Showing posts with label Daily newspaper (bangladesh). Show all posts
Showing posts with label Daily newspaper (bangladesh). Show all posts

Saturday, 11 May 2013

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাসেন’।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘মহাসেন’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল নয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
BD News24
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

source:  prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo

বগুড়ায় মহাসমাবেশে আহমদ শফী, ৫ তারিখে দেশ কোন দিকে যাবে জানি না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক্যবাদীদের সঙ্গ ছেড়ে তওবা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে আস্তিক্যবাদীদের সঙ্গে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
BD News24
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত ‘শানে রিসালত’ মহাসমাবেশে শাহ আহমদ শফী এই আহ্বান জানান। তিনি আগামী ৫ মের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘১৩ দফা মেনে নিন। না হলে ৫ তারিখে এ দেশ কোন দিকে যাবে, তা আমি জানি না।’ 
আহমদ শফী বলেন, ‘সরকারকে জানাইতেছি, নেত্রীকে জানাইতেছি, তওবা কইরা ১৩ দফা মেনে নিন। ১৩ দফা কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না। এই ১৩ দফা দাবির একমাত্র দাবি নাস্তিকদের এ দেশ থেকে তাড়াতে হবে। নাস্তিকবাদীরা এ দেশে থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আমার কাছে বার বার লোক পাঠাইছে। আমি বলেছি, আমি একা কোনো ফয়সালা দিতে পারব না। তারা বলে, তোমাদের দাবি মানব। আমি বলেছি, দাবি মাইনা ঘোষণা দিতে হবে। তোমাদের পলিসি আমরা বুঝি। আমরা বেকুব না। আমাদের ধোঁকা দিতে চাইছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আর ধোঁকা খাব না। হয় আমাদের দাবি মানবেন, না হয় শাহাদতবরণ করব।’
নারীদের রাস্তায় চলাফেরা ও পোশাক পরার প্রতি ইঙ্গিত করে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চলে, বাংলাদেশের নারীদের ওইভাবে চলতে হবে।’ 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া আল-কওমিয়া বাংলাদেশের (উত্তরবঙ্গ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড) ব্যবস্থাপনায় এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উত্তরবঙ্গের সভাপতি বগুড়ার জামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি) নূর হোসাইন কাশেমী বলেন, সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব। এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশ করার পাঁয়তারা করায় এসব গজব নাজিল হয়েছে।’ 
মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মুফতি হারুন ইযাহার, মুফতি ওয়াক্কাস, আবদুল লতিফ নিজামি, আবদুর রউফ ইউসুফী, আবদুর রকিব, মহিউদ্দিন আকরাম, বগুড়া জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা শামছুল ইসলাম প্রমুখ।
বেলা ১১টা থেকে মহাসমাবেশ শুরু হয়। সংগঠনের প্রধান আল্লামা আহমদ শফী বেলা তিনটারর দিকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ায় আসেন। তিনি শহরের বনানীতে সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নামেন। সেখান থেকে জামিল মাদ্রাসায় বিশ্রাম করে বিকেল চারটায় মহাসমাবেশে যোগ দেন। এই মহাসমাবেশে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে হেফাজতের কর্মীরা যোগ দেন। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও শার্ট ও গেঞ্জি পরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে বিএনপি-সমর্থিত চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে চিকিত্সা ক্যাম্প খোলা হয়। 
এদিকে গত শুক্রবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই মহাসমাবেশে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা জানানো হয়েছিল। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ লোকের সমাগমের কথা বলা হলেও সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছে। 

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ বগুড়া শহর
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ বগুড়া শহর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে সূত্রাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই হেফাজতে ইসলামের স্বেচ্ছাসেবীরা অবস্থান নেন। বেশ কয়েকটি সড়ক নিজেরাই বন্ধ করে দিয়ে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মী বহনকারী যানবাহন প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এতে ওই সব এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
মহাসমাবেশ বেলা ১১টায় ডাকা হলেও সকাল নয়টার পর থেকেই শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, গোহাইল সড়ক, স্টেশন সড়ক, জব্বার সড়কসহ আরও বেশ কয়েকটি সড়কে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা এসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
সাতমাথা-শেরপুর সড়কের পিটিআই মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একই অবস্থা ছিল গোহাইল ও স্টেশন সড়কে। জলেশ্বরীতলা এলাকার অনেক বিপণিবিতান ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনভর বন্ধ রাখেন।

source: prothom-alo

Monday, 29 April 2013

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo

সোহেল রানা ১৫ দিনের রিমান্ডে

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় করা দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ওয়াসিম শেখের আদালতে সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ আইনে করা মামলায় সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
সাভার থানায় করা মামলা ও ইমারত আইনে করা মামলায় রানা প্লাজার ইথার ট্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানকে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাভার থানায় করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ইমারত আইনে করা মামলায় আনিসুর রহমানকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ; আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  
Breaking News 24
সাভার থানায় করা পুলিশের মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ আলম মিঠু ও অনিল মালিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ; আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোহেল রানাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে কয়েকজন আইনজীবী সোহেল রানার পক্ষে দাঁড়াতে চান। এ সময় অন্য আইনজীবীরা তাঁদের বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সোহেল রানার পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী আবেদন করেননি।
আদালতের আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোন্দকার আবদুল মান্নান বলেন, ‘সোহেল রানার উচিত ছিল উদ্ধারকাজে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। এ ঘটনায় আমরা আইনজীবীরাও ক্ষুব্ধ।’ ঢাকা আইনজীবী সমিতি সোহেল রানাকে কোনো সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, সাভার থানায় করা মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে সোহেল রানার যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে। ইমারত আইনে করা মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।



source: prothom-alo
হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ

হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

Sunday, 28 April 2013


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের এক প্রতিবাদ সমাবেশে খন্দকার মোশাররফ এই অভিযোগ আনেন। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সাভারের রানা প্লাজায় যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা সবাই জানত। আগেই গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। প্রশ্ন হলো, কারা জোর করে ওই দিন পোশাকশ্রমিকদের রানা প্লাজায় ঢুকিয়েছিল?’ তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন হরতাল ঠেকানোর জন্য তাঁদের আসতে বাধ্য করা হয়েছিল। কারখানায় না এলে বিএনপি-জামায়াত হিসেবে তাঁদের নাম লেখানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মওদুদ আহমদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, স্থানীয় সাংসদ মুরাদ জংসহ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সাভারে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যদের যুক্ত করা হয়নি বলে দাবি করে মওদুদ বলেন, পিলখানার মতো সরকার সাভারেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। 
Bangladeshnewspapers24
সোহেল রানা যুবলীগের কেউ নয় বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে সাফাই গেয়েছেন। জেনেশুনে এ কথা বলে সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে মোশাররফ অভিযোগ করেন, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে সরকার। সাভারের ঘটনায় দায়ী মালিকপক্ষকে বাঁচানোর নানা ফন্দিফিকির চলছে। মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
১৮ দলের সমাবেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের ঘটনাকে রানা প্লাজার ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, রানা প্লাজার ফাটলের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিকেও যদি সরকার তোয়াক্কা না করে, তাহলে রাজনীতিতে বিপর্যয় নেমে আসবে। এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

source: prothom-alo

১৮ দলের সমাবেশে অভিযোগ, সোহেল রানাকে পালানোর সুযোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের এক প্রতিবাদ সমাবেশে খন্দকার মোশাররফ এই অভিযোগ আনেন। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সাভারের রানা প্লাজায় যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা সবাই জানত। আগেই গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। প্রশ্ন হলো, কারা জোর করে ওই দিন পোশাকশ্রমিকদের রানা প্লাজায় ঢুকিয়েছিল?’ তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন হরতাল ঠেকানোর জন্য তাঁদের আসতে বাধ্য করা হয়েছিল। কারখানায় না এলে বিএনপি-জামায়াত হিসেবে তাঁদের নাম লেখানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মওদুদ আহমদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, স্থানীয় সাংসদ মুরাদ জংসহ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সাভারে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যদের যুক্ত করা হয়নি বলে দাবি করে মওদুদ বলেন, পিলখানার মতো সরকার সাভারেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। 
Bangladeshnewspapers24
সোহেল রানা যুবলীগের কেউ নয় বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে সাফাই গেয়েছেন। জেনেশুনে এ কথা বলে সোহেল রানাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে মোশাররফ অভিযোগ করেন, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে সরকার। সাভারের ঘটনায় দায়ী মালিকপক্ষকে বাঁচানোর নানা ফন্দিফিকির চলছে। মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
১৮ দলের সমাবেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের ঘটনাকে রানা প্লাজার ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, রানা প্লাজার ফাটলের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিকেও যদি সরকার তোয়াক্কা না করে, তাহলে রাজনীতিতে বিপর্যয় নেমে আসবে। এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com

বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন রানা: র‌্যাব

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comসাভারে ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা হরতাল ও অন্যান্য কর্মসূচির নড়চড় হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে একই দিনে (২ মে) বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দেশব্যাপী ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল স্থগিত করা হয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতাল বহাল
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, রানাকে গ্রেপ্তার বিএনপির মূল দাবি নয়। মূলত সাভারের ভবনধসের বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে হরতাল দেওয়া হয়েছে। তাই বিএনপির ডাকা হরতাল বহাল থাকবে।
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে আগামী ২ মে হরতালের ডাক দেয় ১৮ দল। বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলের বৈঠক শেষে গতকাল শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
রানাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ দলের কর্মসূচি থাকবে কি না, জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘হরতাল হবে। শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে এই হরতাল দেওয়া হয়নি। এটি কয়েকটি দাবির একটি।’ তিনি বলেন, ‘এত বড় ট্র্যাজেডির পর সরকারের অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতা, অনীহা, সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে এই হরতাল ডাকা হয়েছে।’
যোগাযোগ করা হলে দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাদের হরতাল উদ্ধারকাজে বিলম্ব, সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে, শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নয়। এখন পর্যন্ত ঘোষিত হরতাল আছে।’ এর অন্যথা হওয়ার সুযোগও কম বলে তিনি মনে করেন। 
Bangladeshi News

সিপিবির হরতাল স্থগিত, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) তাদের ডাকা আগামী ২ মের হরতাল কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছে। সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে সিপিবি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) যৌথভাবে এ হরতাল ডেকেছিল। একই দিন প্রায় একই দাবিতে পৃথকভাবে হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাম মোর্চা ও বাসদ হরতাল প্রত্যাহার করেনি। 
হরতাল স্থগিতের কারণ সম্পর্কে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ আজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল শনিবার সকালে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সাভারে শ্রমিক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার, শাস্তির দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ২ মে দেশব্যাপী হরতাল ঘোষণা করেছিল। ওই দিন গভীর রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট একই তারিখে হরতাল কর্মসূচি দিয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘোষিত বড় কর্মসূচির দিন অন্য কারও কর্মসূচি ঘোষণা করা গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, শিষ্টাচারসম্মত নয়। তারা বামপন্থীদের হরতালের কর্মসূচি ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে। বামপন্থীদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্যই তারা এ কাজ করেছে। তাই সিপিবি হরতাল স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে, তা হলো কাল সোমবার ও আগামী মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, পয়লা মে শ্রমিক দিবস পালন ও ৩ মে গণসমাবেশ।


source: prothom-alo

বিএনপির হরতাল বহাল, সিপিবির স্থগিত

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comসাভারে ধসে পড়া ভবনের মালিক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা হরতাল ও অন্যান্য কর্মসূচির নড়চড় হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে একই দিনে (২ মে) বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দেশব্যাপী ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল স্থগিত করা হয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতাল বহাল
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, রানাকে গ্রেপ্তার বিএনপির মূল দাবি নয়। মূলত সাভারের ভবনধসের বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে হরতাল দেওয়া হয়েছে। তাই বিএনপির ডাকা হরতাল বহাল থাকবে।
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে আগামী ২ মে হরতালের ডাক দেয় ১৮ দল। বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলের বৈঠক শেষে গতকাল শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আজ রোববার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
রানাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ দলের কর্মসূচি থাকবে কি না, জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘হরতাল হবে। শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে এই হরতাল দেওয়া হয়নি। এটি কয়েকটি দাবির একটি।’ তিনি বলেন, ‘এত বড় ট্র্যাজেডির পর সরকারের অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতা, অনীহা, সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে এই হরতাল ডাকা হয়েছে।’
যোগাযোগ করা হলে দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাদের হরতাল উদ্ধারকাজে বিলম্ব, সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে, শুধু রানাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নয়। এখন পর্যন্ত ঘোষিত হরতাল আছে।’ এর অন্যথা হওয়ার সুযোগও কম বলে তিনি মনে করেন। 
Bangladeshi News

সিপিবির হরতাল স্থগিত, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) তাদের ডাকা আগামী ২ মের হরতাল কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছে। সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে সিপিবি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) যৌথভাবে এ হরতাল ডেকেছিল। একই দিন প্রায় একই দাবিতে পৃথকভাবে হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাম মোর্চা ও বাসদ হরতাল প্রত্যাহার করেনি। 
হরতাল স্থগিতের কারণ সম্পর্কে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ আজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল শনিবার সকালে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সাভারে শ্রমিক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার, শাস্তির দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ২ মে দেশব্যাপী হরতাল ঘোষণা করেছিল। ওই দিন গভীর রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট একই তারিখে হরতাল কর্মসূচি দিয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘোষিত বড় কর্মসূচির দিন অন্য কারও কর্মসূচি ঘোষণা করা গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, শিষ্টাচারসম্মত নয়। তারা বামপন্থীদের হরতালের কর্মসূচি ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে। বামপন্থীদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্যই তারা এ কাজ করেছে। তাই সিপিবি হরতাল স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে, তা হলো কাল সোমবার ও আগামী মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, পয়লা মে শ্রমিক দিবস পালন ও ৩ মে গণসমাবেশ।


source: prothom-alo

Saturday, 27 April 2013

সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা ও এগুলো কতটা ভার বহন করতে সক্ষম (লোড বিয়ারিং ক্যালকুলেশন) তার বিস্তারিত বিবরণ এক মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর কার্যালয়ে জমা দিতে প্রত্যেক সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাভারের ভবনধসের ঘটনার পরই এ নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিজিএমইএ ভবনে আজ শনিবার বিকেলে পোশাকশিল্পের মালিকদের দুই সমিতি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর যৌথ সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান। 
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নকশা জমা হলে উভয় সমিতির পক্ষ থেকে সেগুলো আবার পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এর মধ্যে কোনো কারখানায় গরমিল পাওয়া গেলে সেটির লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে যেসব কারখানায় ভবনের ওপরে জেনারেটর আছে, সেটিও এক মাসের মধ্যে নিচে নামিয়ে আনতে হবে। 
এস এম মান্নান বলেন, সাধারণ সভায় উপস্থিত মালিকেরা সাভারের রানার প্লাজার মালিক, নকশাবিদ, অনুমোদনকারী রাজউকের কর্মকর্তাসহ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা। 
Bangla News
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে পোশাক কারখানার দুজন মালিক পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আমরা কথাবার্তা বলছি, আজ রাতেই হয়তো আরও দুই মালিক আত্মসমর্পণ করবেন।’
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিএমইএ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সাভারে ধসে যাওয়ার ভবনের পাঁচ কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেবে। তবে কারখানাগুলোর কার্যালয় ওই ভবনে থাকায় শ্রমিকদের তালিকার কাগজপত্রও চাপা পড়েছে। তাই ওই সব কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও উত্পাদন ব্যবস্থাপককে (পিএম) সাভারে বিজিএমইএর তথ্যকেন্দ্রে এসে শ্রমিকদের নামের তালিকা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
বিজিএমইএর সভাপতি মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সাভারের ভবনধসে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা করতে তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। 
এ ছাড়া সভায় বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক কোটি টাকার চেক বিজিএমইএর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় একটি তহবিল খোলা হবে। আর তহবিল গঠনে উভয় সমিতিই কাজ করবে। 
সালাম মুর্শেদী আরও জানান, আগামী সোমবার থেকে যথারীতি দেশের সব কারখানা খোলা থাকবে। উত্পাদন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে তাঁর কাছে কারখানার নিরাপত্তা চেয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’ 
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সহসভাপতি আসলাম সানি, বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম প্রমুখ।


Source: prothom-alo

সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা জমা দেওয়ার নির্দেশ

সব পোশাক কারখানার কাঠামোগত নকশা ও এগুলো কতটা ভার বহন করতে সক্ষম (লোড বিয়ারিং ক্যালকুলেশন) তার বিস্তারিত বিবরণ এক মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর কার্যালয়ে জমা দিতে প্রত্যেক সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাভারের ভবনধসের ঘটনার পরই এ নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিজিএমইএ ভবনে আজ শনিবার বিকেলে পোশাকশিল্পের মালিকদের দুই সমিতি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর যৌথ সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান। 
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নকশা জমা হলে উভয় সমিতির পক্ষ থেকে সেগুলো আবার পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এর মধ্যে কোনো কারখানায় গরমিল পাওয়া গেলে সেটির লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে যেসব কারখানায় ভবনের ওপরে জেনারেটর আছে, সেটিও এক মাসের মধ্যে নিচে নামিয়ে আনতে হবে। 
এস এম মান্নান বলেন, সাধারণ সভায় উপস্থিত মালিকেরা সাভারের রানার প্লাজার মালিক, নকশাবিদ, অনুমোদনকারী রাজউকের কর্মকর্তাসহ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা। 
Bangla News
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে পোশাক কারখানার দুজন মালিক পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আমরা কথাবার্তা বলছি, আজ রাতেই হয়তো আরও দুই মালিক আত্মসমর্পণ করবেন।’
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিএমইএ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সাভারে ধসে যাওয়ার ভবনের পাঁচ কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেবে। তবে কারখানাগুলোর কার্যালয় ওই ভবনে থাকায় শ্রমিকদের তালিকার কাগজপত্রও চাপা পড়েছে। তাই ওই সব কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও উত্পাদন ব্যবস্থাপককে (পিএম) সাভারে বিজিএমইএর তথ্যকেন্দ্রে এসে শ্রমিকদের নামের তালিকা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
বিজিএমইএর সভাপতি মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সাভারের ভবনধসে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা করতে তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। 
এ ছাড়া সভায় বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক কোটি টাকার চেক বিজিএমইএর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় একটি তহবিল খোলা হবে। আর তহবিল গঠনে উভয় সমিতিই কাজ করবে। 
সালাম মুর্শেদী আরও জানান, আগামী সোমবার থেকে যথারীতি দেশের সব কারখানা খোলা থাকবে। উত্পাদন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে তাঁর কাছে কারখানার নিরাপত্তা চেয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’ 
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সহসভাপতি আসলাম সানি, বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম প্রমুখ।


Source: prothom-alo
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo

মৃতের সংখ্যা ৩৫০, নিখোঁজ ৮৬৯

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo
গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo

৪ মে মহাসমাবেশ গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের

গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo
আগামী ২ মে সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। সাভারে ভবন ধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে।
এছাড়াও সাভারের রানা প্লাজা ধসে পড়ার প্রতিবাদে ৩০ এপ্রিল শোক দিবস পালন করবে ১৮ দলীয় জোট। ওই দিন শোক র‌্যালিও বের করবে তারা। 
News24
৪ মে ঢাকায় একটি জনসভা করবে ১৮ দলীয় জোট। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেবেন। 
আজ শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলীয় জোট নেতাদের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জোটের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক হয়। এর পর ১৮ দলীয় জোটের এক বৈঠক হয়। বৈঠকে জোট নেতারা অংশ নেন।


Source: prothom-alo

২ মে সারা হরতালের ডাক দিয়েছে ১৮ দলীয় জোট

আগামী ২ মে সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। সাভারে ভবন ধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে।
এছাড়াও সাভারের রানা প্লাজা ধসে পড়ার প্রতিবাদে ৩০ এপ্রিল শোক দিবস পালন করবে ১৮ দলীয় জোট। ওই দিন শোক র‌্যালিও বের করবে তারা। 
News24
৪ মে ঢাকায় একটি জনসভা করবে ১৮ দলীয় জোট। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেবেন। 
আজ শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলীয় জোট নেতাদের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জোটের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক হয়। এর পর ১৮ দলীয় জোটের এক বৈঠক হয়। বৈঠকে জোট নেতারা অংশ নেন।


Source: prothom-alo

Friday, 26 April 2013

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo

কী নামে ডাকি তাঁদের

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছে আড়াই বছরের এক মেয়েশিশু। এ ঘটনায় অপর এক শিশুও গুলিবিদ্ধ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চূড়ামণি আবাসন প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত শিশুর নাম সুখী। তার বাবার দাবি, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের গুলিতেই তাঁর মেয়ে মারা গেছে। তবে পুলিশ বলেছে, ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরেই গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। 
News in Bangladesh
এদিকে পায়ে গুলিবিদ্ধ অপর শিশু শফিকে (১১) স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে একই এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। নিহত সুখীর বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি চূড়ামণি পাহাড়ের লিচুবাগানে কাজ শেষে বিকেল চারটার দিকে বাড়ি ফিরছিলাম। সঙ্গে স্ত্রী ও তার কোলে মেয়ে সুখী ছিল। এ সময় তিন-চারজন সন্ত্রাসী পাহাড় থেকে এসে আমার ভাই আলমগীরকে খুঁজতে থাকে। তারা আমাকেই আলমগীর মনে করে গুলি করে। কিন্তু গুলি লাগে সুখীর গায়ে।’
গুরুতর আহত অবস্থায় সুখীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আলমগীর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেই জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এই হামলা চালান। হামলার সময় একটি গুলি জাহাঙ্গীরের কনুই ছুঁয়ে চলে যায়। এতে তিনি হাতে আঘাত পান।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে জামায়াত-শিবিরের কিছু কর্মী রাতে এই প্রকল্প এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ শুরু হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এমরান ভূঁইয়া বলেন, ‘গ্রামে দুটি বিবদমান পক্ষ আছে বলে জেনেছি। এ ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে ওই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি।


Source: prothom-alo

মায়ের কোলে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিরনিদ্রায় সুখী

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছে আড়াই বছরের এক মেয়েশিশু। এ ঘটনায় অপর এক শিশুও গুলিবিদ্ধ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চূড়ামণি আবাসন প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত শিশুর নাম সুখী। তার বাবার দাবি, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের গুলিতেই তাঁর মেয়ে মারা গেছে। তবে পুলিশ বলেছে, ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরেই গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। 
News in Bangladesh
এদিকে পায়ে গুলিবিদ্ধ অপর শিশু শফিকে (১১) স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে একই এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। নিহত সুখীর বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি চূড়ামণি পাহাড়ের লিচুবাগানে কাজ শেষে বিকেল চারটার দিকে বাড়ি ফিরছিলাম। সঙ্গে স্ত্রী ও তার কোলে মেয়ে সুখী ছিল। এ সময় তিন-চারজন সন্ত্রাসী পাহাড় থেকে এসে আমার ভাই আলমগীরকে খুঁজতে থাকে। তারা আমাকেই আলমগীর মনে করে গুলি করে। কিন্তু গুলি লাগে সুখীর গায়ে।’
গুরুতর আহত অবস্থায় সুখীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আলমগীর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেই জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এই হামলা চালান। হামলার সময় একটি গুলি জাহাঙ্গীরের কনুই ছুঁয়ে চলে যায়। এতে তিনি হাতে আঘাত পান।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে জামায়াত-শিবিরের কিছু কর্মী রাতে এই প্রকল্প এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ শুরু হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এমরান ভূঁইয়া বলেন, ‘গ্রামে দুটি বিবদমান পক্ষ আছে বলে জেনেছি। এ ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে ওই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি।


Source: prothom-alo