রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল।
বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
source: prothom-alo
রাজধানীর পল্টন, সচিবালয়, বিজয়নগর, তোপখানা রোড, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো চলছে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব। আজ রোববার দুপুর দুইটা থেকে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের পাশাপাশি চলে হেফাজতের তাণ্ডব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পল্টনের ফুটপাতের শতাধিক দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। কেএফসির একটি দোকানেও আগুন দেন তাঁরা। পল্টনের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাখেন হেফাজতের কর্মীরা। আগুনের একপাশে হেফাজত ও আরেক পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। আমাদের প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, রাস্তার ডিভাইডারের কাঁটাতার ও খুঁটি খুলে নিয়ে আগুন জ্বালিয়েছেন হেফাজতের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন তাঁরা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ছোড়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে সংঘর্ষ। পল্টনের পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন।
সংঘর্ষে ৭০ জন আহত হয়েছেন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহত লোকজনের মধ্যে ১০ জন সংবাদকর্মী ও পাঁচজন পুলিশ। আহত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
News IN Bangaldesh
পল্টন
বেলা দুইটার দিকে পুরানা পল্টনে হেফাজতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল চারটার দিকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, পল্টন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছে। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। হেফাজতের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ছররা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, পল্টন মোড়ে প্রীতম হোটেলের সামনে ও ‘দৈনিক সকালের খবর’ পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালানো হয়েছে। আগুনের একপাশে পুলিশ ও অন্যপাশে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।
বিকেল পাঁচটার দিকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ ছররা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তোপখানা রোড ও বিজয়নগরে দুই দিক দিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হেফাজতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের এক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পল্টনে থেমে থেমে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল।
বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে অবস্থান নেওয়ার পর হেফাজতের কর্মীরা লাঠিসোঁটাসহ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন মোড়ের দিকে রওনা হন। পুলিশ সেখানে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় হেফাজতের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেয়। পরে হেফাজতের কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে চলে যান। পুলিশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের পাশে অবস্থান নেয়।
বেলা একটার দিকে হেফাজতের কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের সীমানার ভেতরে রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন। ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ খোকন নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে হেফাজত ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বাধা দিলে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন হেফাজতের কর্মীরা। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
এরপর দিলকুশা, জিরো পয়েন্ট, মওলানা ভাসানী স্টেডিয়াম, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
source: prothom-alo
ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন। Bangladeshi News Online 24ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।
source: prothom-alo
ঢাকায় আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পরিবহনশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার পরিবহন শ্রমিকেরা আগামীকাল সোমবার সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা মহানগরে ধর্মঘট পালন করবেন। Bangladeshi News Online 24ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় নিহত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা একটি লাঠি মিছিল বের করবেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিদ্দিকুর রহমান হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা তিনটার দিকে তিনি মারা যান। হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট বাসের চালক জুয়েল দাবি করেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে তাঁদের গাড়িটি চলাচল করে। তিন দিন আগে গাড়িটি রিকুইজিশন করে পুলিশ। আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি ও তাঁর সহকারী সিদ্দিকুর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। হঠাত্ করে সিদ্দিকুরের মুখমণ্ডলে ও শরীরে গুলি লাগে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।
source: prothom-alo
মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।
source: prothom-alo
মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে রাত ২ টার দিকে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর তারা পিছু হটেছে বলে জানা গেছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আমাদের প্রতিবেদক জানান, কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপের পর র্যাবের সদস্যরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা দৈনিক বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। BD News24এর আগে রাত ১ টার দিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের শাপলা চত্বর থেকে সরিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চারদিক থেকে এগোতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পল্টন এলাকা থেকে আমাদের প্রতিবেদক রাত পৌনে ২ টার দিকে জানান, র্যাবের সদস্যরা আস্তে আস্তে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেই আছেন বিজিবির সদস্যরা। তবে বিদ্যুত্ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকার। তবে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল থেকে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন। আজ সকাল থেকে হেফাজতের সদস্যরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। পরে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশে যোগ দিতে এসে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। হেফাজতের এই তাণ্ডব ছড়িয়ে পরে পল্টন, সচিবালয়, বিজয় নগর, বায়তুল মোকাররম, নয়াপল্টনসহ পুরো এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। হেফাজতের কর্মীদের সন্ধ্যার পর মতিঝিল ত্যাগ করার কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফীর ওই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েও আবার লালবাগে ফিরে যান তিনি।এদিকে হেফাজতের কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে থাকার আহ্বান জানায়। আগামীকাল থেকে তারাও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চায়। এ অবস্থায় হেফাজতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযান বলে জানা গেছে।
source: prothom-alo
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladeshআজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।
source: prothom-alo
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladeshআজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।
source: prothom-alo