Showing posts with label The Daily Newspeper. Show all posts
Showing posts with label The Daily Newspeper. Show all posts

Tuesday, 14 May 2013

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পরপরই কারাফটক থেকে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
News24
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী থানায় ভাঙচুরের দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে কারাগারে শামীম সাঈদীর জামিনের কাগজপত্র পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনিটে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটক থেকেই গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায়।
ওই সব মামলায় গ্রেপ্তারের পর শামীম সাঈদীকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। ২২ মার্চ তাঁকে রিমান্ডে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ২৩ মার্চ তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source: prothom-alo

জামিনের পর আবার গ্রেপ্তার হলেন সাঈদীর ছেলে

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পরপরই কারাফটক থেকে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
News24
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী থানায় ভাঙচুরের দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে কারাগারে শামীম সাঈদীর জামিনের কাগজপত্র পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনিটে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটক থেকেই গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায়।
ওই সব মামলায় গ্রেপ্তারের পর শামীম সাঈদীকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। ২২ মার্চ তাঁকে রিমান্ডে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ২৩ মার্চ তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source: prothom-alo

Thursday, 9 May 2013

আগামী রোববার (১২ মে) সারা দেশে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে হেফাজতে ইসলাম। তবে একই দিন সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে দলটি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ খবর জানা গেছে।

News In Bangladesh

বিবৃতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান জানান, এটি একটি ন্যায়ভ্রষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়। এই রায়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন ঘটেছে। ট্রাইব্যুনালের এই রায় জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার হাটহাজারী মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষা ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী হরতালের ডাক দেন।
হরতাল ঘোষণার সময় হেফাজতের পক্ষ থেকে তিনটি কর্মসূচির কথা বলা হয়। এগুলো হলো—১২ তারিখ সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোটের ৮ ও ৯ মের হরতালে সমর্থন এবং আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পরে নিহত লোকজনের আত্মার শান্তি ও আহতদের রোগমুক্তির জন্য মসজিদে মসজিদে দোয়া। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১২ তারিখের হরতালের পর ১৩ দফা দাবি আদায়ের জন্য পরবর্তী কর্মসূচি হাতে নেবে হেফাজতে ইসলাম। পরে আজ বিকেলে হঠাত্ করে রোববারের হরতাল স্থগিত করে হেফাজতে ইসলাম।

source: prothom-alo

হেফাজতের স্থগিত, রোববার জামায়াতের হরতালের ডাক

আগামী রোববার (১২ মে) সারা দেশে ডাকা হরতাল স্থগিত করেছে হেফাজতে ইসলাম। তবে একই দিন সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে দলটি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ খবর জানা গেছে।

News In Bangladesh

বিবৃতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান জানান, এটি একটি ন্যায়ভ্রষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়। এই রায়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন ঘটেছে। ট্রাইব্যুনালের এই রায় জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার হাটহাজারী মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষা ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী হরতালের ডাক দেন।
হরতাল ঘোষণার সময় হেফাজতের পক্ষ থেকে তিনটি কর্মসূচির কথা বলা হয়। এগুলো হলো—১২ তারিখ সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোটের ৮ ও ৯ মের হরতালে সমর্থন এবং আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পরে নিহত লোকজনের আত্মার শান্তি ও আহতদের রোগমুক্তির জন্য মসজিদে মসজিদে দোয়া। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১২ তারিখের হরতালের পর ১৩ দফা দাবি আদায়ের জন্য পরবর্তী কর্মসূচি হাতে নেবে হেফাজতে ইসলাম। পরে আজ বিকেলে হঠাত্ করে রোববারের হরতাল স্থগিত করে হেফাজতে ইসলাম।

source: prothom-alo

Sunday, 5 May 2013

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladesh
আজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। 
এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। 
এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।

source: prothom-alo

রাজধানীবাসীকে হেফাজতের পাশে দাঁড়াতে খালেদার আহ্বান

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। News In Bangladesh
আজ রোববার রাতে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাঁর উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে রাতে শামসুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নয়, রাজধানীবাসীকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রোববার সকাল থেকে হেফাজতের কর্মীরা ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর দুপুর থেকে তাঁরা রাজধানীর মতিঝিলে সমাবেশ করছেন। 
এ ছাড়াও দুপুরের পর থেকে পল্টনের আশপাশের এলাকায় হেফাজতের কর্মীরা তাণ্ডব চালান। তাঁরা পুরানা পল্টনের হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবন, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের দোতলায় আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি আগুন নেভাতে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হেফাজতের কর্মীরা তাতে বাধার সৃষ্টি করেন। 
এর পরই খালেদা জিয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের এ নির্দেশ দিলেন।

source: prothom-alo

Wednesday, 1 May 2013

মে দিবস তো কী হইছে! কাজ না করলে খামু কি?’
আজ বুধবার সকালে এ কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিজানুর সওদাগর। পেশায় তিনি দিনমজুর। মহান মে দিবসের এই দিনে যখন সারা বিশ্ব নিপীড়িত শ্রমিকদের স্মরণ করছে, মিজানুর তখন রাজধানীর মিরপুরে একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজে হাতুড়ি চালাচ্ছিলেন।
প্রতিদিনের মতো বৈশাখের প্রচণ্ড গরমে ত্রিশোর্ধ্ব মিজানুরের শরীর গড়িয়ে অঝোর ধারায় ঘাম নেমেছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল রানা, এমদাদুল, আজিজুলরা একইভাবে তৃতীয় তলা ভবনটি ভাঙছিলেন। এই শ্রমের বিনিময়ে আসবে মজুরির টাকা। তা দিয়ে চলবে জীবিকা, সচল থাকবে সংসারের চাকা।
মে দিবসের ইতিহাস পুরোপুরি জানা নেই মিজানুরের। তবে শ্রমিকদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করার দাবি আদায়ের কথা জানেন তিনি। মিজানুর বলেন, ‘আইজ সবাই কয় কাজ করা ঠিক না। তয় আমাগো ট্যাকা কেডা দিব, হেইড্যা কেউই কয় না। আর ট্যাকা না পাইলে খামু কি?’ 
News24
মিজানুর জানান, তাঁদের প্রতিদিনের মজুরি ৩০০ টাকা। তাঁদের মালিক সগীর সওদাগর তৃতীয় তলার এই ভবন ভাঙার ঠিকাদার। এক দিন কাজ না করলে মজুরির টাকা দেবেন না মালিক। টাকা না পেলে খাওয়া তো দূরে থাক, বাসা ভাড়া জোগাড় করা কষ্টকর। মিজানুর বলেন, ‘মজুরির টাকা থ্যাইক্যা কিছুটা রাইখ্যা দিয়া বাগেরহাটে গেরামের বাড়ি পাঠামু।’
মিজানুরদের দাবিতেই আজ মে দিবসে কাজ করানো হচ্ছে বলে দাবি করেন সগীর সওদাগর। তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, ‘আজ কি শ্রমিকদের বোনাস দেয়া যেত না?’ জবাবে মাথা চুলকাতে থাকেন সগীর।
মোহাম্মদপুরে একটি সিমেন্টের দোকানের রিকশাভ্যানের চালক বজলুর রহমান বলেন, ‘একটা বিল্ডিংয়ের ঢালাই হবে, তাই ভ্যানে সিমেন্ট নিয়া যাইতাছি। মে দিবসের কথা কইছি মালিকরে। কিন্তু কোনো কাজ হয় নাই।’
সরকারি কাজের দিনমজুর হারুন মিয়া অবশ্য কাজ করতে না পেরে খুব মন খারাপ করেছেন। কোদাল-টুকরি নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি জানান, শেওড়াপাড়ায় কেবল বাসানোর কাজ করছেন এখন। তবে মে দিবসে যে কাজ হবে না, তা গতকাল তাঁদের জানানো হয়নি। তাই কর্মস্থলে গিয়েও মজুরিশূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ্ব হারুন মিয়াকে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাই, এমনিতেই সরকারি কাজে মজুরি কম, দিনে মাত্র ২৮০ টাকা, তার ওপর আজ কাজ বন্ধ। ট্যাকা তো আর এমনি এমনি দিব না। এখন কী করুম? মে দিবস আমাগো লাইগ্যা না।’

source: prothom-alo

‘কাজ না করলে খামু কি?’

মে দিবস তো কী হইছে! কাজ না করলে খামু কি?’
আজ বুধবার সকালে এ কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিজানুর সওদাগর। পেশায় তিনি দিনমজুর। মহান মে দিবসের এই দিনে যখন সারা বিশ্ব নিপীড়িত শ্রমিকদের স্মরণ করছে, মিজানুর তখন রাজধানীর মিরপুরে একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজে হাতুড়ি চালাচ্ছিলেন।
প্রতিদিনের মতো বৈশাখের প্রচণ্ড গরমে ত্রিশোর্ধ্ব মিজানুরের শরীর গড়িয়ে অঝোর ধারায় ঘাম নেমেছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল রানা, এমদাদুল, আজিজুলরা একইভাবে তৃতীয় তলা ভবনটি ভাঙছিলেন। এই শ্রমের বিনিময়ে আসবে মজুরির টাকা। তা দিয়ে চলবে জীবিকা, সচল থাকবে সংসারের চাকা।
মে দিবসের ইতিহাস পুরোপুরি জানা নেই মিজানুরের। তবে শ্রমিকদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করার দাবি আদায়ের কথা জানেন তিনি। মিজানুর বলেন, ‘আইজ সবাই কয় কাজ করা ঠিক না। তয় আমাগো ট্যাকা কেডা দিব, হেইড্যা কেউই কয় না। আর ট্যাকা না পাইলে খামু কি?’ 
News24
মিজানুর জানান, তাঁদের প্রতিদিনের মজুরি ৩০০ টাকা। তাঁদের মালিক সগীর সওদাগর তৃতীয় তলার এই ভবন ভাঙার ঠিকাদার। এক দিন কাজ না করলে মজুরির টাকা দেবেন না মালিক। টাকা না পেলে খাওয়া তো দূরে থাক, বাসা ভাড়া জোগাড় করা কষ্টকর। মিজানুর বলেন, ‘মজুরির টাকা থ্যাইক্যা কিছুটা রাইখ্যা দিয়া বাগেরহাটে গেরামের বাড়ি পাঠামু।’
মিজানুরদের দাবিতেই আজ মে দিবসে কাজ করানো হচ্ছে বলে দাবি করেন সগীর সওদাগর। তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, ‘আজ কি শ্রমিকদের বোনাস দেয়া যেত না?’ জবাবে মাথা চুলকাতে থাকেন সগীর।
মোহাম্মদপুরে একটি সিমেন্টের দোকানের রিকশাভ্যানের চালক বজলুর রহমান বলেন, ‘একটা বিল্ডিংয়ের ঢালাই হবে, তাই ভ্যানে সিমেন্ট নিয়া যাইতাছি। মে দিবসের কথা কইছি মালিকরে। কিন্তু কোনো কাজ হয় নাই।’
সরকারি কাজের দিনমজুর হারুন মিয়া অবশ্য কাজ করতে না পেরে খুব মন খারাপ করেছেন। কোদাল-টুকরি নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি জানান, শেওড়াপাড়ায় কেবল বাসানোর কাজ করছেন এখন। তবে মে দিবসে যে কাজ হবে না, তা গতকাল তাঁদের জানানো হয়নি। তাই কর্মস্থলে গিয়েও মজুরিশূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ্ব হারুন মিয়াকে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাই, এমনিতেই সরকারি কাজে মজুরি কম, দিনে মাত্র ২৮০ টাকা, তার ওপর আজ কাজ বন্ধ। ট্যাকা তো আর এমনি এমনি দিব না। এখন কী করুম? মে দিবস আমাগো লাইগ্যা না।’

source: prothom-alo

Tuesday, 30 April 2013

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo

এ বিজয় নারীর: স্পিকার, প্রথম নারী স্পিকার হলেন শিরীন শারমিন

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্পিকার পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
News24
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে শিরীন শারমিন প্রথম নারী স্পিকার। এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে সংরক্ষিত নারী কোটার কোনো সাংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা হুইপ নির্বাচিত হওয়ার নজির নেই।
আজ বিকেল সোয়া পাঁচটায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন। 
এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় শিরীন শারমিনকে স্পিকার পদে নির্বাচন করা যেতে পারে। এরপর শওকত আলী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবটি ভোটে দেন এবং তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে পাস হয়। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্পিকারের পদটি শূন্য হয়।

এ বিজয় নারীর
রাতে অধিবেশন শেষে সংসদের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, হুইপ এবং সাংসদদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 
শপথ শেষে নিজ কক্ষে শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সম্মানিত। সাংবিধানিক এ পদে নারী হিসেবে স্পিকারের দায়িত্ব পাওয়ায় ও সুযোগ করে দেওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এ অর্জন দেশের সকল নারীর। এ বিজয় নারীর।’ 
বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আগামী অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরোধী দল আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন
শিরীন শারমিন চৌধুরী সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৩১ এর সদস্য। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এক-এগারোর সরকারের সময় শেখ হাসিনা যখন কারারুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করলে শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী কোটায় সাংসদ নির্বাচিত হন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাঁকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রফিকউল্যাহ চৌধুরী, মা নাইয়ার সুলতানা। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। দুটিতেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ ছাড়া তিনি ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি) নেন।
শিরীন শারমিন ২০০০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিগ্যাল এডুকেশন উপকমিটির সদস্য এবং ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হন

source: prothom-alo
সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

উদ্ধারকাজে ডগ স্কোয়াড, মৃতের সংখ্যা ৩৮৭

সাভারে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।
গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার ভবনধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ব্যক্তি বা লাশ উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
Bangladeshi News24
এদিকে ধ্বংসস্তূপের আশপাশে প্রিয়জনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ভিড় করে আছেন। স্বজনদের খোঁজে আসা অনেক ব্যক্তিকে আজ সকাল আটটার দিকে দুটি বাসে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রাখা ৫২টি লাশ শনাক্ত করতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০টি ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২টি মরদেহ রাখা হয়েছে। 
সাভার থানা-পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁদের তথ্যমতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ৯৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। 
গতকাল বেরা সাড়ে তিনটার দিকে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১০৭, সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ২১৪ এবং অন্যান্য হাসপাতালে ৭৪ জন চিকিত্সাধীন আছেন। অন্যরা চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
গত রোববার রাত ১১টার পর ভারী যন্ত্র দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ও যন্ত্রনির্ভর বলে এ কাজে কোনো স্বেচ্ছাসেবককে রাখা হয়নি।
২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে নয় তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে।

source: prothom-alo

Monday, 29 April 2013

সহজে বাঁকানো সম্ভব ও নমনীয় ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এলজি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
News24
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোন প্রযুক্তির উন্নয়নে নমনীয় ডিসপ্লে তৈরির বিষয়টি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবেই ধরা হচ্ছে। শিগগিরই নমনীয় বা বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আনবে এলজি।
দীর্ঘদিন ধরেই নমনীয় বা সহজেই ভাঁজ করা সম্ভব, এমন ডিসপ্লে তৈরির কথা বলছেন গবেষকেরা। ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাঁকানো ডিসপ্লে প্রদর্শন করেছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্যামসাং ছাড়াও নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে নকিয়া।
সাধারণত স্মার্টফোন তৈরিতে কাচ ব্যবহার করার কারণে তা পড়ে গেলে সহজেই ভেঙে যায় এবং ওজনে ভারী হয়। নমনীয় ডিসপ্লে তৈরিতে কাচের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়।
স্মার্টফোন ছাড়াও নমনীয় এই স্ক্রিন স্মার্ট-ওয়াচ বা স্মার্ট হাতঘড়ির জন্য মানানসই। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তির স্মার্টফোন এমনকি স্মার্ট হাতঘড়িও তৈরি করতে পারে এলজি।
এলজি মোবাইল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এলজির ডিসপ্লে বিভাগের তৈরি নমনীয় ওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত একটি স্মার্টফোন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসতে পারে।
এদিকে বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান দখল করছে এলজি। বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং ও অ্যাপলের পরের স্থানটি এলজির।


source: prothom-alo

নমনীয় স্মার্টফোন আনছে এলজি

সহজে বাঁকানো সম্ভব ও নমনীয় ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এলজি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
News24
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোন প্রযুক্তির উন্নয়নে নমনীয় ডিসপ্লে তৈরির বিষয়টি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবেই ধরা হচ্ছে। শিগগিরই নমনীয় বা বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আনবে এলজি।
দীর্ঘদিন ধরেই নমনীয় বা সহজেই ভাঁজ করা সম্ভব, এমন ডিসপ্লে তৈরির কথা বলছেন গবেষকেরা। ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাঁকানো ডিসপ্লে প্রদর্শন করেছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্যামসাং ছাড়াও নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে নকিয়া।
সাধারণত স্মার্টফোন তৈরিতে কাচ ব্যবহার করার কারণে তা পড়ে গেলে সহজেই ভেঙে যায় এবং ওজনে ভারী হয়। নমনীয় ডিসপ্লে তৈরিতে কাচের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়।
স্মার্টফোন ছাড়াও নমনীয় এই স্ক্রিন স্মার্ট-ওয়াচ বা স্মার্ট হাতঘড়ির জন্য মানানসই। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তির স্মার্টফোন এমনকি স্মার্ট হাতঘড়িও তৈরি করতে পারে এলজি।
এলজি মোবাইল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এলজির ডিসপ্লে বিভাগের তৈরি নমনীয় ওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত একটি স্মার্টফোন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসতে পারে।
এদিকে বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান দখল করছে এলজি। বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং ও অ্যাপলের পরের স্থানটি এলজির।


source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comশিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল শিরিন শারমিন চৌধুরীকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। কাল জাতীয় সংসদে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে। 
News In Bangladesh
বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সর্বসম্মতভাবে স্পিকার পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার দূর্ঘটনার পর দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। পরে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই বৈঠকে স্পিকার মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ পর্যায়ে তিনি দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্পিকার পদে নাম ঘোষণার আহ্বান জানান।
সৈয়দ আশরাফ দলের ভবিষ্যত্, নতুন নেতৃত্ব এবং নারীর প্রতি মর্যাদার কথাতুলে ধরে স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন। এসময় তুমুল করতালি দিয়ে সাংসদেরা তা সমর্থন করেন। পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের মনোনয়নের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশে একটা ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতার পর স্পিকার পদেও নারী আসছেন। এ তিনটি পদে নারী পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


source: prothom-alo

কাল স্পিকার নির্বাচন, প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন শিরীন শারমিন

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comশিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল শিরিন শারমিন চৌধুরীকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। কাল জাতীয় সংসদে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে। 
News In Bangladesh
বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সর্বসম্মতভাবে স্পিকার পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার দূর্ঘটনার পর দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। পরে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই বৈঠকে স্পিকার মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ পর্যায়ে তিনি দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্পিকার পদে নাম ঘোষণার আহ্বান জানান।
সৈয়দ আশরাফ দলের ভবিষ্যত্, নতুন নেতৃত্ব এবং নারীর প্রতি মর্যাদার কথাতুলে ধরে স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন। এসময় তুমুল করতালি দিয়ে সাংসদেরা তা সমর্থন করেন। পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন স্পিকার হিসাবে শিরিন শারমিন চৌধুরীকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের মনোনয়নের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশে একটা ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতার পর স্পিকার পদেও নারী আসছেন। এ তিনটি পদে নারী পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


source: prothom-alo
হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ

হারারেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের বড় হার। তবে আজ সোমবার সমাপ্ত দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আগের টেস্ট জয়টা এসেছিল ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আজকের জয়টা বাংলাদেশের চতুর্থ। 
গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, সুবাসের তীব্রতা বাড়ছিল তত। বাংলাদেশ প্রত্যাশিত জয় পেলেও ‘পথের কাঁটা’ হয়ে ছিলেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
৪ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে আজ টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। তবে নিজেদের ইনিংসটা বেশি দূর নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ২৫৭ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। গতকাল তিনি ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন মাসাকাদজা।  
News24
বাংলাদেশের সফলতম বোলার জিয়াউর রহমান। গতকাল দুটি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আজ আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। গতকাল দুই উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান আজ একটি উইকেট নেন।
এই টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ৩৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ৯ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৯১/১০
সাকিব ৮১, নাসির ৭৭, মুশফিকুর ৬০, তামিম ৪৯
চিগুম্বুরা ৩/৭৫, মেথ ২/৪১, ক্রেমার ২/১০৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ২৮২/১০
চিগুম্বুরা ৮৬, মুতুম্বামি ৪২, টেলর ৩৬, ওয়ালার ৩২
রবিউল ৫/৮৫, সোহাগ ৪/৫৯
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৯১/৯, ঘোষণা
মুশফিকুর ৯৩, নাসির ৬৭*, সাকিব ৫৯
শিঙ্গি ৪/৫৮, মাসাকাদজা ৩/২৪
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৭/১০
মাসাকাদজা ১১১*, সিবান্দা ৩২, শিঙ্গি ২৪, চাকাবা ২২
জিয়াউর ৪/৬৩, সাকিব ৩/৫২
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১-এ সমতা।


source: prothom-alo

Sunday, 28 April 2013

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/রানা প্লাজা খোলা রাখতে পোশাক কারখানার মালিকেরাই বাধ্য করেছিলেন বলে দাবি করেছেন ভবনের মালিক সোহেল রানা। আজ রোববার উত্তরায় র্যাবের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর তিনিসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রশ্ন করলে সোহেল রানা এ দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন, পোশাক কারখানার মালিকেরাই তাঁকে ভবন খোলা রাখতে বাধ্য করেছিলেন। কারখানার মালিকেরা বলেছিলেন, কাজ বন্ধ থাকলে তাঁদের শিপমেন্ট বাতিল হয়ে যাবে, ব্যবসার ক্ষতি হবে। সোহেল রানা বলেন, ভবন অতিরিক্ত ওজনের চাপ হচ্ছে-এ ব্যাপারে তিনি বেশ কয়েকবার কারখানার মালিকদের লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। ভবনের নিচে তাঁর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আছে বলে দাবি করেন তিনি। সাংসদ মুরাদ জংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ব্যাপার জানতে চাইলে রানা র্যাবকে বলেন, তিনি দল করেন, সে কারণে সাংসদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা আছে। ঘটনার পরও তিনি সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে পালিয়ে আসার তিনি কোনো ফোন ব্যবহার করতেন না বলে দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন তিনি সাভার পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন আহত হয়ে তিনি একটি হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নেওয়ার পর পালিয়ে যান।
newspapers24
উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেসে ফেন্সিডিল
র্যাব কর্মকর্তারা সোহেলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেস থেকে দুই বোতল ফেন্সিডিল, পাঁচ ধরনের ট্যাবলেট, পাঁচ প্যাকেট স্যালাইন, একটি কলম, একটি সিগারেটের প্যাকেট, পাঁচটি সুইংগাম, তিনটি মুঠোফোন ও কিছু কাপড় চোপড় জব্দ করেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন রানা
সাভারের রানা প্লাজার নিজ কার্যালয়ে ছিলেন মালিক সোহেল রানা। ভবনটি ধসে পড়ার পর তিনিও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে সাহায্য চাইলে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। আজ উত্তরায় র্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভবনের নিচের তলার পূর্ব দিকে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচজন ছিল। ভবন ধসের পর তিনিসহ পাঁচজনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। এরপর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে কয়েকজন স্থানীয় লোকজনকে সাহায্যের আবেদন করেন তিনি। ওই লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা সেখানে চিকিত্সা নিয়ে তিনি বের হয়ে আসেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা মোহাম্মদপুরে শামীম নামের তাঁর এক বন্ধুর বাসায় উঠেন। সেখানে রাতে অবস্থান করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার তিনি মানিকগঞ্জে আফজাল নামের আরেক বন্ধুর বাসায় চলে যান। শুক্রবার রাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জে ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে পদ্মা নদী পার হয়ে যান ফরিদপুরে অনীল কুমারের বাসায়। সেখানে একদিন ছিলেন তিনি। পরদিন শনিবার রাতে সোহেলকে নিয়ে যশোরের ঝিকড়গাছায় অনীলের বাসায় যান। সেখানে শাহ আলম মিঠুর কাছে সোহেল রানাকে হস্তান্তর করেন অনীল। শাহ আলম সেখান থেকে সোহেল রানাকে বেনাপোলের বলফিল্ড এলাকায় তাঁর বাসায় নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, র্যাব সোহেল রানার সঙ্গে শাহ আলম ও অনীল কুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে।


source: prothom-alo

পোশাক কারখানার মালিকদের দুষলেন রানা

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/রানা প্লাজা খোলা রাখতে পোশাক কারখানার মালিকেরাই বাধ্য করেছিলেন বলে দাবি করেছেন ভবনের মালিক সোহেল রানা। আজ রোববার উত্তরায় র্যাবের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর তিনিসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রশ্ন করলে সোহেল রানা এ দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন, পোশাক কারখানার মালিকেরাই তাঁকে ভবন খোলা রাখতে বাধ্য করেছিলেন। কারখানার মালিকেরা বলেছিলেন, কাজ বন্ধ থাকলে তাঁদের শিপমেন্ট বাতিল হয়ে যাবে, ব্যবসার ক্ষতি হবে। সোহেল রানা বলেন, ভবন অতিরিক্ত ওজনের চাপ হচ্ছে-এ ব্যাপারে তিনি বেশ কয়েকবার কারখানার মালিকদের লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। ভবনের নিচে তাঁর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আছে বলে দাবি করেন তিনি। সাংসদ মুরাদ জংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ব্যাপার জানতে চাইলে রানা র্যাবকে বলেন, তিনি দল করেন, সে কারণে সাংসদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা আছে। ঘটনার পরও তিনি সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে পালিয়ে আসার তিনি কোনো ফোন ব্যবহার করতেন না বলে দাবি করেন। 
সোহেল রানা বলেন তিনি সাভার পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন আহত হয়ে তিনি একটি হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নেওয়ার পর পালিয়ে যান।
newspapers24
উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেসে ফেন্সিডিল
র্যাব কর্মকর্তারা সোহেলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্রিফকেস থেকে দুই বোতল ফেন্সিডিল, পাঁচ ধরনের ট্যাবলেট, পাঁচ প্যাকেট স্যালাইন, একটি কলম, একটি সিগারেটের প্যাকেট, পাঁচটি সুইংগাম, তিনটি মুঠোফোন ও কিছু কাপড় চোপড় জব্দ করেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন রানা
সাভারের রানা প্লাজার নিজ কার্যালয়ে ছিলেন মালিক সোহেল রানা। ভবনটি ধসে পড়ার পর তিনিও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে সাহায্য চাইলে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। আজ উত্তরায় র্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের পর র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভবনের নিচের তলার পূর্ব দিকে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচজন ছিল। ভবন ধসের পর তিনিসহ পাঁচজনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। এরপর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে কয়েকজন স্থানীয় লোকজনকে সাহায্যের আবেদন করেন তিনি। ওই লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা সেখানে চিকিত্সা নিয়ে তিনি বের হয়ে আসেন। 
জিয়াউল আহসান বলেন, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা মোহাম্মদপুরে শামীম নামের তাঁর এক বন্ধুর বাসায় উঠেন। সেখানে রাতে অবস্থান করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার তিনি মানিকগঞ্জে আফজাল নামের আরেক বন্ধুর বাসায় চলে যান। শুক্রবার রাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জে ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে পদ্মা নদী পার হয়ে যান ফরিদপুরে অনীল কুমারের বাসায়। সেখানে একদিন ছিলেন তিনি। পরদিন শনিবার রাতে সোহেলকে নিয়ে যশোরের ঝিকড়গাছায় অনীলের বাসায় যান। সেখানে শাহ আলম মিঠুর কাছে সোহেল রানাকে হস্তান্তর করেন অনীল। শাহ আলম সেখান থেকে সোহেল রানাকে বেনাপোলের বলফিল্ড এলাকায় তাঁর বাসায় নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, র্যাব সোহেল রানার সঙ্গে শাহ আলম ও অনীল কুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে।


source: prothom-alo
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com

বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন রানা: র‌্যাব

http://bangladeshnewspapers24.blogspot.comর‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেছেন, সাভারে রানা প্লাজা ধসের দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় সোহেল রানা আত্মগোপন করেছিলেন। গোপন সূত্রে র‌্যাব জানতে পারে, সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে গেছেন। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাব মূল অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। 
আজ রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানাকে র‌্যাবের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক। 
News In Bangladesh
মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘রানা প্লাজা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও ভবনের মালিক সোহেল রানা শ্রমিকদের সেখানে কাজ করতে বাধ্য করেন। আমরা সবাই জানি, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য মূলত সোহেল রানা দায়ী।’ সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রভাবশালীরা কেউ সোহেল রানাকে আশ্রয় দিয়েছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রশ্রয় দেননি। কেউ প্রশ্রয় দিলে তিনি এক জায়গাতেই থাকতেন। কিন্তু সোহেল রানা ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিলেন।
র‌্যাবের মহাপরিচালক আরও জানান, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইমারত আইনে মামলা হবে। এ ছাড়া তাঁর কাছে ফেনসিডিল থাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।


source: prothom-alo.com

Saturday, 27 April 2013

‘সন্ধান চাই, জীবিত অথবা মৃত’—কাগজে লেখা এই বাক্যের সঙ্গে ছবি, নাম, ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর। কোনোটিতে ছবি-পরিচয় দিয়ে লেখা ‘সন্ধান চাই’ মানুষের সন্ধান চেয়ে এমন পোস্টারে ছেয়ে গেছে সাভারের বিভিন্ন হাসপাতালের প্রবেশপথ, অধরচন্দ্র স্কুল ও আশপাশের দেয়াল। 

পাশাপাশি অনেকে প্রিয় স্বজনের খোঁজে ছবিসহ নাম-পরিচয় লেখা কাগজ বা কেবল ছবি হাতে নিয়ে ঘুরছেন। কোনো ছবি পাসপোর্ট সাইজের, কোনোটি বড়, কোনোটি স্বামী, স্ত্রী, ভাই বা পরিবারের সঙ্গে। ছবিগুলো তোলা হয়েছে স্টুডিওতে, সেজেগুজে। এখন এসব ছবির কোনো কোনো মানুষ চাপা পড়ে আছেন ধ্বংসস্তূপে। বাইরে থাকা স্বজনেরা কান্নাভরা চোখে খুঁজে ফিরছেন তাঁদের। ছবি ছাড়া পোস্টারও আছে, সেই সব পোস্টারে দেওয়া আছে নিখোঁজ ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র।
সাভার থানার পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ভবনধসের ঘটনায় নিখোঁজের সংখ্যা ৬৩৮ জন। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীর করা তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা ৬৯০।
ফায়ার সার্ভিস ও গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে তিন হাজারের মতো মানুষ কাজ করছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৩০০ লাশ আর জীবিত অবস্থায় দুই হাজারের বেশি মানুষ। ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে জীবিত উদ্ধার করা মানুষ ও লাশের সংখ্যা।
সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ২৯৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬১৩ জন। আর চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৮৪ জন। মন্ত্রণালয়ের কাছে সব মিলিয়ে এক হাজার ৭৯০ জনকে জীবিত ও মৃত অবস্থায় উদ্ধারের হিসাব রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া কয়েকজন পোশাকশ্রমিক বলেছেন, তাঁরা আশপাশে অনেক লাশ দেখেছেন। উদ্ধারকর্মীরাও জানিয়েছেন, এখনো অনেক লাশ আটকে রয়েছে। এই আটকে পড়াদেরই খুঁজে ফিরছেন স্বজনেরা।
নিখোঁজ কত: সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুর রহমান বলেন, সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত তাঁদের নিখোঁজ তালিকায় ৬৩৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাবের শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ মানুষের তালিকা করা শুরু করেছেন গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রবেশমুখে টেবিল-চেয়ার নিয়ে বসেছে তাঁদের একটি অংশ। আর ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে আরেকটি অংশ সাভারের বিভিন্ন হাসপাতাল, অধরচন্দ্র স্কুল আর ঘটনাস্থলে ঘুরে ঘুরে তালিকা করছে। 
NEWS IN BANGLADESH
এই দলের একজন শিক্ষার্থী রাজিবুল ইসলাম বলেন, রাত আটটা পর্যন্ত তাঁরা ৬৯০ জন নিখোঁজ ব্যক্তির তালিকা করতে পেরেছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম, বয়স, খোঁজে আসা অভিভাবক বা ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মুঠোফোন নম্বর তাঁরা তথ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন। আরও প্রায় ৩০টি নাম কাগজে লিখে নিয়ে এসেছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো যাচাই করে তালিকাভুক্ত করা হবে।
স্বজনের খোঁজে পথে পথে: নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে সাভারের পথে পথে তিন দিন ধরে ঘুরছেন অসংখ্য মানুষ। তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতাল, অধরচন্দ্র স্কুল, ঘটনাস্থলসহ আশপাশে খুঁজছেন স্বজনদের।
গতকাল সকালে এনাম হাসপাতালের পাশে দেখা যায়, ছেলে সঙ্গীত দাসের খোঁজে দেয়ালে পোস্টার লাগাচ্ছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব সত্যজিৎ দাস। সঙ্গীত রানা প্লাজার ষষ্ঠতলায় কাজ করতেন। ছেলের খোঁজে ঘুরতে ঘুরতে তিনিই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া পানি আর খাবার খেয়েই রয়েছেন তিন দিন। খাবার কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকাও তাঁর কাছে নেই।
সত্যজিতের সঙ্গে কথা বলার সময় চারদিক থেকে ঘিরে ধরলেন জনা পঞ্চাশেক মানুষ। সবাই ঘুরছেন নিখোঁজ স্বজনের সন্ধানে। কার কাছে গেলে মিলবে খোঁজ, তা জানেন না কেউই। তাই যেখানেই সামান্যতম সুযোগ দেখছেন, সেখানেই ধরনা দিচ্ছেন তাঁরা।
এঁদের মধ্যে ভাই কামরুলকে খুঁজছেন মিন্টু, মেয়ে শান্তাকে খুঁজছেন শাহিদা, স্ত্রী সুমীকে খুঁজছেন আসাদুল, ভগ্নিপতি কামালের খোঁজে এসেছেন সুমন, ভাতিজা জাহিদকে খুঁজছেন জিয়াউর, ভগ্নিপতি রিদওয়ান ও ভাগনে শিহাবকে (রিদওয়ানের ছেলে) খুঁজছেন জাফর আলী।
এ রকম অনেক মানুষ ঘুরছেন হাসপাতালে, অধরচন্দ্র স্কুলে, ঘটনাস্থলে। সাভারে খুঁজে না পেয়ে কেউ কেউ রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গেও আসছেন। শনাক্ত না হওয়া ২৩টি লাশ রয়েছে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে।

source: prothom-alo

‘সন্ধান চাই, জীবিত অথবা মৃত’

‘সন্ধান চাই, জীবিত অথবা মৃত’—কাগজে লেখা এই বাক্যের সঙ্গে ছবি, নাম, ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর। কোনোটিতে ছবি-পরিচয় দিয়ে লেখা ‘সন্ধান চাই’ মানুষের সন্ধান চেয়ে এমন পোস্টারে ছেয়ে গেছে সাভারের বিভিন্ন হাসপাতালের প্রবেশপথ, অধরচন্দ্র স্কুল ও আশপাশের দেয়াল। 

পাশাপাশি অনেকে প্রিয় স্বজনের খোঁজে ছবিসহ নাম-পরিচয় লেখা কাগজ বা কেবল ছবি হাতে নিয়ে ঘুরছেন। কোনো ছবি পাসপোর্ট সাইজের, কোনোটি বড়, কোনোটি স্বামী, স্ত্রী, ভাই বা পরিবারের সঙ্গে। ছবিগুলো তোলা হয়েছে স্টুডিওতে, সেজেগুজে। এখন এসব ছবির কোনো কোনো মানুষ চাপা পড়ে আছেন ধ্বংসস্তূপে। বাইরে থাকা স্বজনেরা কান্নাভরা চোখে খুঁজে ফিরছেন তাঁদের। ছবি ছাড়া পোস্টারও আছে, সেই সব পোস্টারে দেওয়া আছে নিখোঁজ ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র।
সাভার থানার পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ভবনধসের ঘটনায় নিখোঁজের সংখ্যা ৬৩৮ জন। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীর করা তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা ৬৯০।
ফায়ার সার্ভিস ও গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে তিন হাজারের মতো মানুষ কাজ করছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৩০০ লাশ আর জীবিত অবস্থায় দুই হাজারের বেশি মানুষ। ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে জীবিত উদ্ধার করা মানুষ ও লাশের সংখ্যা।
সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ২৯৩টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬১৩ জন। আর চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৮৪ জন। মন্ত্রণালয়ের কাছে সব মিলিয়ে এক হাজার ৭৯০ জনকে জীবিত ও মৃত অবস্থায় উদ্ধারের হিসাব রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া কয়েকজন পোশাকশ্রমিক বলেছেন, তাঁরা আশপাশে অনেক লাশ দেখেছেন। উদ্ধারকর্মীরাও জানিয়েছেন, এখনো অনেক লাশ আটকে রয়েছে। এই আটকে পড়াদেরই খুঁজে ফিরছেন স্বজনেরা।
নিখোঁজ কত: সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুর রহমান বলেন, সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত তাঁদের নিখোঁজ তালিকায় ৬৩৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাবের শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ মানুষের তালিকা করা শুরু করেছেন গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রবেশমুখে টেবিল-চেয়ার নিয়ে বসেছে তাঁদের একটি অংশ। আর ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে আরেকটি অংশ সাভারের বিভিন্ন হাসপাতাল, অধরচন্দ্র স্কুল আর ঘটনাস্থলে ঘুরে ঘুরে তালিকা করছে। 
NEWS IN BANGLADESH
এই দলের একজন শিক্ষার্থী রাজিবুল ইসলাম বলেন, রাত আটটা পর্যন্ত তাঁরা ৬৯০ জন নিখোঁজ ব্যক্তির তালিকা করতে পেরেছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম, বয়স, খোঁজে আসা অভিভাবক বা ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মুঠোফোন নম্বর তাঁরা তথ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন। আরও প্রায় ৩০টি নাম কাগজে লিখে নিয়ে এসেছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো যাচাই করে তালিকাভুক্ত করা হবে।
স্বজনের খোঁজে পথে পথে: নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে সাভারের পথে পথে তিন দিন ধরে ঘুরছেন অসংখ্য মানুষ। তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতাল, অধরচন্দ্র স্কুল, ঘটনাস্থলসহ আশপাশে খুঁজছেন স্বজনদের।
গতকাল সকালে এনাম হাসপাতালের পাশে দেখা যায়, ছেলে সঙ্গীত দাসের খোঁজে দেয়ালে পোস্টার লাগাচ্ছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব সত্যজিৎ দাস। সঙ্গীত রানা প্লাজার ষষ্ঠতলায় কাজ করতেন। ছেলের খোঁজে ঘুরতে ঘুরতে তিনিই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া পানি আর খাবার খেয়েই রয়েছেন তিন দিন। খাবার কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকাও তাঁর কাছে নেই।
সত্যজিতের সঙ্গে কথা বলার সময় চারদিক থেকে ঘিরে ধরলেন জনা পঞ্চাশেক মানুষ। সবাই ঘুরছেন নিখোঁজ স্বজনের সন্ধানে। কার কাছে গেলে মিলবে খোঁজ, তা জানেন না কেউই। তাই যেখানেই সামান্যতম সুযোগ দেখছেন, সেখানেই ধরনা দিচ্ছেন তাঁরা।
এঁদের মধ্যে ভাই কামরুলকে খুঁজছেন মিন্টু, মেয়ে শান্তাকে খুঁজছেন শাহিদা, স্ত্রী সুমীকে খুঁজছেন আসাদুল, ভগ্নিপতি কামালের খোঁজে এসেছেন সুমন, ভাতিজা জাহিদকে খুঁজছেন জিয়াউর, ভগ্নিপতি রিদওয়ান ও ভাগনে শিহাবকে (রিদওয়ানের ছেলে) খুঁজছেন জাফর আলী।
এ রকম অনেক মানুষ ঘুরছেন হাসপাতালে, অধরচন্দ্র স্কুলে, ঘটনাস্থলে। সাভারে খুঁজে না পেয়ে কেউ কেউ রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গেও আসছেন। শনাক্ত না হওয়া ২৩টি লাশ রয়েছে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে।

source: prothom-alo
সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo

মৃতের সংখ্যা ৩৫০, নিখোঁজ ৮৬৯

সাভারে ভবনধসের ঘটনায় আজ শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ জনে পৌঁছেছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে উদ্ধারকাজ কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে উদ্ধারকাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। 


স্থানীয় অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে লাশ হস্তান্তর কাজে যুক্ত সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, এ পর্যন্ত ৩৪১টি মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে ছয়টি মরদেহ। নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশের খোঁজে স্বজনেরা অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভিড় করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত নিখোঁজ হিসেবে ৮৬৯ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও শতাধিক ব্যক্তি স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করার অপেক্ষায় আছেন।
উদ্ধারকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধসে পড়া ভবনের পাশে অপেক্ষায় আছেন অনেকে। 
News in Bangladesh
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। কিন্তু নয়তলা ভবনটি ধসে প্রথম তলার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভেতরে থাকা লাশে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধের কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেক মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখা গেছে।
গত বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এর দুই দিন আগে ভবনটির পিলারে ফাটল ধরা পড়েছিল।


Source: prothom-alo
গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo

৪ মে মহাসমাবেশ গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের

গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলন আগামী ৪ মে বেলা তিনটায় রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, হতাহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 
http://bangladeshnewspapers24.blogspot.com/

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক শোক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন গার্মেন্টস শ্রমিক রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জেড এম কামরুল আনাম।
এর আগে সাভারের রানা প্লাজায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি কদমফুল ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।  
Bangla News
ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে রানা প্লাজা ধসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, প্রকৃত নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, পোশাকশিল্পের ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং দেশি-বিদেশি ভাবমূর্তির ঘাটতি পূরণে ওই ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও নিবন্ধন বাতিল, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত ব্যক্তিদের সুচিকিত্সা ও আপত্কালীন ক্ষতিপূরণ প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রানা প্লাজার মালিক ও ওই ভবনের কারখানার মালিকদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান প্রভৃতি।


Source: prothom-alo
আগামী ২ মে সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। সাভারে ভবন ধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে।
এছাড়াও সাভারের রানা প্লাজা ধসে পড়ার প্রতিবাদে ৩০ এপ্রিল শোক দিবস পালন করবে ১৮ দলীয় জোট। ওই দিন শোক র‌্যালিও বের করবে তারা। 
News24
৪ মে ঢাকায় একটি জনসভা করবে ১৮ দলীয় জোট। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেবেন। 
আজ শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলীয় জোট নেতাদের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জোটের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক হয়। এর পর ১৮ দলীয় জোটের এক বৈঠক হয়। বৈঠকে জোট নেতারা অংশ নেন।


Source: prothom-alo

২ মে সারা হরতালের ডাক দিয়েছে ১৮ দলীয় জোট

আগামী ২ মে সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। সাভারে ভবন ধসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে।
এছাড়াও সাভারের রানা প্লাজা ধসে পড়ার প্রতিবাদে ৩০ এপ্রিল শোক দিবস পালন করবে ১৮ দলীয় জোট। ওই দিন শোক র‌্যালিও বের করবে তারা। 
News24
৪ মে ঢাকায় একটি জনসভা করবে ১৮ দলীয় জোট। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেবেন। 
আজ শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও ১৮ দলীয় জোট নেতাদের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জোটের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক হয়। এর পর ১৮ দলীয় জোটের এক বৈঠক হয়। বৈঠকে জোট নেতারা অংশ নেন।


Source: prothom-alo

Friday, 26 April 2013

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo

কী নামে ডাকি তাঁদের

তাঁরা কেউ কাউকে চেনেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধসে পড়া ভবনের ভেতর ঢুকে পরিচয়। পরস্পরের নামও জানা নেই। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গত বুধবার থেকেই ভবনের ভেতর ঢুকে উদ্ধার করেন জীবিত-মৃত শ খানেক মানুষকে। এর মধ্যে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ছুরি আর হ্যাক্সো ব্লেড চালিয়ে পা কেটে চারজনকে, হাত কেটে একজনকে জীবিত বের করে এনেছেন তাঁরা। 

দীর্ঘ পরিশ্রম আর ভবনের ভেতরের গুমোট পরিবেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের চারজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনা হয় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে আসার পর চারজন পরস্পরের নাম জানতে পারেন। আর তখনই জানা যায়, এই কয়েকজন যুবকের জীবন বাজি রেখে স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হওয়ার এক অসামান্য গল্প।
এই চারজন হলেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রুবেল, স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র আবির হোসেন, পোশাকসামগ্রীর ব্যবসায়ী মো. হাবিব ও ব্যবসায়ী কাওসার হীরা। দুই দিনের এই উদ্ধারকাজে সঙ্গী বাকি তিনজনের নাম জানাতে পারেননি এই চারজন। নাম জানার ফুরসতই তাঁরা পাননি। 
শুধু এই সাতজন নন, বুধবার থেকেই শত শত সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে চিড়েচেপ্টা হয়ে যাওয়া নয়তলা ভবনের ভেতর ঢুকে ও বাইরে থেকে উদ্ধারকাজ করে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে-বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। স্থানীয় মানুষই ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করছেন, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে বা লাশ রাখার স্থানে নিচ্ছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় সামলাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আর ওষুধ নিয়ে আসা যানবাহনের দ্রুত চলাচলের রাস্তা করে দিচ্ছেন, রক্ত দিচ্ছেন। এ এক অভূতপূর্ব সহমর্মিতার উপাখ্যান। তাঁরাই স্বজনের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে খাবার আর পানি দিচ্ছেন, হাসপাতাল আর লাশ রাখার জায়গা চিনিয়ে দিচ্ছেন, সান্ত্বনা আর পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজধানী থেকে মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ওষুধ, খাবার আর পানি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছেন।  
News in Bangladesh
ওঁরা সাতজন: স্বেচ্ছায় উদ্ধারকর্মী হয়ে পড়া সাতজনের দলটির একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মো. রুবেলের বড় বোন রিমা ও ভগ্নিপতি ফরিদ ভবনের চারতলায় ফ্যান্টম ট্যাক কারখানায় কাজ করতেন। ভবনধসের পর ফরিদ বের হতে পারলেও রিমাকে লাশ হতে হয়েছে। রিমার লাশটা আটকে রয়েছে একটা বিমের নিচে। রুবেল বোনের মৃত মুখটা দেখতে পারলেও বোনকে উদ্ধার করতে পারেননি। বোনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েও থেমে যাননি তিনি। অন্যদের উদ্ধারে ঝুঁকিপূর্ণ এক মরিয়া লড়াইয়ে নেমেছেন সর্বশক্তি দিয়ে।
স্নাতকের ছাত্র আবিরের বাসা ঢাকার আজিমপুরে। সাভারে ভবনধসের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। একপর্যায়ে নিজে থেকেই উদ্ধারকাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জানান, বুধবার বেলা একটার দিকে চেপে থাকা দুই ছাদের ফোকর দিয়ে কোনোরকমে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন আরও ছয়জন কাজ করছেন। আবিরের দাবি, তাঁরা অন্তত দেড় শ জনকে সেখান থেকে বের করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মৃত। 
আবির বলেন, বুধবার ভবনের ভেতরে ঢোকার পর তাঁরা কয়েকজনকে টেনে বের করেন। বিভিন্ন তলায় আটকে পড়া ব্যক্তিরা তখন চিৎকার করছিলেন। তাঁরা সেই শব্দ শনাক্ত করে করে সামান্য হাতুড়ি-ছেনি ব্যবহার করে দেয়াল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু ভবনটি এমনভাবে ধসেছে যে দুটি ছাদের মাঝে কেবল শুয়ে, হামাগুড়ি দিয়ে অল্প জায়গায় চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় শুয়ে শুয়ে হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে কাজ করা যাচ্ছিল না। ভেতরে যেমন প্রচণ্ড গরম, তেমন নিকষ অন্ধকার। বুকভরে শ্বাসও নেওয়া যায় না। অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে প্রাণ। 
এই উদ্ধারকারীরা জানান, গতকাল সকাল থেকে মৃতদেহগুলো থেকে গন্ধ ছড়ানো শুরু হয়েছে। সেটাও পরিবেশ ভারী করে তুলছে। বারবার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বললেও কোনো কাজ হয়নি।
কীভাবে এই পরিবেশে কাজ করেছেন, প্রশ্ন করলে কাওসার হীরা বলেন, ‘দুই ছাদের মাঝের সরু জায়গায় শুয়ে পড়ে ‘কেউ আছেন’ বলে চিৎকার করি। কোনো প্রান্ত থেকে সাড়া মিললে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বা বাইরে থাকা উদ্ধারকর্মীদের বিষয়টি জানাই। তখন ভেতর থেকে ফোকর করে ও বাইরে থেকে দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।’
আরেকজন স্বনিয়োজিত উদ্ধারকর্মী হাবিব ওই এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গতকাল তাঁরা একজনের ওপর আরেকজন করে পড়ে থাকা তিনজন নারীকে ভবনের এক অংশে খুঁজে পান। তিনজনের একজন জীবিত ছিলেন। পাখি নামের ওই মেয়েটির একটি পা ভবনের বিমের নিচে চাপা ছিল। পরে হাঁটুর ওপর থেকে পা কেটে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁরা। কারণ, এ ছাড়া তাঁকে আর বাঁচানোর কোনো উপায় ছিল না। আরেকজন পুরুষকর্মীর গোড়ালি কেটে পা মুক্ত করে বের করে আনেন তাঁরা। 
হাবিব আর রুবেল বলেন, হাত-পা চাপা পড়ে আটকে থাকা কাউকে পেলে প্রথমে তাঁরা বাইরে অপেক্ষায় থাকা চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। চিকিৎসকেরাই আটকে পড়া অঙ্গ কেটে তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এর জন্য উদ্ধারকারী যুবকদের চেতনানাশক ইনজেকশন প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। পাখি নামের মেয়েটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর শরীরে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। তারপর চিকিৎসকদের পরামর্শমতো চাপা পড়া পা দড়ি আর ব্যান্ডেজের কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে সরবরাহ করা ছুরি দিয়ে সেটি বিচ্ছিন্ন করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাখিকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। এই উদ্ধারকাজে তাঁদের সময় লেগেছে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। 
রুবেল বলেন, ‘কাজ করার সময় খেয়াল ছিল না। পরে ছিন্ন অঙ্গ দেখে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে অন্যরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।’
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচার করে কিছু লোককে উদ্ধার করতে হবে। সে জন্য সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল গণি মোল্লার নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসকসহ কয়েজন নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে অস্ত্রোপচারের পর উদ্ধার করে।
দীর্ঘ সময় না খাওয়া, পরিশ্রম ও অতিরিক্ত ঘামের ফলে এসব উদ্ধারকর্মী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনাম মেডিকেলে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দেওয়া হয়।
এই চার উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ভেতর থেকে তাঁরা ১০০-এর বেশি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার হাতে দিয়েছেন। যাতে পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়।


Source: prothom-alo
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছে আড়াই বছরের এক মেয়েশিশু। এ ঘটনায় অপর এক শিশুও গুলিবিদ্ধ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চূড়ামণি আবাসন প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত শিশুর নাম সুখী। তার বাবার দাবি, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের গুলিতেই তাঁর মেয়ে মারা গেছে। তবে পুলিশ বলেছে, ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরেই গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। 
News in Bangladesh
এদিকে পায়ে গুলিবিদ্ধ অপর শিশু শফিকে (১১) স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে একই এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। নিহত সুখীর বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি চূড়ামণি পাহাড়ের লিচুবাগানে কাজ শেষে বিকেল চারটার দিকে বাড়ি ফিরছিলাম। সঙ্গে স্ত্রী ও তার কোলে মেয়ে সুখী ছিল। এ সময় তিন-চারজন সন্ত্রাসী পাহাড় থেকে এসে আমার ভাই আলমগীরকে খুঁজতে থাকে। তারা আমাকেই আলমগীর মনে করে গুলি করে। কিন্তু গুলি লাগে সুখীর গায়ে।’
গুরুতর আহত অবস্থায় সুখীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আলমগীর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেই জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এই হামলা চালান। হামলার সময় একটি গুলি জাহাঙ্গীরের কনুই ছুঁয়ে চলে যায়। এতে তিনি হাতে আঘাত পান।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে জামায়াত-শিবিরের কিছু কর্মী রাতে এই প্রকল্প এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ শুরু হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এমরান ভূঁইয়া বলেন, ‘গ্রামে দুটি বিবদমান পক্ষ আছে বলে জেনেছি। এ ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে ওই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি।


Source: prothom-alo

মায়ের কোলে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিরনিদ্রায় সুখী

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছে আড়াই বছরের এক মেয়েশিশু। এ ঘটনায় অপর এক শিশুও গুলিবিদ্ধ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চূড়ামণি আবাসন প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত শিশুর নাম সুখী। তার বাবার দাবি, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের গুলিতেই তাঁর মেয়ে মারা গেছে। তবে পুলিশ বলেছে, ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরেই গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। 
News in Bangladesh
এদিকে পায়ে গুলিবিদ্ধ অপর শিশু শফিকে (১১) স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে একই এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। নিহত সুখীর বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি চূড়ামণি পাহাড়ের লিচুবাগানে কাজ শেষে বিকেল চারটার দিকে বাড়ি ফিরছিলাম। সঙ্গে স্ত্রী ও তার কোলে মেয়ে সুখী ছিল। এ সময় তিন-চারজন সন্ত্রাসী পাহাড় থেকে এসে আমার ভাই আলমগীরকে খুঁজতে থাকে। তারা আমাকেই আলমগীর মনে করে গুলি করে। কিন্তু গুলি লাগে সুখীর গায়ে।’
গুরুতর আহত অবস্থায় সুখীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আলমগীর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেই জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এই হামলা চালান। হামলার সময় একটি গুলি জাহাঙ্গীরের কনুই ছুঁয়ে চলে যায়। এতে তিনি হাতে আঘাত পান।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে জামায়াত-শিবিরের কিছু কর্মী রাতে এই প্রকল্প এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ শুরু হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এমরান ভূঁইয়া বলেন, ‘গ্রামে দুটি বিবদমান পক্ষ আছে বলে জেনেছি। এ ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে ওই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি।


Source: prothom-alo
সাভারে রানা প্লাজা ধসে পড়ার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে শিল্প পুলিশের দুই সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের এখন সাভারে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

এই দুজন হলেন শিল্প পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মুকুল ও কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম।
শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবন ধসে পড়তে পারে—এমন গুজব শুনে গত বুধবার সকালে এএসআই মুকুল ও কনস্টেবল রফিকুল রানা প্লাজা পরিদর্শনে যান। তাঁরা তিন তলায় অবস্থানকালে সকাল পৌনে নয়টার দিকে ভবনটি ধসে পড়ে। এতে তাঁরা দুজন আটকা পড়েন। 
News24
আজ সকাল নয়টার দিকে জীবিত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সাভার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। 
শিল্প পুলিশের আশুলিয়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মুকুল ও রফিকুল দুজনই সুস্থ রয়েছেন। তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন।

Source: prothom-alo

৪৮ ঘণ্টা পর শিল্প পুলিশের দুই সদস্য জীবিত উদ্ধার

সাভারে রানা প্লাজা ধসে পড়ার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে শিল্প পুলিশের দুই সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের এখন সাভারে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

এই দুজন হলেন শিল্প পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মুকুল ও কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম।
শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবন ধসে পড়তে পারে—এমন গুজব শুনে গত বুধবার সকালে এএসআই মুকুল ও কনস্টেবল রফিকুল রানা প্লাজা পরিদর্শনে যান। তাঁরা তিন তলায় অবস্থানকালে সকাল পৌনে নয়টার দিকে ভবনটি ধসে পড়ে। এতে তাঁরা দুজন আটকা পড়েন। 
News24
আজ সকাল নয়টার দিকে জীবিত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সাভার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। 
শিল্প পুলিশের আশুলিয়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মুকুল ও রফিকুল দুজনই সুস্থ রয়েছেন। তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন।

Source: prothom-alo
সাভারে ধসে পড়া ভবনের ঘটনায় দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পদত্যাগ দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ভবনের মালিক ও যুবলীগের নেতা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান তিনি।
 
আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন এরশাদ। ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পার্লামেন্টারি পার্টিতে (আইসিএপিপি) যোগ দিতে ভিয়েতনাম গেছেন এরশাদ। সেখান থেকে তিনি এ বিবৃতি দেন বলে জাপার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিবৃতিতে এরশাদ বলেন, ‘দেশের এমন দুঃসময়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁরা যাচ্ছেতাই মন্তব্য করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যমকে বলেছেন, কিছু মৌলবাদী ও হরতাল সমর্থনকারী পিলার ধরে ঝাঁকুনি দেওয়ায় ভবনটি ধসে পড়ে। এ ধরনের হাস্যকর বক্তব্য শুধু চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়ই নয়, বরং সত্যকে আড়াল করার এবং প্রকৃত আসামিদের রক্ষা করার অপচেষ্টাও বটে। তাই আমি দায়িত্বজ্ঞানহীন ও জনবিচ্ছিন্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করছি।’ 
News In Bangladesh
এরশাদ আরও বলেন, আইন অমান্য করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে যুবলীগের নেতা ভবন নির্মাণ করেছেন। এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, যুবলীগের নেতা সোহেল রানা ঘটনার দিন ওই ভবনেই ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে দিয়ে রানা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, তার জবাব সরকারকে দিতে হবে।
বিবৃতিতে ঘটনার তিন দিন পরও উদ্ধারকাজ শেষ করতে না পারায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এরশাদ। উদ্ধারকাজ জোরদার করতে উদ্ধারকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।


Source: prothom-alo

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন এরশাদ News24

সাভারে ধসে পড়া ভবনের ঘটনায় দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পদত্যাগ দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ভবনের মালিক ও যুবলীগের নেতা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান তিনি।
 
আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন এরশাদ। ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পার্লামেন্টারি পার্টিতে (আইসিএপিপি) যোগ দিতে ভিয়েতনাম গেছেন এরশাদ। সেখান থেকে তিনি এ বিবৃতি দেন বলে জাপার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিবৃতিতে এরশাদ বলেন, ‘দেশের এমন দুঃসময়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁরা যাচ্ছেতাই মন্তব্য করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যমকে বলেছেন, কিছু মৌলবাদী ও হরতাল সমর্থনকারী পিলার ধরে ঝাঁকুনি দেওয়ায় ভবনটি ধসে পড়ে। এ ধরনের হাস্যকর বক্তব্য শুধু চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়ই নয়, বরং সত্যকে আড়াল করার এবং প্রকৃত আসামিদের রক্ষা করার অপচেষ্টাও বটে। তাই আমি দায়িত্বজ্ঞানহীন ও জনবিচ্ছিন্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করছি।’ 
News In Bangladesh
এরশাদ আরও বলেন, আইন অমান্য করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে যুবলীগের নেতা ভবন নির্মাণ করেছেন। এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, যুবলীগের নেতা সোহেল রানা ঘটনার দিন ওই ভবনেই ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে দিয়ে রানা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, তার জবাব সরকারকে দিতে হবে।
বিবৃতিতে ঘটনার তিন দিন পরও উদ্ধারকাজ শেষ করতে না পারায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এরশাদ। উদ্ধারকাজ জোরদার করতে উদ্ধারকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।


Source: prothom-alo