Showing posts with label Bangladeshi Hot News. Show all posts
Showing posts with label Bangladeshi Hot News. Show all posts

Sunday, 5 May 2013

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo

হেফাজতের তাণ্ডবে জ্বলছে পল্টন

রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। 
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। 
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। 

বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

source: prothom-alo
রাজধানীর নয়াপল্টনে কাল সোমবার সমাবেশ করবে বিএনপি। বিকেল তিনটার দিকে এ সমাবেশ হবে।
আজ রোববার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এ সমাবেশ করা সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, কাল বিকেল ৩ টায় এ সমাবেশ শুরু হবে। তবে সকাল থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থান নেবেন। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি খালেদা জিয়ার বেধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের সময়সীমা সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শেষ হবে। এরপরই ওই সমাবেশ থেকে এ ব্যাপারে ১৮ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। 
Bangladeshi News Online 24
দেশবাসীকে রাজপথে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান
সরকারের নৈরাজ্য বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রাজপথে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।
আজ রাতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। রাতে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 
এম কে আনোয়ার জানান, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের ওপর সরকার দলীয় কর্মীদের হামলা ও পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় নিন্দা এবং এর বিচার দাবি করেছে বিএনপি। এছাড়াও আজকে যে সব জায়গায় হামলা হয়েছে সেখানে বিএনপি, জামায়াতের কেউ জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেছেন।
এম কে আনোয়ার বলেন, খালেদা জিয়া নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মেনে নিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের ব্যাপারে সরকার দলীয় নেতাদের প্রত্যাখ্যানের বক্তব্যে সরকারের মনোভাব প্রকাশ করে দিয়েছে। 
এদিকে খালেদা জিয়া বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টা সময় শেষ হওয়ার পরের কর্মসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ, রেল, নৌ ও স্থলপথ অবরোধ, একটানা কয়েকদিন হরতাল। তবে ১৮ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এসব কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হবে।

source: prothom-alo

কাল বিএনপির সমাবেশ

রাজধানীর নয়াপল্টনে কাল সোমবার সমাবেশ করবে বিএনপি। বিকেল তিনটার দিকে এ সমাবেশ হবে।
আজ রোববার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এ সমাবেশ করা সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, কাল বিকেল ৩ টায় এ সমাবেশ শুরু হবে। তবে সকাল থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থান নেবেন। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি খালেদা জিয়ার বেধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের সময়সীমা সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শেষ হবে। এরপরই ওই সমাবেশ থেকে এ ব্যাপারে ১৮ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। 
Bangladeshi News Online 24
দেশবাসীকে রাজপথে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান
সরকারের নৈরাজ্য বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রাজপথে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।
আজ রাতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। রাতে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 
এম কে আনোয়ার জানান, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের ওপর সরকার দলীয় কর্মীদের হামলা ও পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় নিন্দা এবং এর বিচার দাবি করেছে বিএনপি। এছাড়াও আজকে যে সব জায়গায় হামলা হয়েছে সেখানে বিএনপি, জামায়াতের কেউ জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেছেন।
এম কে আনোয়ার বলেন, খালেদা জিয়া নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মেনে নিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের ব্যাপারে সরকার দলীয় নেতাদের প্রত্যাখ্যানের বক্তব্যে সরকারের মনোভাব প্রকাশ করে দিয়েছে। 
এদিকে খালেদা জিয়া বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টা সময় শেষ হওয়ার পরের কর্মসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ, রেল, নৌ ও স্থলপথ অবরোধ, একটানা কয়েকদিন হরতাল। তবে ১৮ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এসব কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হবে।

source: prothom-alo

Wednesday, 1 May 2013

পাকিস্তানের পেশোয়ার হাইকোর্ট দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের রাজনীতি সারা জীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দোস্ত মোহাম্মদের নেতৃত্বধীন হাইকোর্টের চার সদস্যের একটি বেঞ্চ দুই দফা সংবিধান লঙ্ঘন এবং অবৈধভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণার দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। আদালাত বলেছেন, পারভেজ মোশাররফ আগামীতে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, সিনেট কিংবা প্রাদেশিক পরিষদের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
Bangladeshi News24
জেনারেল পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৯ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। পূর্বসূরি আইউব খান, ইয়াহিয়া খান ও জিয়াউল হকের মতো তিনিও দেশের দুরবস্থার জন্য ঢালাওভাবে রাজনীতিকদের ওপর দোষ চাপান। আবার কিছুদিন না যেতেই নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিভিন্ন দল থেকে লোক ভাগিয়ে এনে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে গত মাসে দেশে ফিরে আসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। সেই বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পেশোয়ার হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন। বেনজির ভুট্টোর হত্যা মামলাসহ বেশ কিছু মামলায় তিনি অভিযুক্ত এবং নিজ বাড়িতে অন্তরীণ রয়েছেন।
পাকিস্তানে প্রতি দশকেই একজন উর্দিপরা ত্রাতা আসেন। তাঁরা দেশকে উদ্ধার করতে না পারলেও নিজেদের উদ্ধার করেন। ২০০৭ সালে যে চুক্তির মাধ্যমে পারভেজ মোশাররফ বেনজির ভুট্টোকে দেশে আসার এবং রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন, সেই চুক্তি তাঁর বা তাঁর উত্তরসূরি আসিফ আলী জারদারির রক্ষাকবচ হয়নি। তাঁর সবচেয়ে আত্মঘাতী কাজ ছিল প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মুহাম্মদ চৌধুরীকে বরখাস্ত করা এবং বিচারপতিদের অন্তরীণ করে রাখা। বেনজির হত্যা মামলার পাশাপাশি বিচারক হয়রানির মামলাটি এখনো তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি যে কেবল নির্বাচনী লড়াই থেকে বাদ পড়েছেন তা-ই নয়, নাগরিক হিসেবে তিনি ভোটটি দিতে পারবেন কি না, সন্দেহ আছে। কেননা, তাঁর অন্তরীণের আদেশ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। ১১ মের নির্বাচনে তাঁকে নিজ গৃহে বন্দী থাকতে হবে। 
পাকিস্তানের উচ্চ আদালত যখন পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসকের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তখন বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখনো তিনি আগামী নির্বাচনে কিং মেকার হবেন বলে ঘোষণা দিচ্ছেন, কখনো নিজেই কিং হওয়ার খোয়াব দেখছেন। সকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মহাজোট জোরদার করার কথা বললে বিকেলেই হয়তো দলীয় সভায় জোট ছাড়ার আওয়াজ তোলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সবচেয়ে ধিক্কৃত ব্যক্তি রাজনীতির মাঠ সরগরম করতে পারছেন গণতন্ত্রের দুই প্রধান দাবিদার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ব্যর্থতা ও দুর্বলতার কারণে। এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বন্দুকের নলের মুখে দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তাঁর নয় বছরের শাসন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। তিনিও পূর্বসূরি জিয়াউর রহমানের মতো সত্ ‘রাজনীতিকে কঠিন’ করে দিয়ে কেনাবেচার রাজনীতি শুরু করেন। পাইকারিহারে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে পোরেন। আফসোসের কথা, নূর হোসেন, তাজুল, সেলিম, দেলোয়ারসহ অসংখ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে যাঁর হাত রঞ্জিত, সেই স্বৈরশাসকই আজ আমাদের গণতন্ত্র সম্পর্কে দিনরাত সবক দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে আদর্শিক সংকট চলছে, মৌলবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রের মৌল চরিত্র বদলে দেওয়ার দাবি তুলছে, তার ক্ষেত্রটি কিন্তু প্রস্তুত করেছিলেন দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। তাঁরা দুজনই জোর করে বন্দুকের নলে ক্ষমতায় এসে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রাজাকারদের পুনর্বাসন করেন, একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী করেন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রে মৌল আদর্শ বদলে দিয়ে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী আনেন। আর এমন কোনো অনাচার নেই যা এরশাদ করেননি। তিনি রাষ্ট্রধর্ম চালু করেন। যদিও ধর্মের চেয়ে অধর্মের প্রতিই তাঁর ঝোঁক বেশি ছিল এবং এখনো আছে। 
পাকিস্তানে পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার জন্য যদি চিরদিনের জন্য তাঁর রাজনীতি করা নিষিদ্ধ হতে পারে, বাংলাদেশে একই কাজ যিনি বা যাঁরা করেছেন, তিনি বা তাঁরা কেন নিষিদ্ধ হবেন না। তত্ত্বাধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বিচারপতি খায়রুল হক বিতর্কিত হয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে একটি অহেতুক বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বলেও অনেকে মনে করেন। 
কিন্তু সংবিধানের পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কে তাঁর রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই রায়ই প্রথম জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর সপ্তম সংশোধনীর বিষয়েও একই রকম রায় আসে।
কিন্তু পাকিস্তানের আদালত অবৈধ ক্ষমতাদখলকারীর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেও বাংলাদেশের আদালত সে সম্পর্কে কিছু বলেননি। কেবল সামরিক শাসনকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে অবৈধভাবে ক্ষমতাদখলকারীর বিরুদ্ধেও রায় চাই। তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সংবিধান লংঘনের ঘটনা ঘটাতে সাহস পাবেন না। 
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আওয়ামী লীগ বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ফাঁকা আওয়াজ তুললেও মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করেনি; যদিও আদালতের রায়ে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। 
এই সুযোগে সাবেক স্বৈরাচার ও সাবেক রাজাকার— দুই প্রধান দলের ওপর সওয়ার হয়েছে। আর রণহুংকার ছাড়ছে ‘ধর্ম রক্ষার ফেরিওয়ালারা।’

source: prothom-alo

মোশাররফ নিষিদ্ধ হলে এরশাদ নয় কেন?

পাকিস্তানের পেশোয়ার হাইকোর্ট দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের রাজনীতি সারা জীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দোস্ত মোহাম্মদের নেতৃত্বধীন হাইকোর্টের চার সদস্যের একটি বেঞ্চ দুই দফা সংবিধান লঙ্ঘন এবং অবৈধভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণার দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। আদালাত বলেছেন, পারভেজ মোশাররফ আগামীতে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, সিনেট কিংবা প্রাদেশিক পরিষদের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
Bangladeshi News24
জেনারেল পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৯ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। পূর্বসূরি আইউব খান, ইয়াহিয়া খান ও জিয়াউল হকের মতো তিনিও দেশের দুরবস্থার জন্য ঢালাওভাবে রাজনীতিকদের ওপর দোষ চাপান। আবার কিছুদিন না যেতেই নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিভিন্ন দল থেকে লোক ভাগিয়ে এনে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে গত মাসে দেশে ফিরে আসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। সেই বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পেশোয়ার হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেন। বেনজির ভুট্টোর হত্যা মামলাসহ বেশ কিছু মামলায় তিনি অভিযুক্ত এবং নিজ বাড়িতে অন্তরীণ রয়েছেন।
পাকিস্তানে প্রতি দশকেই একজন উর্দিপরা ত্রাতা আসেন। তাঁরা দেশকে উদ্ধার করতে না পারলেও নিজেদের উদ্ধার করেন। ২০০৭ সালে যে চুক্তির মাধ্যমে পারভেজ মোশাররফ বেনজির ভুট্টোকে দেশে আসার এবং রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন, সেই চুক্তি তাঁর বা তাঁর উত্তরসূরি আসিফ আলী জারদারির রক্ষাকবচ হয়নি। তাঁর সবচেয়ে আত্মঘাতী কাজ ছিল প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মুহাম্মদ চৌধুরীকে বরখাস্ত করা এবং বিচারপতিদের অন্তরীণ করে রাখা। বেনজির হত্যা মামলার পাশাপাশি বিচারক হয়রানির মামলাটি এখনো তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি যে কেবল নির্বাচনী লড়াই থেকে বাদ পড়েছেন তা-ই নয়, নাগরিক হিসেবে তিনি ভোটটি দিতে পারবেন কি না, সন্দেহ আছে। কেননা, তাঁর অন্তরীণের আদেশ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। ১১ মের নির্বাচনে তাঁকে নিজ গৃহে বন্দী থাকতে হবে। 
পাকিস্তানের উচ্চ আদালত যখন পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসকের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তখন বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখনো তিনি আগামী নির্বাচনে কিং মেকার হবেন বলে ঘোষণা দিচ্ছেন, কখনো নিজেই কিং হওয়ার খোয়াব দেখছেন। সকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মহাজোট জোরদার করার কথা বললে বিকেলেই হয়তো দলীয় সভায় জোট ছাড়ার আওয়াজ তোলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সবচেয়ে ধিক্কৃত ব্যক্তি রাজনীতির মাঠ সরগরম করতে পারছেন গণতন্ত্রের দুই প্রধান দাবিদার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ব্যর্থতা ও দুর্বলতার কারণে। এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বন্দুকের নলের মুখে দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তাঁর নয় বছরের শাসন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। তিনিও পূর্বসূরি জিয়াউর রহমানের মতো সত্ ‘রাজনীতিকে কঠিন’ করে দিয়ে কেনাবেচার রাজনীতি শুরু করেন। পাইকারিহারে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে পোরেন। আফসোসের কথা, নূর হোসেন, তাজুল, সেলিম, দেলোয়ারসহ অসংখ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে যাঁর হাত রঞ্জিত, সেই স্বৈরশাসকই আজ আমাদের গণতন্ত্র সম্পর্কে দিনরাত সবক দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে আদর্শিক সংকট চলছে, মৌলবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রের মৌল চরিত্র বদলে দেওয়ার দাবি তুলছে, তার ক্ষেত্রটি কিন্তু প্রস্তুত করেছিলেন দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। তাঁরা দুজনই জোর করে বন্দুকের নলে ক্ষমতায় এসে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রাজাকারদের পুনর্বাসন করেন, একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী করেন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রে মৌল আদর্শ বদলে দিয়ে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী আনেন। আর এমন কোনো অনাচার নেই যা এরশাদ করেননি। তিনি রাষ্ট্রধর্ম চালু করেন। যদিও ধর্মের চেয়ে অধর্মের প্রতিই তাঁর ঝোঁক বেশি ছিল এবং এখনো আছে। 
পাকিস্তানে পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার জন্য যদি চিরদিনের জন্য তাঁর রাজনীতি করা নিষিদ্ধ হতে পারে, বাংলাদেশে একই কাজ যিনি বা যাঁরা করেছেন, তিনি বা তাঁরা কেন নিষিদ্ধ হবেন না। তত্ত্বাধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বিচারপতি খায়রুল হক বিতর্কিত হয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে একটি অহেতুক বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বলেও অনেকে মনে করেন। 
কিন্তু সংবিধানের পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কে তাঁর রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই রায়ই প্রথম জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর সপ্তম সংশোধনীর বিষয়েও একই রকম রায় আসে।
কিন্তু পাকিস্তানের আদালত অবৈধ ক্ষমতাদখলকারীর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেও বাংলাদেশের আদালত সে সম্পর্কে কিছু বলেননি। কেবল সামরিক শাসনকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে অবৈধভাবে ক্ষমতাদখলকারীর বিরুদ্ধেও রায় চাই। তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সংবিধান লংঘনের ঘটনা ঘটাতে সাহস পাবেন না। 
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আওয়ামী লীগ বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ফাঁকা আওয়াজ তুললেও মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করেনি; যদিও আদালতের রায়ে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। 
এই সুযোগে সাবেক স্বৈরাচার ও সাবেক রাজাকার— দুই প্রধান দলের ওপর সওয়ার হয়েছে। আর রণহুংকার ছাড়ছে ‘ধর্ম রক্ষার ফেরিওয়ালারা।’

source: prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo

বগুড়ায় মহাসমাবেশে আহমদ শফী, ৫ তারিখে দেশ কোন দিকে যাবে জানি না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo
রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

‘আমার পা ফিরাই দেন’

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo
সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo

এ বিজয় নারীর: স্পিকার, প্রথম নারী স্পিকার হলেন শিরীন শারমিন

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo