Showing posts with label Savar News. Show all posts
Showing posts with label Savar News. Show all posts

Wednesday, 1 May 2013

Collected by nahidworld
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট ৪০৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৪টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
News24
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২৪ ও মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২২টি লাশ রাখা আছে। সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে আটটি লাশ।
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ কারণে এখন জীবিত উদ্ধার করা ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৪৩৫।
হাইড্রোলিক ক্রেন, হাইড্রোলিক ভাইব্রেটরসহ অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ এগিয়ে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে আরও ১৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে স্বজনদের সমাগম বেড়েই চলেছে।
গত রোববার রাত ১২টা থেকে ভারী যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধার তত্পরতা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০০ টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। ভারী যন্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

source: prothom-alo

সাভারে মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে

Collected by nahidworld
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট ৪০৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৪টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
News24
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২৪ ও মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ২২টি লাশ রাখা আছে। সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে আটটি লাশ।
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ কারণে এখন জীবিত উদ্ধার করা ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৪৩৫।
হাইড্রোলিক ক্রেন, হাইড্রোলিক ভাইব্রেটরসহ অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ এগিয়ে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে আরও ১৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে স্বজনদের সমাগম বেড়েই চলেছে।
গত রোববার রাত ১২টা থেকে ভারী যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধার তত্পরতা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০০ টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। ভারী যন্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

source: prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

‘আমার পা ফিরাই দেন’

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পরের দিন উদ্ধার করা হয় পাখি বেগমকে। উদ্ধারের সময় তাঁর দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। দুই পা হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পাখি বেগম তেমন কোনো কথাই বলছেন না; শুধুই কাঁদছেন। অত্যন্ত ক্ষীণ স্বরে আকুতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার পা ফিরাই দেন...পা ফিরাই দেন।’ 
পাখির ছোট ভাই আসিফ জানান, রানা প্লাজার ষষ্ঠ তলায় মেশিন অপারেটরের কাজ করতেন পাখি। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর অন্য একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে তাঁদের। বড় মেয়ে ইয়াসমিনের বয়স নয় আর ছোট মেয়ে আদরীর বয়স সাত বছর। নিজে উপার্জন করে অভাবের সংসারের বোঝা কমানোর সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন যে পাখি বেগম, এখন দুই পা হারিয়ে তাঁকেই অন্য সবার কাছে বোঝা হয়ে থাকতে হবে বাকি জীবনটা। 
Bangladeshi News24
একই হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেল হবিগঞ্জের আরতি রানী দাশকে। ডান পা কেটে তাঁকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধসে পড়া ভবনটির সপ্তম তলায় কাজ করতেন তিনি। চার বোনের মধ্যে সবার বড় আরতি। চাকরি করে তিনি টাকা পাঠাতেন গ্রামে। তা দিয়েই চলত অন্য বোনদের পড়ালেখা। 
কাতরাতে কাতরাতে আরতি বললেন, ‘এক পা লইয়্যা ক্যামনে কাজ করমু? হের থাইক্যা মরইরা যাওন ভালা ছিল।’ ষষ্ঠ তলায় কাজ করত ১৬ বছরের কিশোরী আন্না। তার ডান হাত চাপা পড়ে। এক দিন পর উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া হাত কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এখন তার ঠাঁই হয়েছে এনাম মেডিকেলের বিছানায়। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আন্না সবার বড়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার তো ডাইন হাতটাই গেল গা, অখন আমি সারাটা জীবন ক্যামনে চলব? আমারে কেডা কাজ দিব?’ আন্নাদের এই প্রশ্নের উত্তর এখন কে দেবে?

source: prothom-alo

আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত


আশা করি প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন: খালেদা

‘মানবতার স্বার্থে’ বিএনপির হরতাল স্থগিত



বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল আগামী ২ মে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে হরতাল স্থগিত করার ঘোষণা দেন। 
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ওই হরতাল ডাকা হয়েছিল।
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com
গণমাধ্যমে পাঠানো বিরোধীদলীয় নেতার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ‘মানবতার স্বার্থে, জাতীয় ট্র্যাজেডির এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিতে’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানের সই করা বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছি, আশা করি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুলে দেবেন। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সম্মত হয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন বলে আমরা আশা করি।’  Hortal Day News24
বিবৃতিতে সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ এবং পোশাক খাত রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ আশা করা হয়।
এসব প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ না নিলে স্থগিত করা হরতাল আবার দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 
খালেদার অভিযোগ, বিরোধী দলের হরতাল ভাঙার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশে, প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোর করে ফাটল ধরা ভবনে সেদিন পোশাক কর্মীদের ঢুকিয়ে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপর পুরো চক্রটি মিলে অপরাধী রানাকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। 
খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাভার ট্র্যাজেডি কীভাবে ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে দেশবাসী জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যতই অস্বীকার করুন না কেন, সকলেই জানে যে মূল অপরাধী ঘৃণ্য সন্ত্রাসী সোহেল রানা সাভার পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যই তাঁর সকল সন্ত্রাস ও অপকর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা গডফাদার। সে কারণেই স্থানীয় প্রশাসন হয়ে উঠেছিল এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসীর হাতের পুতুল।’ 
সাভারে ভবনধসের পর উদ্ধার তত্পরতা নিয়ে সরকার ক্ষমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, শুরু থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নিয়োজিত করলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হতো। খালেদা জিয়া বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা না করে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের প্রশস্তি করানোর দিকেই সরকারের বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।’ 
খালেদা জিয়া বলেন, উদ্ধার তত্পরতায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং টর্চলাইট, অক্সিজেন, পানি, স্যালাইন, কাটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য জনগণের কাছে ক্রমাগত আবেদন প্রমাণ করেছে যে, সরকার এই সামান্য জিনিসগুলোও জোগান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
খালেদা জিয়া বলেন, এত অযোগ্যতা সত্ত্বেও সরকার উদ্ধারকাজে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাগুলোর সহায়তার প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করল, তা-ও দেশবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।
বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগ, সরকার ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করে তা নিজেরা পালন করেনি। সংসদ অধিবেশন স্থগিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বহাল রেখে ট্রেন উদ্বোধন করেন। সাভার ট্র্যাজেডির দিনেও রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানমালা অব্যাহত রাখা হয়। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়, জাতীয় এই শোকের আবহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা করে সেখানে তাঁর স্বভাবসুলভ আপত্তিকর ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন। আর এখন তিনি মানবতার দোহাই দিয়ে বিরোধী দলকে হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন।’

source:  prothom-alo
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

উদ্ধারকাজে ডগ স্কোয়াড, মৃতের সংখ্যা ৩৮৭

সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo