আওয়াজ তুললেও মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করেনি; যদিও আদালতের রায়ে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। 
এই সুযোগে সাবেক স্বৈরাচার ও সাবেক রাজাকার— দুই প্রধান দলের ওপর সওয়ার হয়েছে। আর রণহুংকার ছাড়ছে ‘ধর্ম রক্ষার ফেরিওয়ালারা।’

source: prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo

বগুড়ায় মহাসমাবেশে আহমদ শফী, ৫ তারিখে দেশ কোন দিকে যাবে জানি না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo
রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

‘আমার পা ফিরাই দেন’

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত


আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

উদ্ধারকাজে ডগ স্কোয়াড, মৃতের সংখ্যা ৩৮৭

সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

Monday, 29 April 2013

সহজে বাঁকানো সম্ভব ও নমনীয় ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এলজি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
News24
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোন প্রযুক্তির উন্নয়নে নমনীয় ডিসপ্লে তৈরির বিষয়টি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবেই ধরা হচ্ছে। শিগগিরই নমনীয় বা বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আনবে এলজি।
দীর্ঘদিন ধরেই নমনীয় বা সহজেই ভাঁজ করা সম্ভব, এমন ডিসপ্লে তৈরির কথা বলছেন গবেষকেরা। ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাঁকানো ডিসপ্লে প্রদর্শন করেছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্যামসাং ছাড়াও নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে নকিয়া।
সাধারণত স্মার্টফোন তৈরিতে কাচ ব্যবহার করার কারণে তা পড়ে গেলে সহজেই ভেঙে যায় এবং ওজনে ভারী হয়। নমনীয় ডিসপ্লে তৈরিতে কাচের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়।
স্মার্টফোন ছাড়াও নমনীয় এই স্ক্রিন স্মার্ট-ওয়াচ বা স্মার্ট হাতঘড়ির জন্য মানানসই। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তির স্মার্টফোন এমনকি স্মার্ট হাতঘড়িও তৈরি করতে পারে এলজি।
এলজি মোবাইল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এলজির ডিসপ্লে বিভাগের তৈরি নমনীয় ওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত একটি স্মার্টফোন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসতে পারে।
এদিকে বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান দখল করছে এলজি। বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং ও অ্যাপলের পরের স্থানটি এলজির।


source: prothom-alo

নমনীয় স্মার্টফোন আনছে এলজি

সহজে বাঁকানো সম্ভব ও নমনীয় ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এলজি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
News24
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোন প্রযুক্তির উন্নয়নে নমনীয় ডিসপ্লে তৈরির বিষয়টি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবেই ধরা হচ্ছে। শিগগিরই নমনীয় বা বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আনবে এলজি।
দীর্ঘদিন ধরেই নমনীয় বা সহজেই ভাঁজ করা সম্ভব, এমন ডিসপ্লে তৈরির কথা বলছেন গবেষকেরা। ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাঁকানো ডিসপ্লে প্রদর্শন করেছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্যামসাং ছাড়াও নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে নকিয়া।
সাধারণত স্মার্টফোন তৈরিতে কাচ ব্যবহার করার কারণে তা পড়ে গেলে সহজেই ভেঙে যায় এবং ওজনে ভারী হয়। নমনীয় ডিসপ্লে তৈরিতে কাচের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়।
স্মার্টফোন ছাড়াও নমনীয় এই স্ক্রিন স্মার্ট-ওয়াচ বা স্মার্ট হাতঘড়ির জন্য মানানসই। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তির স্মার্টফোন এমনকি স্মার্ট হাতঘড়িও তৈরি করতে পারে এলজি।
এলজি মোবাইল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এলজির ডিসপ্লে বিভাগের তৈরি নমনীয় ওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত একটি স্মার্টফোন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসতে পারে।
এদিকে বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান দখল করছে এলজি। বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং ও অ্যাপলের পরের স্থানটি এলজির।


source: prothom-alo

এক অনলাইন ভোটিংয়ে ভারতে ২০১২ সালের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচিত হয়েছেন বলিউডের
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।

অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে সম্প্রতি ভারতের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ৫০ জন নারীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ‘টাইমস’। সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচনের এ প্রক্রিয়ায় ভোট দিয়েছেন সাত লাখের বেশি মানুষ। তালিকায় দীপিকার পরের দুটি অবস্থানে আছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও কারিনা কাপুর। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দখল করেছেন যথাক্রমে চিত্রাঙ্গদা সিং ও সানি লিওন। জানিয়েছে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’। 
তালিকার সেরা দশে ঠাঁই পেয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া, বিপাশা বসু, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, নার্গিস ফাখরি ও সোনাক্ষী সিনহা। অল্পের জন্য সেরা দশে জায়গা পাননি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও তারকা অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তিনি ১১তম অবস্থানে রয়েছেন। 
Entertainment News 24
তালিকায় আরও আছেন কঙ্গনা রনৌত, আলিয়া ভাট, মালাইকা অরোরা খান, আনুশকা শর্মা, শ্রদ্ধা কাপুর, সোনম কাপুর, ইলিয়ানা ডি ক্রুজ, তামান্না, শার্লিন চোপড়া, আমিশা প্যাটেল, দিয়া মির্জা, মল্লিকা শেরাওয়াত, প্রাচী মিশ্রা, পুনম পান্ডে প্রমুখ।
এই সাফল্যের পেছনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীপিকা বলেন, ‘আমার কাজ ও ব্যক্তিত্ব পছন্দ করে বলেই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভোট দিয়েছেন সবাই। চলচ্চিত্রজগতে আসার আগে এ শিল্পের সঙ্গে আমার কিংবা আমার পরিবারের কারও সম্পৃক্ততা ছিল না। তার পরও অল্প সময়ে আমার যে অর্জন, এমনটা পেতে চান অনেকেই। সম্ভবত, এ কারণেই সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচিত হয়েছি আমি।’


source: prothom-alo

ভারতে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী দীপিকা


এক অনলাইন ভোটিংয়ে ভারতে ২০১২ সালের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচিত হয়েছেন বলিউডের
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।

অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে সম্প্রতি ভারতের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ৫০ জন নারীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ‘টাইমস’। সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচনের এ প্রক্রিয়ায় ভোট দিয়েছেন সাত লাখের বেশি মানুষ। তালিকায় দীপিকার পরের দুটি অবস্থানে আছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও কারিনা কাপুর। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দখল করেছেন যথাক্রমে চিত্রাঙ্গদা সিং ও সানি লিওন। জানিয়েছে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’। 
তালিকার সেরা দশে ঠাঁই পেয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া, বিপাশা বসু, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, নার্গিস ফাখরি ও সোনাক্ষী সিনহা। অল্পের জন্য সেরা দশে জায়গা পাননি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও তারকা অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তিনি ১১তম অবস্থানে রয়েছেন। 
Entertainment News 24
তালিকায় আরও আছেন কঙ্গনা রনৌত, আলিয়া ভাট, মালাইকা অরোরা খান, আনুশকা শর্মা, শ্রদ্ধা কাপুর, সোনম কাপুর, ইলিয়ানা ডি ক্রুজ, তামান্না, শার্লিন চোপড়া, আমিশা প্যাটেল, দিয়া মির্জা, মল্লিকা শেরাওয়াত, প্রাচী মিশ্রা, পুনম পান্ডে প্রমুখ।
এই সাফল্যের পেছনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীপিকা বলেন, ‘আমার কাজ ও ব্যক্তিত্ব পছন্দ করে বলেই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভোট দিয়েছেন সবাই। চলচ্চিত্রজগতে আসার আগে এ শিল্পের সঙ্গে আমার কিংবা আমার পরিবারের কারও সম্পৃক্ততা ছিল না। তার পরও অল্প সময়ে আমার যে অর্জন, এমনটা পেতে চান অনেকেই। সম্ভবত, এ কারণেই সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী নির্বাচিত হয়েছি আমি।’


source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comশিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল শিরিন শারমিন চৌধুরীকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। কাল জাতীয় সংসদে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে। 
News In Bangladesh
বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সর্বসম্মতভাবে স্পিকার পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার দূর্ঘটনার পর দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। পরে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই বৈঠকে স্পিকার মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ পর্যায়ে তিনি দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্পিকার পদে নাম ঘোষণার আহ্বান জানান।
সৈয়দ আশরাফ দলের ভবিষ্যত্, নতুন নেতৃত্ব এবং নারীর প্রতি মর্যাদার কথাতুলে ধরে স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন। এসময় তুমুল করতালি দিয়ে সাংসদেরা তা সমর্থন করেন। পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের মনোনয়নের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশে একটা ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতার পর স্পিকার পদেও নারী আসছেন। এ তিনটি পদে নারী পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


source: prothom-alo

কাল স্পিকার নির্বাচন, প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন শিরীন শারমিন

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comশিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল শিরিন শারমিন চৌধুরীকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। কাল জাতীয় সংসদে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে। 
News In Bangladesh
বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সর্বসম্মতভাবে স্পিকার পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার দূর্ঘটনার পর দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। পরে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই বৈঠকে স্পিকার মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ পর্যায়ে তিনি দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্পিকার পদে নাম ঘোষণার আহ্বান জানান।
সৈয়দ আশরাফ দলের ভবিষ্যত্, নতুন নেতৃত্ব এবং নারীর প্রতি মর্যাদার কথাতুলে ধরে স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন। এসময় তুমুল করতালি দিয়ে সাংসদেরা তা সমর্থন করেন। পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের মনোনয়নের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশে একটা ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতার পর স্পিকার পদেও নারী আসছেন। এ তিনটি পদে নারী পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


source: prothom-alo
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo

সোহেল রানা ১৫ দিনের রিমান্ডে

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comচার বছর পর টেস্ট জয়। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর চতুর্থ বিজয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ সমান করা এই জয়ের পরও উচ্ছ্বাসের আতিশয্য নেই বাংলাদেশ দলে। দেশে সাভারের ভবনধসে অসংখ্য মৃত্যু ঢেকে দিয়েছে সব আনন্দ, সব উচ্ছ্বাস।
Bangladesh Cricket Team
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় উৎসর্গ করেছেন সাভারের ভবনধসে মৃত্যুবরণ করা মানুষের প্রতি। 
সাভারের ভবনধসের পরদিন শুরু হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি। ওই দিন দেশে জাতীয়ভাবে শোক পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দল হাতে পরেছিল শোকের প্রতীক কালো রঙের ব্যান্ড। টেস্ট ম্যাচটি জিতে সাকিব-মুশফিক-রবিউল-জিয়ারা দেশের শোকাচ্ছন্ন মানুষের মুখে একটু হলেও হাসির পরশ বুলিয়ে দিলেন। 
এই শোকাকুল সময়েও দেশবাসীর স্যালুট তাদের প্রাপ্যই!


মুশফিকদের হৃদয়জুড়ে সাভার

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comচার বছর পর টেস্ট জয়। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর চতুর্থ বিজয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ সমান করা এই জয়ের পরও উচ্ছ্বাসের আতিশয্য নেই বাংলাদেশ দলে। দেশে সাভারের ভবনধসে অসংখ্য মৃত্যু ঢেকে দিয়েছে সব আনন্দ, সব উচ্ছ্বাস।
Bangladesh Cricket Team
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় উৎসর্গ করেছেন সাভারের ভবনধসে মৃত্যুবরণ করা মানুষের প্রতি। 
সাভারের ভবনধসের পরদিন শুরু হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি। ওই দিন দেশে জাতীয়ভাবে শোক পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দল হাতে পরেছিল শোকের প্রতীক কালো রঙের ব্যান্ড। টেস্ট ম্যাচটি জিতে সাকিব-মুশফিক-রবিউল-জিয়ারা দেশের শোকাচ্ছন্ন মানুষের মুখে একটু হলেও হাসির পরশ বুলিয়ে দিলেন। 
এই শোকাকুল সময়েও দেশবাসীর স্যালুট তাদের প্রাপ্যই!


সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo

হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্যা শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনভর উদ্ধারকর্মীরা শাহীনাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শাহীনার মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হয়। তাঁর মরদেহ অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে।
Breaking News Online
গতকাল সকালে ভারী যন্ত্র দিয়ে সাভারের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ধসে পড়া ভবনের তৃতীয় তলায় শাহীনাসহ কয়েকজন জীবিত রয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হন। এ জন্য ওই অভিযান স্থগিত করা হয়। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়া শাহীনাকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টার সময় তৈরি করা সুড়ঙ্গে রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে এলেও শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেননি। সেখান থেকে রাত দেড়টার দিকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ওপর থেকে সেখানে পানি ছিটাচ্ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে হতভাগ্য শাহীনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


source: prothom-alo